ইসলাম ডেস্ক
ধরা যাক, একজন রোজাদার উড়োজাহাজে ওঠার আগে সূর্য অস্ত গেল অর্থাৎ তাঁর ইফতারের সময় হয়ে গেল। তিনি রোজা ভাঙলেন। ইফতার করার পর তাঁর ফ্লাইট আকাশে উড়ল। কিছু দূর যাওয়ার পর তিনি সূর্য দেখতে পেলেন—এখন তাঁর করণীয় কী? তিনি কি খাওয়া-দাওয়া চালিয়ে যাবেন, নাকি রোজাদার হিসেবে বিরত থাকবেন?
এই প্রশ্নের জবাবে আলিমগণ বলেছেন, সূর্য ডোবার পর যে ব্যক্তি ইফতার করলেন, এরপর উড়োজাহাজে চড়ে সূর্য দেখতে পেলে, তিনি খাওয়া-দাওয়া করতে পারবেন। তাঁর রোজা এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে ধরা হবে।
হাদিসে এসেছে, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘পূর্ব দিক থেকে যখন রাত এসে যাবে এবং পশ্চিম দিক থেকে যখন দিন চলে যাবে ও সূর্য ডুবে যাবে, তখন সাওম পালনকারী ইফতার করবে।’ (বুখারি: ১৯৫৪; মুসলিম: ১১০০)
সুতরাং যে ব্যক্তি শরিয়তের নির্দেশনা মোতাবেক একবার ইফতার করে ফেলেছেন, তাঁর রোজা পূর্ণ হয়ে গেছে। এরপর খাওয়া-দাওয়া করতে তাঁর জন্য কোনো বিধিনিষেধ নেই।
সূত্র: আল-মাউসুআতুল মুয়াসসারাহ ফি ফিকহিল কাজায়াল মুআসারাহ
ধরা যাক, একজন রোজাদার উড়োজাহাজে ওঠার আগে সূর্য অস্ত গেল অর্থাৎ তাঁর ইফতারের সময় হয়ে গেল। তিনি রোজা ভাঙলেন। ইফতার করার পর তাঁর ফ্লাইট আকাশে উড়ল। কিছু দূর যাওয়ার পর তিনি সূর্য দেখতে পেলেন—এখন তাঁর করণীয় কী? তিনি কি খাওয়া-দাওয়া চালিয়ে যাবেন, নাকি রোজাদার হিসেবে বিরত থাকবেন?
এই প্রশ্নের জবাবে আলিমগণ বলেছেন, সূর্য ডোবার পর যে ব্যক্তি ইফতার করলেন, এরপর উড়োজাহাজে চড়ে সূর্য দেখতে পেলে, তিনি খাওয়া-দাওয়া করতে পারবেন। তাঁর রোজা এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে ধরা হবে।
হাদিসে এসেছে, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘পূর্ব দিক থেকে যখন রাত এসে যাবে এবং পশ্চিম দিক থেকে যখন দিন চলে যাবে ও সূর্য ডুবে যাবে, তখন সাওম পালনকারী ইফতার করবে।’ (বুখারি: ১৯৫৪; মুসলিম: ১১০০)
সুতরাং যে ব্যক্তি শরিয়তের নির্দেশনা মোতাবেক একবার ইফতার করে ফেলেছেন, তাঁর রোজা পূর্ণ হয়ে গেছে। এরপর খাওয়া-দাওয়া করতে তাঁর জন্য কোনো বিধিনিষেধ নেই।
সূত্র: আল-মাউসুআতুল মুয়াসসারাহ ফি ফিকহিল কাজায়াল মুআসারাহ
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যা মানবজীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে পরিবার ও সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে যখন পারিবারিক বন্ধন শিথিল হচ্ছে এবং সমাজে নৈতিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে, তখন ইসলামি শিক্ষার প্রচলন...
১৮ দিন আগেপবিত্র কোরআনের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ আয়াত হলো ‘আয়াতুল কুরসি।’ মহানবী (সা.) এই আয়াতটিকে কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। একবার তিনি সাহাবি উবাই ইবনে কাআব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার মতে কোরআনের কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান?’ জবাবে উবাই (রা.) বলেন, ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া...’
১৯ দিন আগেক্ষমতা বা রাজত্ব পেলে মানুষ আল্লাহ ভোলা হয়ে যায়। হয়ে ওঠে বেপরোয়া ও অহংকারী। দুর্বলের ওপর অবাধে চালায় অত্যাচার ও নিপীড়ন। আসলে ক্ষমতাসীনদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এটা একটা বড় পরীক্ষা। ক্ষমতা পেয়ে বান্দা কেমন আচরণ করে, সেটাই দেখতে চান আল্লাহ তাআলা। তবে সবাই তো এক না।
১৯ দিন আগেআল্লাহ তাআলার অফুরন্ত নেয়ামতের অবারিত ঠিকানা জান্নাত। জান্নাতকে পার্থিব নেয়ামত দ্বারা আল্লাহ তাআলা সাজিয়েছেন—যা কোনো চোখ চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো ব্যক্তির অন্তর তা কল্পনাও করতে পারেনি।
১৯ দিন আগে