সুখময় পরিবার জীবনের অমূল্য সম্পদ। সুখী সংসারকে বলা হয় দুনিয়ার জান্নাত। পরিবার আমাদের আশ্রয়, ভালোবাসা ও সাহসের উৎস। পরিবারে একে অপরের পাশে থাকলে সব বাধা সহজে অতিক্রম করা যায়। ছোঁয়া যায় ভালোবাসার আকাশ। মাখা যায় সুখের আবেশ। এ ক্ষেত্রে মহানবী (সা.) হতে পারেন উত্তম আদর্শ। কীভাবে তিনি পারিবারিক ও সাংসারিক জীবন মধুময় করে তুলেছিলেন, তা তুলে ধরেছেন তাসলিমা জাহান।
তাসলিমা জাহান
ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা
পারিবারিক জীবনে সুখের অন্যতম মাধ্যম ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা। দুই মনের দুজন এক ছাদের নিচে বসবাস শুরুর পর কখনো অযাচিত মনোমালিন্য তৈরি হতে পারে। সংসারজীবনে এটা স্বাভাবিক ঘটনা। তবে এই স্বাভাবিক বিষয় যেন জটিলতার দিকে এগোতে না পারে, সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। পরিবারে কোনোভাবেই সন্দেহ প্রবেশের সুযোগ দেওয়া যাবে না। সন্দেহ সম্পর্ককে তিলে তিলে ক্ষয় করে। কখনো একজন রেগে গেলে অন্যজনকে ধৈর্যের পরিচয় দিতে হবে। নিজেদের মাঝে অভিমান জমা হলে আগের ভালোবাসার মুহূর্তগুলোর কথা স্মরণ করতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব রাগ-অভিমান পেছনে ফেলে একে অপরকে আপন করে নিতে হবে।
আয়েশা (রা.)-এর ঘরে প্রবেশ করে একবার আবু বকর (রা.) দেখলেন তিনি নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে জোরগলায় কথা বলছেন। তখন তিনি আয়েশাকে বলেন, ‘তুমি আল্লাহর রাসুলের সঙ্গে এভাবে উঁচু গলায় কথা বলছ!’ ঠিক ওই সময় নবী করিম (সা.) আবু বকরকে (রা.) থামিয়ে দেন। কিছুক্ষণ পর হজরত আবু বকর বের হয়ে যান। তখন নবীজি (সা.) প্রিয়তমা স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করার জন্য বলেন, ‘দেখলে, কীভাবে তোমাকে ওই লোকের হাত থেকে বাঁচালাম!’ কিছুক্ষণ পর আবার আবু বকর (রা.) এসে তাঁদের দুজনকেই হাসতে দেখলেন। তখন তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, যুদ্ধের সময় আপনারা যেভাবে আমাকে দলে নিয়েছিলেন, সন্ধির সময়ও সেভাবে দলে নিন।’ (মুসনাদে আহমদ: ১৭৯২৭)
পারস্পরিক দায়িত্ববোধ
পারিবারিক, সাংসারিক ও দাম্পত্যজীবনে সুখ বজায় রাখতে পারস্পরিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা অপরিহার্য। স্বামী-স্ত্রী প্রত্যেকেরই আলাদা আলাদা দায়িত্ব রয়েছে। সেসব দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকলে পরিবারে নেমে আসে অনাবিল সুখ।
বিয়েতে দ্বীনদার পাত্রী গ্রহণ, যুক্তিসংগত মোহরানা, যথাযথ ভরণপোষণ, নিরাপদ বাসস্থান, সহযোগিতামূলক আচরণ, আন্তরিকতা প্রদর্শন, ঘরোয়া কাজে সহায়তা, একাধিক স্ত্রী থাকলে সমতা রক্ষা, শ্বশুর-শাশুড়ির প্রতি যথাযথ সম্মান, স্ত্রীর আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সদ্ব্যবহার, স্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ, তার মনোরঞ্জন এবং নিজেকে পরিপাটি রাখা স্বামীর কর্তব্য। রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমি আমার স্ত্রীদের জন্য এমনই পরিপাটি থাকা পছন্দ করি, যেমন আমি তাদের ক্ষেত্রে সাজগোজ করে থাকতে পছন্দ করি।’ (সুনানে বায়হাকি: ১৪৭২৮)
স্ত্রীর সঙ্গে একান্তে সময় কাটানো, অভিন্ন পাত্রে পানি পান, একসঙ্গে খাবার গ্রহণ, তার কোলে মাথা রেখে শোয়া এবং মনে থাকা ভালোবাসা তার সামনে মুখে প্রকাশ করা উচিত। হজরত খাদিজা (রা.) সম্পর্কে নবীজি (সা.) বলেন, ‘আমার মনে তার প্রতি ভালোবাসা ঢেলে দেওয়া হয়েছে।’ (সহিহ্ মুসলিম: ২৪৩৫)। আয়েশা (রা.)-এর প্রশংসা করে নবীজি (সা.) বলেন, ‘খাবারের মধ্যে সারিদ যেমন সবার সেরা, নারীদের মধ্যে আয়েশা সবার সেরা। (সহিহ্ বুখারি: ৩৪১১)। এ ছাড়া স্ত্রীকে মধুর নামে ডাকাও সুন্নত। রাসুল (সা.) আয়েশা (রা.)-কে হুমায়রা নামেও ডাকতেন। (আস-সুনানুল কুবরা: ৮৯৫১)
আর স্বামীর গোপনীয়তা রক্ষা, শ্বশুর-শাশুড়ির যথাযথ সম্মান, স্বামীর আত্মীয়দের সঙ্গে সদ্ব্যবহার, স্বামীর অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা, পর্দাসংক্রান্ত বিষয়ে সচেতনতা, স্বামীর অর্থ-সম্পদ সংরক্ষণ, সতীত্বের হেফাজত, নৈতিক বিষয়ে স্বামীর আনুগত্যশীলতা, সম্মান প্রদর্শন, স্বামীর জন্য সাজগোজ, বিপদে স্বামীর পাশে থাকা, স্বামীর কৃতজ্ঞতা স্বীকার এবং তার সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা স্ত্রীর কর্তব্য। নবী করিম (সা.) বলেন, ‘স্ত্রীর প্রতি তার স্বামী সন্তুষ্ট ও খুশি থাকা অবস্থায় কোনো স্ত্রী মারা গেলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (সুনানে তিরমিজি: ১১৬১)
ইবাদতময় ঘর-সংসার
পরিবারে ইবাদতের সৌরভ ছড়িয়ে পড়লে মনে স্থীরতা তৈরি হয়। এই স্থীরতা সাংসারিক জীবনে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে। তাই ঘরে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করা উচিত, যাতে ইবাদত সহজ ও স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে ওঠে। পরিবারের ছোট থেকে বড় সবার মাঝে দান-সদকার অভ্যাস গড়ে তোলা, জিকির, তিলাওয়াতের প্রতিযোগিতামূলক আবহ তৈরি করা যেতে পারে। এতে পরিবারে ইবাদতের উৎসব তৈরি হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘সৎকর্মে তোমরা একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করো।’ (সুরা মায়েদা: ৪৮)। ঘরে নামাজের পরিবেশ তৈরির কথা বলেছেন নবীজি (সা.)। তিনি নিজ ঘরে নফল নামাজ আদায় করতেন এবং সাহাবিদেরও উৎসাহিত করতেন। তিনি বলেন, ‘তোমরা তোমাদের ঘরকে কবর বানিয়ো না (অর্থাৎ নামাজবিহীন রেখো না)।’ (সহিহ্ মুসলিম: ৭৮০) এ ছাড়া ঘরে শান্তি আনতে গুনাহমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা আবশ্যক। ইবাদতের পরিবেশ তখনই সুসংগঠিত হবে, যখন ঘর গুনাহমুক্ত হবে।
দোয়ার আমল
পারিবারিক জীবনে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধির জন্য দোয়ার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পরিবারে সুখ-শান্তির জন্য কীভাবে দোয়া করতে হবে তা আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে শিখিয়ে দিয়েছেন। কত মধুর দোয়া—‘রাব্বানা হাবলানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ’ইউনিউ ওয়া জাআলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা। অর্থ: ‘হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদের এমন স্ত্রী ও সন্তান দান করো, যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয়। আর আমাদের মুত্তাকিদের নেতা বানিয়ে দাও।’ (সুরা ফুরকান: ৭৪)।
ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা
পারিবারিক জীবনে সুখের অন্যতম মাধ্যম ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা। দুই মনের দুজন এক ছাদের নিচে বসবাস শুরুর পর কখনো অযাচিত মনোমালিন্য তৈরি হতে পারে। সংসারজীবনে এটা স্বাভাবিক ঘটনা। তবে এই স্বাভাবিক বিষয় যেন জটিলতার দিকে এগোতে না পারে, সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। পরিবারে কোনোভাবেই সন্দেহ প্রবেশের সুযোগ দেওয়া যাবে না। সন্দেহ সম্পর্ককে তিলে তিলে ক্ষয় করে। কখনো একজন রেগে গেলে অন্যজনকে ধৈর্যের পরিচয় দিতে হবে। নিজেদের মাঝে অভিমান জমা হলে আগের ভালোবাসার মুহূর্তগুলোর কথা স্মরণ করতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব রাগ-অভিমান পেছনে ফেলে একে অপরকে আপন করে নিতে হবে।
আয়েশা (রা.)-এর ঘরে প্রবেশ করে একবার আবু বকর (রা.) দেখলেন তিনি নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে জোরগলায় কথা বলছেন। তখন তিনি আয়েশাকে বলেন, ‘তুমি আল্লাহর রাসুলের সঙ্গে এভাবে উঁচু গলায় কথা বলছ!’ ঠিক ওই সময় নবী করিম (সা.) আবু বকরকে (রা.) থামিয়ে দেন। কিছুক্ষণ পর হজরত আবু বকর বের হয়ে যান। তখন নবীজি (সা.) প্রিয়তমা স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করার জন্য বলেন, ‘দেখলে, কীভাবে তোমাকে ওই লোকের হাত থেকে বাঁচালাম!’ কিছুক্ষণ পর আবার আবু বকর (রা.) এসে তাঁদের দুজনকেই হাসতে দেখলেন। তখন তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, যুদ্ধের সময় আপনারা যেভাবে আমাকে দলে নিয়েছিলেন, সন্ধির সময়ও সেভাবে দলে নিন।’ (মুসনাদে আহমদ: ১৭৯২৭)
পারস্পরিক দায়িত্ববোধ
পারিবারিক, সাংসারিক ও দাম্পত্যজীবনে সুখ বজায় রাখতে পারস্পরিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা অপরিহার্য। স্বামী-স্ত্রী প্রত্যেকেরই আলাদা আলাদা দায়িত্ব রয়েছে। সেসব দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকলে পরিবারে নেমে আসে অনাবিল সুখ।
বিয়েতে দ্বীনদার পাত্রী গ্রহণ, যুক্তিসংগত মোহরানা, যথাযথ ভরণপোষণ, নিরাপদ বাসস্থান, সহযোগিতামূলক আচরণ, আন্তরিকতা প্রদর্শন, ঘরোয়া কাজে সহায়তা, একাধিক স্ত্রী থাকলে সমতা রক্ষা, শ্বশুর-শাশুড়ির প্রতি যথাযথ সম্মান, স্ত্রীর আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সদ্ব্যবহার, স্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ, তার মনোরঞ্জন এবং নিজেকে পরিপাটি রাখা স্বামীর কর্তব্য। রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমি আমার স্ত্রীদের জন্য এমনই পরিপাটি থাকা পছন্দ করি, যেমন আমি তাদের ক্ষেত্রে সাজগোজ করে থাকতে পছন্দ করি।’ (সুনানে বায়হাকি: ১৪৭২৮)
স্ত্রীর সঙ্গে একান্তে সময় কাটানো, অভিন্ন পাত্রে পানি পান, একসঙ্গে খাবার গ্রহণ, তার কোলে মাথা রেখে শোয়া এবং মনে থাকা ভালোবাসা তার সামনে মুখে প্রকাশ করা উচিত। হজরত খাদিজা (রা.) সম্পর্কে নবীজি (সা.) বলেন, ‘আমার মনে তার প্রতি ভালোবাসা ঢেলে দেওয়া হয়েছে।’ (সহিহ্ মুসলিম: ২৪৩৫)। আয়েশা (রা.)-এর প্রশংসা করে নবীজি (সা.) বলেন, ‘খাবারের মধ্যে সারিদ যেমন সবার সেরা, নারীদের মধ্যে আয়েশা সবার সেরা। (সহিহ্ বুখারি: ৩৪১১)। এ ছাড়া স্ত্রীকে মধুর নামে ডাকাও সুন্নত। রাসুল (সা.) আয়েশা (রা.)-কে হুমায়রা নামেও ডাকতেন। (আস-সুনানুল কুবরা: ৮৯৫১)
আর স্বামীর গোপনীয়তা রক্ষা, শ্বশুর-শাশুড়ির যথাযথ সম্মান, স্বামীর আত্মীয়দের সঙ্গে সদ্ব্যবহার, স্বামীর অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা, পর্দাসংক্রান্ত বিষয়ে সচেতনতা, স্বামীর অর্থ-সম্পদ সংরক্ষণ, সতীত্বের হেফাজত, নৈতিক বিষয়ে স্বামীর আনুগত্যশীলতা, সম্মান প্রদর্শন, স্বামীর জন্য সাজগোজ, বিপদে স্বামীর পাশে থাকা, স্বামীর কৃতজ্ঞতা স্বীকার এবং তার সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা স্ত্রীর কর্তব্য। নবী করিম (সা.) বলেন, ‘স্ত্রীর প্রতি তার স্বামী সন্তুষ্ট ও খুশি থাকা অবস্থায় কোনো স্ত্রী মারা গেলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (সুনানে তিরমিজি: ১১৬১)
ইবাদতময় ঘর-সংসার
পরিবারে ইবাদতের সৌরভ ছড়িয়ে পড়লে মনে স্থীরতা তৈরি হয়। এই স্থীরতা সাংসারিক জীবনে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে। তাই ঘরে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করা উচিত, যাতে ইবাদত সহজ ও স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে ওঠে। পরিবারের ছোট থেকে বড় সবার মাঝে দান-সদকার অভ্যাস গড়ে তোলা, জিকির, তিলাওয়াতের প্রতিযোগিতামূলক আবহ তৈরি করা যেতে পারে। এতে পরিবারে ইবাদতের উৎসব তৈরি হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘সৎকর্মে তোমরা একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করো।’ (সুরা মায়েদা: ৪৮)। ঘরে নামাজের পরিবেশ তৈরির কথা বলেছেন নবীজি (সা.)। তিনি নিজ ঘরে নফল নামাজ আদায় করতেন এবং সাহাবিদেরও উৎসাহিত করতেন। তিনি বলেন, ‘তোমরা তোমাদের ঘরকে কবর বানিয়ো না (অর্থাৎ নামাজবিহীন রেখো না)।’ (সহিহ্ মুসলিম: ৭৮০) এ ছাড়া ঘরে শান্তি আনতে গুনাহমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা আবশ্যক। ইবাদতের পরিবেশ তখনই সুসংগঠিত হবে, যখন ঘর গুনাহমুক্ত হবে।
দোয়ার আমল
পারিবারিক জীবনে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধির জন্য দোয়ার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পরিবারে সুখ-শান্তির জন্য কীভাবে দোয়া করতে হবে তা আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে শিখিয়ে দিয়েছেন। কত মধুর দোয়া—‘রাব্বানা হাবলানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ’ইউনিউ ওয়া জাআলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা। অর্থ: ‘হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদের এমন স্ত্রী ও সন্তান দান করো, যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয়। আর আমাদের মুত্তাকিদের নেতা বানিয়ে দাও।’ (সুরা ফুরকান: ৭৪)।
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যা মানবজীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে পরিবার ও সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে যখন পারিবারিক বন্ধন শিথিল হচ্ছে এবং সমাজে নৈতিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে, তখন ইসলামি শিক্ষার প্রচলন...
১৮ দিন আগেপবিত্র কোরআনের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ আয়াত হলো ‘আয়াতুল কুরসি।’ মহানবী (সা.) এই আয়াতটিকে কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। একবার তিনি সাহাবি উবাই ইবনে কাআব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার মতে কোরআনের কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান?’ জবাবে উবাই (রা.) বলেন, ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া...’
১৮ দিন আগেক্ষমতা বা রাজত্ব পেলে মানুষ আল্লাহ ভোলা হয়ে যায়। হয়ে ওঠে বেপরোয়া ও অহংকারী। দুর্বলের ওপর অবাধে চালায় অত্যাচার ও নিপীড়ন। আসলে ক্ষমতাসীনদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এটা একটা বড় পরীক্ষা। ক্ষমতা পেয়ে বান্দা কেমন আচরণ করে, সেটাই দেখতে চান আল্লাহ তাআলা। তবে সবাই তো এক না।
১৯ দিন আগেআল্লাহ তাআলার অফুরন্ত নেয়ামতের অবারিত ঠিকানা জান্নাত। জান্নাতকে পার্থিব নেয়ামত দ্বারা আল্লাহ তাআলা সাজিয়েছেন—যা কোনো চোখ চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো ব্যক্তির অন্তর তা কল্পনাও করতে পারেনি।
১৯ দিন আগে