মাওলানা ইসমাইল নাজিম
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে আবশ্যকভাবে একজন মুসলমানকে অজু করতে হয়। আর ফরজ গোসল ছাড়াও পরিচ্ছন্নতার জন্য নিয়মতি গোসল করা মহানবী (সা.)-এর সুন্নত। অজুর মোট চারটি ফরজ রয়েছে এবং গোসলের তিনটি ফরজ রয়েছে—যা সঠিকভাবে আদায় না করলে অজু-গোসল আদায় হয় না। বিশেষ করে শীতকালে এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা একান্ত জরুরি। হাদিসে এ বিষয়ে জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
অজুতে যেসব অঙ্গ ধোয়া ফরজ, তা সামান্য শুকনা থেকে গেলে অজু হবে না। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, কোনো এক সফরে আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের পেছনে পড়ে গেলেন। পরে তিনি আমাদের কাছে পৌঁছলেন। এদিকে আমরা (আসরের) নামাজ আদায় করতে বিলম্ব করে ফেলেছিলাম। তাই (তা আদায় করার জন্য) আমরা অজু করা শুরু করলাম। এ সময় আমরা আমাদের পা কোনোমতে পানি দ্বারা ভিজিয়ে নিচ্ছিলাম। তখন তিনি উচ্চ স্বরে বলেন, ‘সর্বনাশ! গোড়ালির নিচের অংশের জন্য জাহান্নামের আগুন রয়েছে।’ তিনি দুই বা তিনবার এ কথা বললেন। (বুখারি: ৯৬; মুসলিম: ২৪১)
ইবনুল উসাইমিন (রহ.) বলেন, ‘মানুষ যদি পবিত্রতা অর্জনের অঙ্গে তৈলাক্ত বস্তু (তেল, ক্রিম) ব্যবহার করে, তাহলে দেখতে হবে যদি ওই তৈলাক্ত বস্তুটি জমাট বাঁধা ও আবরণবিশিষ্ট হয়, তাহলে পবিত্রতা অর্জনের আগে অবশ্যই তা দূর করতে হবে। যদি তৈলাক্ত বস্তু সেভাবেই জমাট বাঁধা অবস্থায় থেকে যায়, তাহলে তা চামড়া পর্যন্ত পানি পৌঁছতে বাধা দেবে। এতে তখন পবিত্রতা শুদ্ধ হবে না। যদি তৈলাক্ত বস্তুটির কোনো আবরণ না থাকে কিন্তু পবিত্রতার অঙ্গগুলোর ওপর সেগুলোর চিহ্ন অবশিষ্ট থেকে যায়, তাহলে তাতে কোনো ক্ষতি নেই। কিন্তু এই অবস্থায় ওই অঙ্গের ওপর হাত বুলিয়ে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।’ (ফাতাওয়াত তাহারাহ, পৃষ্ঠা: ১৭৪)
মাওলানা ইসমাইল নাজিম, ইসলামবিষয়ক গবেষক
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে আবশ্যকভাবে একজন মুসলমানকে অজু করতে হয়। আর ফরজ গোসল ছাড়াও পরিচ্ছন্নতার জন্য নিয়মতি গোসল করা মহানবী (সা.)-এর সুন্নত। অজুর মোট চারটি ফরজ রয়েছে এবং গোসলের তিনটি ফরজ রয়েছে—যা সঠিকভাবে আদায় না করলে অজু-গোসল আদায় হয় না। বিশেষ করে শীতকালে এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা একান্ত জরুরি। হাদিসে এ বিষয়ে জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
অজুতে যেসব অঙ্গ ধোয়া ফরজ, তা সামান্য শুকনা থেকে গেলে অজু হবে না। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, কোনো এক সফরে আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের পেছনে পড়ে গেলেন। পরে তিনি আমাদের কাছে পৌঁছলেন। এদিকে আমরা (আসরের) নামাজ আদায় করতে বিলম্ব করে ফেলেছিলাম। তাই (তা আদায় করার জন্য) আমরা অজু করা শুরু করলাম। এ সময় আমরা আমাদের পা কোনোমতে পানি দ্বারা ভিজিয়ে নিচ্ছিলাম। তখন তিনি উচ্চ স্বরে বলেন, ‘সর্বনাশ! গোড়ালির নিচের অংশের জন্য জাহান্নামের আগুন রয়েছে।’ তিনি দুই বা তিনবার এ কথা বললেন। (বুখারি: ৯৬; মুসলিম: ২৪১)
ইবনুল উসাইমিন (রহ.) বলেন, ‘মানুষ যদি পবিত্রতা অর্জনের অঙ্গে তৈলাক্ত বস্তু (তেল, ক্রিম) ব্যবহার করে, তাহলে দেখতে হবে যদি ওই তৈলাক্ত বস্তুটি জমাট বাঁধা ও আবরণবিশিষ্ট হয়, তাহলে পবিত্রতা অর্জনের আগে অবশ্যই তা দূর করতে হবে। যদি তৈলাক্ত বস্তু সেভাবেই জমাট বাঁধা অবস্থায় থেকে যায়, তাহলে তা চামড়া পর্যন্ত পানি পৌঁছতে বাধা দেবে। এতে তখন পবিত্রতা শুদ্ধ হবে না। যদি তৈলাক্ত বস্তুটির কোনো আবরণ না থাকে কিন্তু পবিত্রতার অঙ্গগুলোর ওপর সেগুলোর চিহ্ন অবশিষ্ট থেকে যায়, তাহলে তাতে কোনো ক্ষতি নেই। কিন্তু এই অবস্থায় ওই অঙ্গের ওপর হাত বুলিয়ে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।’ (ফাতাওয়াত তাহারাহ, পৃষ্ঠা: ১৭৪)
মাওলানা ইসমাইল নাজিম, ইসলামবিষয়ক গবেষক
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যা মানবজীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে পরিবার ও সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে যখন পারিবারিক বন্ধন শিথিল হচ্ছে এবং সমাজে নৈতিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে, তখন ইসলামি শিক্ষার প্রচলন...
১৮ দিন আগেপবিত্র কোরআনের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ আয়াত হলো ‘আয়াতুল কুরসি।’ মহানবী (সা.) এই আয়াতটিকে কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। একবার তিনি সাহাবি উবাই ইবনে কাআব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার মতে কোরআনের কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান?’ জবাবে উবাই (রা.) বলেন, ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া...’
১৯ দিন আগেক্ষমতা বা রাজত্ব পেলে মানুষ আল্লাহ ভোলা হয়ে যায়। হয়ে ওঠে বেপরোয়া ও অহংকারী। দুর্বলের ওপর অবাধে চালায় অত্যাচার ও নিপীড়ন। আসলে ক্ষমতাসীনদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এটা একটা বড় পরীক্ষা। ক্ষমতা পেয়ে বান্দা কেমন আচরণ করে, সেটাই দেখতে চান আল্লাহ তাআলা। তবে সবাই তো এক না।
১৯ দিন আগেআল্লাহ তাআলার অফুরন্ত নেয়ামতের অবারিত ঠিকানা জান্নাত। জান্নাতকে পার্থিব নেয়ামত দ্বারা আল্লাহ তাআলা সাজিয়েছেন—যা কোনো চোখ চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো ব্যক্তির অন্তর তা কল্পনাও করতে পারেনি।
১৯ দিন আগে