মাওলানা ইমরান হোসাইন
রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে আমাদের কাছে হাজির হয়েছে বছরের সেরা মাস রমজান। রমজান মুমিনের জীবনে সবচেয়ে কল্যাণকর মাস। মহানবী (সা.) এরশাদ করেন, ‘মুমিনদের জীবনে রমজানের চেয়ে অধিক কল্যাণকর কোনো মাস অতিবাহিত হয় না এবং মুনাফিকদের জীবনে রমজানের চেয়ে অধিক অনিষ্টকর কোনো মাস অতিবাহিত হয় না।’ (মুসনাদে আহমাদ: ৮৮৭০)
মাহে রমজান আমাদের প্রতি আল্লাহ তাআলার বিশেষ দয়া ও রহমত। এই মাসের আগমনে আমাদের খুশি হওয়া চাই। কারণ আল্লাহর নিয়ামত এলে খুশি হয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা মুমিনের একান্ত কর্তব্য। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘বলে দিন, আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুণায় তা এসেছে; সুতরাং এ নিয়ে তাদের আনন্দিত হওয়া উচিত। তা তারা যা সঞ্চয় করেছে, তা থেকে অধিক উত্তম।’ (সুরা ইউনুস: ৫৮)
সচেতন মুসলিম মাত্রই মহিমান্বিত মাস রমজানের আগমনে আনন্দিত হন। রমজানকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে নতুন প্রাণে জেগে ওঠেন। যেমন আপনার কোনো প্রিয় মানুষ ও হিতাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তি দীর্ঘ ১১ মাস আপনার থেকে দূরে থাকার পর ফিরে এলে নিশ্চয়ই আপনার আনন্দের সীমা থাকবে না। তেমনি রমজান এলে মুমিনের আনন্দের সীমা থাকে না।
রোজা বা সিয়াম সাধনা হলো রমজানের প্রাণ। কোরআন, হাদিস এমনকি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণেও রোজার উপকারিতা প্রমাণিত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর রোজা রাখাই তোমাদের জন্য অধিক কল্যাণকর, যদি তোমরা বুঝে থাকো।’ (সুরা বাকারা: ১৮৪)
সুতরাং রমজান মানে মুমিনের জীবনে খুশির আলোড়ন। এ খুশি সাধনা ও অর্জনের; আনুষ্ঠানিকতা বা বিলাসিতার নয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের এই ফজিলতপূর্ণ মাসের প্রতি ইনসাফ করার তৌফিক দিন।
মাওলানা ইমরান হোসাইন, শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক
রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে আমাদের কাছে হাজির হয়েছে বছরের সেরা মাস রমজান। রমজান মুমিনের জীবনে সবচেয়ে কল্যাণকর মাস। মহানবী (সা.) এরশাদ করেন, ‘মুমিনদের জীবনে রমজানের চেয়ে অধিক কল্যাণকর কোনো মাস অতিবাহিত হয় না এবং মুনাফিকদের জীবনে রমজানের চেয়ে অধিক অনিষ্টকর কোনো মাস অতিবাহিত হয় না।’ (মুসনাদে আহমাদ: ৮৮৭০)
মাহে রমজান আমাদের প্রতি আল্লাহ তাআলার বিশেষ দয়া ও রহমত। এই মাসের আগমনে আমাদের খুশি হওয়া চাই। কারণ আল্লাহর নিয়ামত এলে খুশি হয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা মুমিনের একান্ত কর্তব্য। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘বলে দিন, আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুণায় তা এসেছে; সুতরাং এ নিয়ে তাদের আনন্দিত হওয়া উচিত। তা তারা যা সঞ্চয় করেছে, তা থেকে অধিক উত্তম।’ (সুরা ইউনুস: ৫৮)
সচেতন মুসলিম মাত্রই মহিমান্বিত মাস রমজানের আগমনে আনন্দিত হন। রমজানকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে নতুন প্রাণে জেগে ওঠেন। যেমন আপনার কোনো প্রিয় মানুষ ও হিতাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তি দীর্ঘ ১১ মাস আপনার থেকে দূরে থাকার পর ফিরে এলে নিশ্চয়ই আপনার আনন্দের সীমা থাকবে না। তেমনি রমজান এলে মুমিনের আনন্দের সীমা থাকে না।
রোজা বা সিয়াম সাধনা হলো রমজানের প্রাণ। কোরআন, হাদিস এমনকি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণেও রোজার উপকারিতা প্রমাণিত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর রোজা রাখাই তোমাদের জন্য অধিক কল্যাণকর, যদি তোমরা বুঝে থাকো।’ (সুরা বাকারা: ১৮৪)
সুতরাং রমজান মানে মুমিনের জীবনে খুশির আলোড়ন। এ খুশি সাধনা ও অর্জনের; আনুষ্ঠানিকতা বা বিলাসিতার নয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের এই ফজিলতপূর্ণ মাসের প্রতি ইনসাফ করার তৌফিক দিন।
মাওলানা ইমরান হোসাইন, শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যা মানবজীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে পরিবার ও সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে যখন পারিবারিক বন্ধন শিথিল হচ্ছে এবং সমাজে নৈতিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে, তখন ইসলামি শিক্ষার প্রচলন...
১৮ দিন আগেপবিত্র কোরআনের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ আয়াত হলো ‘আয়াতুল কুরসি।’ মহানবী (সা.) এই আয়াতটিকে কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। একবার তিনি সাহাবি উবাই ইবনে কাআব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার মতে কোরআনের কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান?’ জবাবে উবাই (রা.) বলেন, ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া...’
১৯ দিন আগেক্ষমতা বা রাজত্ব পেলে মানুষ আল্লাহ ভোলা হয়ে যায়। হয়ে ওঠে বেপরোয়া ও অহংকারী। দুর্বলের ওপর অবাধে চালায় অত্যাচার ও নিপীড়ন। আসলে ক্ষমতাসীনদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এটা একটা বড় পরীক্ষা। ক্ষমতা পেয়ে বান্দা কেমন আচরণ করে, সেটাই দেখতে চান আল্লাহ তাআলা। তবে সবাই তো এক না।
১৯ দিন আগেআল্লাহ তাআলার অফুরন্ত নেয়ামতের অবারিত ঠিকানা জান্নাত। জান্নাতকে পার্থিব নেয়ামত দ্বারা আল্লাহ তাআলা সাজিয়েছেন—যা কোনো চোখ চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো ব্যক্তির অন্তর তা কল্পনাও করতে পারেনি।
১৯ দিন আগে