আবু তালহা তারীফ, ঢাকা
সংস্কার করে জাতিকে বদলাতে চায় সকলেই। একটি জাতি পরিবর্তন ও উন্নতি হলেই হৃদয়ে প্রশান্তির বাতাস বইবে। সুখ-শান্তিতে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজনসহ মিলেমিশে নিরাপদভাবে বসবাস করা যাবে।
রাস্তাঘাটে ফুটপাতের ওপর দোকান, ট্রাফিক আইন অমান্য, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা, নকল ওষুধ, খাদ্যে ভেজাল, কম দামি দেশি কাপড় বেশি দামে বিদেশি বলে প্রতারণা, দুর্নীতিসহ সব ধরনের অন্যায়-অপরাধ প্রতিরোধ করে জাতিকে সংস্কার জরুরি। জাতিকে সংস্কার করে এগিয়ে নিতে হবে বহুদূর।
তবে জাতির সংস্কারের আগেই প্রথম নিজের অসুস্থ মনমানসিকতার সংস্কার খুবই প্রয়োজন। অন্যকে বদলাতে হলে নিজেকে বদলানো বেশি জরুরি। নিজের চোখ দিয়ে সুন্দর সমাজ দেখতে চাইলে নিজের হৃদয়ে থাকা অন্ধকার দূর করতে আলো ছড়াতে হবে।
অন্যের উপকার ও ভালো ব্যবহারের আশা করলে নিজেকে অন্যের জন্য বিলিয়ে দিতে হবে। সকল ধরনের অন্যায় অপরাধ বন্ধ করতে চাইলে নিজেকে সকল ধরনের অপরাধ থেকে মুক্ত থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, অপরাধ অপরাধই। ছোট কিংবা বড় হোক। নিজের হৃদয়ে থাকা আত্মা পরিশুদ্ধ করতে পারলেই পরিবর্তন করা সম্ভব একটি জাতি।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের অবয়ব ও সম্পদ দেখেন না, কিন্তু তোমাদের অন্তর ও আমল দেখেন।’ (সহিহ্ মুসলিম)
অন্তরে অহংকার, হিংসা, বিদ্বেষ, রিয়া লালন করে জাতিকে সংস্কারের আশা করা বৃথা। হৃদয়ের কঠোরতা দূরীভূত করে ভালোবাসা বিসর্জন দিয়ে মিথ্যার বিরুদ্ধে সত্যের পক্ষে সর্বদা লড়াই করতে হবে। অন্তর থেকে লোভ-লালসা চিরতরে দূর করতে হবে। নিজে অন্যায় করব না, অপরকে করতেও দেব না—এই মনমানসিকতা তৈরি করে জাতিকে উন্নতি করতে হবে।
আত্মসংস্কার করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিবার-পরিজনসহ অধীনদের সংস্কার করতে পারলেই বদলাবে একটি জাতি।
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘'হে ইমানদারগণ, তোমরা নিজেদের এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর। যার জাহান্নামের (জ্বালানি) হবে মানুষ ও পাথর। যাতে নিয়োজিত আছে নির্মম-হৃদয়, কঠোর-স্বভাবের ফেরেশতারা। যারা আল্লাহ যা তাদের আদেশ করেন, তা অমান্য করে না এবং তারা যা করতে আদিষ্ট হয়, তাই করে।’ (সুরা তাহরিম: ৬)
লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক
সংস্কার করে জাতিকে বদলাতে চায় সকলেই। একটি জাতি পরিবর্তন ও উন্নতি হলেই হৃদয়ে প্রশান্তির বাতাস বইবে। সুখ-শান্তিতে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজনসহ মিলেমিশে নিরাপদভাবে বসবাস করা যাবে।
রাস্তাঘাটে ফুটপাতের ওপর দোকান, ট্রাফিক আইন অমান্য, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা, নকল ওষুধ, খাদ্যে ভেজাল, কম দামি দেশি কাপড় বেশি দামে বিদেশি বলে প্রতারণা, দুর্নীতিসহ সব ধরনের অন্যায়-অপরাধ প্রতিরোধ করে জাতিকে সংস্কার জরুরি। জাতিকে সংস্কার করে এগিয়ে নিতে হবে বহুদূর।
তবে জাতির সংস্কারের আগেই প্রথম নিজের অসুস্থ মনমানসিকতার সংস্কার খুবই প্রয়োজন। অন্যকে বদলাতে হলে নিজেকে বদলানো বেশি জরুরি। নিজের চোখ দিয়ে সুন্দর সমাজ দেখতে চাইলে নিজের হৃদয়ে থাকা অন্ধকার দূর করতে আলো ছড়াতে হবে।
অন্যের উপকার ও ভালো ব্যবহারের আশা করলে নিজেকে অন্যের জন্য বিলিয়ে দিতে হবে। সকল ধরনের অন্যায় অপরাধ বন্ধ করতে চাইলে নিজেকে সকল ধরনের অপরাধ থেকে মুক্ত থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, অপরাধ অপরাধই। ছোট কিংবা বড় হোক। নিজের হৃদয়ে থাকা আত্মা পরিশুদ্ধ করতে পারলেই পরিবর্তন করা সম্ভব একটি জাতি।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের অবয়ব ও সম্পদ দেখেন না, কিন্তু তোমাদের অন্তর ও আমল দেখেন।’ (সহিহ্ মুসলিম)
অন্তরে অহংকার, হিংসা, বিদ্বেষ, রিয়া লালন করে জাতিকে সংস্কারের আশা করা বৃথা। হৃদয়ের কঠোরতা দূরীভূত করে ভালোবাসা বিসর্জন দিয়ে মিথ্যার বিরুদ্ধে সত্যের পক্ষে সর্বদা লড়াই করতে হবে। অন্তর থেকে লোভ-লালসা চিরতরে দূর করতে হবে। নিজে অন্যায় করব না, অপরকে করতেও দেব না—এই মনমানসিকতা তৈরি করে জাতিকে উন্নতি করতে হবে।
আত্মসংস্কার করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিবার-পরিজনসহ অধীনদের সংস্কার করতে পারলেই বদলাবে একটি জাতি।
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘'হে ইমানদারগণ, তোমরা নিজেদের এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর। যার জাহান্নামের (জ্বালানি) হবে মানুষ ও পাথর। যাতে নিয়োজিত আছে নির্মম-হৃদয়, কঠোর-স্বভাবের ফেরেশতারা। যারা আল্লাহ যা তাদের আদেশ করেন, তা অমান্য করে না এবং তারা যা করতে আদিষ্ট হয়, তাই করে।’ (সুরা তাহরিম: ৬)
লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যা মানবজীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে পরিবার ও সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে যখন পারিবারিক বন্ধন শিথিল হচ্ছে এবং সমাজে নৈতিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে, তখন ইসলামি শিক্ষার প্রচলন...
১৮ দিন আগেপবিত্র কোরআনের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ আয়াত হলো ‘আয়াতুল কুরসি।’ মহানবী (সা.) এই আয়াতটিকে কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। একবার তিনি সাহাবি উবাই ইবনে কাআব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার মতে কোরআনের কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান?’ জবাবে উবাই (রা.) বলেন, ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া...’
১৮ দিন আগেক্ষমতা বা রাজত্ব পেলে মানুষ আল্লাহ ভোলা হয়ে যায়। হয়ে ওঠে বেপরোয়া ও অহংকারী। দুর্বলের ওপর অবাধে চালায় অত্যাচার ও নিপীড়ন। আসলে ক্ষমতাসীনদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এটা একটা বড় পরীক্ষা। ক্ষমতা পেয়ে বান্দা কেমন আচরণ করে, সেটাই দেখতে চান আল্লাহ তাআলা। তবে সবাই তো এক না।
১৯ দিন আগেআল্লাহ তাআলার অফুরন্ত নেয়ামতের অবারিত ঠিকানা জান্নাত। জান্নাতকে পার্থিব নেয়ামত দ্বারা আল্লাহ তাআলা সাজিয়েছেন—যা কোনো চোখ চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো ব্যক্তির অন্তর তা কল্পনাও করতে পারেনি।
১৯ দিন আগে