সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইলন মাস্কের বৈদ্যুতিক গাড়ি টেসলার শোরুম, চার্জিং স্টেশন এবং কিছু ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সাইবার ট্রাক জ্বালিয়ে দেওয়া, বুলেট ও পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করার এই ঘটনাগুলো মূলত টেসলার বিরুদ্ধে মানুষের ক্রমবর্ধমান সহিংসতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর নেই। তবে সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি এবং ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এই হামলাগুলো মূলত বামপন্থী শহরগুলোতে বেশি দেখা যাচ্ছে। যেমন পোর্টল্যান্ড, সিয়াটল ও লাস ভেগাসেই সবচেয়ে বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে। ওরেগনের সালেমে টেসলার একটি স্টোরে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ ও জানালা ভাঙার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ১৪ মার্চ সিয়াটলে টেসলার লটে চারটি সাইবার ট্রাক জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর ১৮ মার্চ লাস ভেগাসে টেসলার একটি সার্ভিস সেন্টারে লাল রং দিয়ে ‘প্রতিরোধ’ শব্দটি লিখে বেশ কয়েকটি টেসলা গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে জার্মানির বার্লিনেও টেসলার গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ১৪ মার্চ বার্লিনে টেসলার প্রায় চারটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।
টেসলা একসময় বামপন্থীদের প্রিয় ছিল, বিশেষ করে ওবামা প্রশাসনের সময় ফেডারেল ঋণ পেয়ে কোম্পানিটি বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছিল। তবে সম্প্রতি ইলন মাস্ক ডানপন্থীদের সঙ্গে জোট বেঁধেছেন। তিনি টুইটার কিনে এক্স নামকরণ করেছেন এবং রক্ষণশীলদের সমালোচনা করে এমন নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে দিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি ২০২৪ সালে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার দান করেছেন; যা তাঁকে ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় সমর্থকে পরিণত করেছে।
সম্প্রতি টেড ক্রুজের পডকাস্টে ইলন মাস্ক বলেছেন, এই ভাঙচুরের কিছু অংশ ‘আমেরিকার বামপন্থী সংগঠন এবং বামপন্থী বিলিয়নিয়ারদের দ্বারা সংগঠিত ও অর্থায়নে’। তিনি লাস ভেগাসের জ্বলন্ত টেসলা গাড়ির ভিডিও এক্সে শেয়ার করে লেখেন, ‘এই সহিংসতা পাগলামি এবং বড় ধরনের ভুল। টেসলা শুধু বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরি করে।’
এদিকে কিছু কিছু টেসলার মালিক নিজেদের গাড়ি বাঁচাতে চটকদার স্টিকার লাগিয়েছেন। যেমন ‘আমি যখন এই গাড়ি কিনেছিলাম, তখন জানতাম না ইলন মাস্ক পাগল হয়ে যাবে!’ কেউ কেউ লিখেছেন, ‘আমি শুধু একটি বৈদ্যুতিক গাড়ি চেয়েছিলাম। দুঃখিত বন্ধুরা!’ ওয়াশিংটনের টেসলা মালিক ক্লাবের প্রেসিডেন্ট থেরেসা রামসডেল বলেন, ‘ইলন মাস্ক এবং ট্রাম্পকে ঘৃণা করুন, কিন্তু আমাদের গাড়ি নষ্ট করার কোনো মানে হয় না।’
হোয়াইট হাউস টেসলা গাড়ি লক্ষ্য করে চলমান ভাঙচুরকে ‘ডোমেস্টিক টেররিজম’ বা ‘ঘরোয়া সন্ত্রাস’ বলে অভিহিত করেছে। তারা এসব হামলার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি বলেছেন, ‘যারা টেসলা গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা করবে, তাদের জন্য জাহান্নাম অপেক্ষা করছে।’ তিনি এই হামলাগুলোর পেছনে কে আছে এবং কীভাবে অর্থায়ন করা হচ্ছে, তা তদন্ত করছেন বলে জানিয়েছেন।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, এসব হামলার পেছনে উগ্র বামপন্থীরা জড়িত। থিংকট্যাংক সুফান সেন্টারের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো কলিন ক্লার্ক বলেন, ‘বামপন্থী রাজনৈতিক সহিংসতা সাধারণত মানুষের চেয়ে বস্তুগত সম্পত্তিকে লক্ষ্য করে বেশি। তারা সম্পদ ধ্বংস করে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়।’ তিনি মনে করেন, নব্য নাৎসি গোষ্ঠীগুলোর উত্থান বর্তমানে একটি বড় নিরাপত্তা হুমকি।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইলন মাস্কের বৈদ্যুতিক গাড়ি টেসলার শোরুম, চার্জিং স্টেশন এবং কিছু ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সাইবার ট্রাক জ্বালিয়ে দেওয়া, বুলেট ও পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করার এই ঘটনাগুলো মূলত টেসলার বিরুদ্ধে মানুষের ক্রমবর্ধমান সহিংসতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর নেই। তবে সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি এবং ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এই হামলাগুলো মূলত বামপন্থী শহরগুলোতে বেশি দেখা যাচ্ছে। যেমন পোর্টল্যান্ড, সিয়াটল ও লাস ভেগাসেই সবচেয়ে বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে। ওরেগনের সালেমে টেসলার একটি স্টোরে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ ও জানালা ভাঙার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ১৪ মার্চ সিয়াটলে টেসলার লটে চারটি সাইবার ট্রাক জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর ১৮ মার্চ লাস ভেগাসে টেসলার একটি সার্ভিস সেন্টারে লাল রং দিয়ে ‘প্রতিরোধ’ শব্দটি লিখে বেশ কয়েকটি টেসলা গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে জার্মানির বার্লিনেও টেসলার গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ১৪ মার্চ বার্লিনে টেসলার প্রায় চারটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।
টেসলা একসময় বামপন্থীদের প্রিয় ছিল, বিশেষ করে ওবামা প্রশাসনের সময় ফেডারেল ঋণ পেয়ে কোম্পানিটি বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছিল। তবে সম্প্রতি ইলন মাস্ক ডানপন্থীদের সঙ্গে জোট বেঁধেছেন। তিনি টুইটার কিনে এক্স নামকরণ করেছেন এবং রক্ষণশীলদের সমালোচনা করে এমন নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে দিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি ২০২৪ সালে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার দান করেছেন; যা তাঁকে ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় সমর্থকে পরিণত করেছে।
সম্প্রতি টেড ক্রুজের পডকাস্টে ইলন মাস্ক বলেছেন, এই ভাঙচুরের কিছু অংশ ‘আমেরিকার বামপন্থী সংগঠন এবং বামপন্থী বিলিয়নিয়ারদের দ্বারা সংগঠিত ও অর্থায়নে’। তিনি লাস ভেগাসের জ্বলন্ত টেসলা গাড়ির ভিডিও এক্সে শেয়ার করে লেখেন, ‘এই সহিংসতা পাগলামি এবং বড় ধরনের ভুল। টেসলা শুধু বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরি করে।’
এদিকে কিছু কিছু টেসলার মালিক নিজেদের গাড়ি বাঁচাতে চটকদার স্টিকার লাগিয়েছেন। যেমন ‘আমি যখন এই গাড়ি কিনেছিলাম, তখন জানতাম না ইলন মাস্ক পাগল হয়ে যাবে!’ কেউ কেউ লিখেছেন, ‘আমি শুধু একটি বৈদ্যুতিক গাড়ি চেয়েছিলাম। দুঃখিত বন্ধুরা!’ ওয়াশিংটনের টেসলা মালিক ক্লাবের প্রেসিডেন্ট থেরেসা রামসডেল বলেন, ‘ইলন মাস্ক এবং ট্রাম্পকে ঘৃণা করুন, কিন্তু আমাদের গাড়ি নষ্ট করার কোনো মানে হয় না।’
হোয়াইট হাউস টেসলা গাড়ি লক্ষ্য করে চলমান ভাঙচুরকে ‘ডোমেস্টিক টেররিজম’ বা ‘ঘরোয়া সন্ত্রাস’ বলে অভিহিত করেছে। তারা এসব হামলার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি বলেছেন, ‘যারা টেসলা গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা করবে, তাদের জন্য জাহান্নাম অপেক্ষা করছে।’ তিনি এই হামলাগুলোর পেছনে কে আছে এবং কীভাবে অর্থায়ন করা হচ্ছে, তা তদন্ত করছেন বলে জানিয়েছেন।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, এসব হামলার পেছনে উগ্র বামপন্থীরা জড়িত। থিংকট্যাংক সুফান সেন্টারের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো কলিন ক্লার্ক বলেন, ‘বামপন্থী রাজনৈতিক সহিংসতা সাধারণত মানুষের চেয়ে বস্তুগত সম্পত্তিকে লক্ষ্য করে বেশি। তারা সম্পদ ধ্বংস করে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়।’ তিনি মনে করেন, নব্য নাৎসি গোষ্ঠীগুলোর উত্থান বর্তমানে একটি বড় নিরাপত্তা হুমকি।
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এবং এর প্রধান সহযোগী একটি গ্রুপকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেয়।
১৭ দিন আগেজাতিসংঘের তিন-চতুর্থাংশ সদস্য দেশ এরই মধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে বা শিগগিরই দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। আগামী সেপ্টেম্বরের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে (ইউএনজিএ) ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে সোমবার এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১৭ দিন আগেআরব নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে গত ৮ আগস্ট এক রায়ে আন্তর্জাতিক আদালত বলেছে যে, ভারতকে পাকিস্তানের জন্য সিন্ধু নদীর পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোর পানি অবাধভাবে প্রবাহিত হতে দিতে হবে। আদালত স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছে যে, ভারতের নতুন হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পসমূহ চুক্তির নির্ধারিত মানদণ্
১৮ দিন আগেপাকিস্তান আবারও ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে। এবার পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ বিলাওয়াল ভুট্টো ভারতকে সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি একতরফাভাবে স্থগিত করার বিষয়ে হুমকি দিয়েছেন। পাকিস্তানের সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, ভারত পাকিস্তানের ‘বড় ক্ষতি’ করেছে এবং প্রধানমন্ত্রী...
১৮ দিন আগে