অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের এক বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে ‘বিগ বিউটিফুল বিল’ পাস হওয়াকে। ব্যাপক বিতর্কের শেষে বিলটি পাস হয়েছে। তাও আবার মাত্র চার ভোটের ব্যবধানে। আজ শুক্রবার (৪ জুলাই) এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ট্রাম্প এই বিলটিকে আইনে পরিণত করবেন বলে গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।
‘বিগ বিউটিফুল বিল’
গতকাল বৃহস্পতিবার হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ২১৮-২১৪ ভোটের ব্যবধানে পাস হয় বিলটি। এর আগে গত মঙ্গলবার কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে বিলটি কোনো রকমে উতরে যায়। সিনেটে মাত্র ১ ভোটের ব্যবধানে পাস হয় বিলটি। পক্ষে ভোট পড়ে ৫১টি আর বিপক্ষে ৫০টি। বিলটির পক্ষে ৫১ তম ভোটটি দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স।
এই বিলে একই সঙ্গে কর হ্রাস, বড় অঙ্কের ব্যয় হ্রাস, প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো এবং অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আনা হয়েছে। যদিও ডেমোক্র্যাটরা এই বিলের পুরোপুরি বিরোধিতা করেছে তবে রিপাবলিকানরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত একত্র থেকে এটি পাস করিয়ে নেয়।
কী আছে বিলটিতে?
১. কর হ্রাস
এই বিলের মাধ্যমে ধনী ব্যক্তি ও বড় কর্পোরেটদের জন্য আয়কর কমানো হয়েছে। ২০১৭ সালে ট্রাম্পের আমলে যে কর ছাড় আইন পাস হয়েছিল, এটি সে আইনের স্থায়ী রূপ দিচ্ছে। টিপস, ওভারটাইম ও ব্যবসা খাতের গবেষণা ও উন্নয়নের (আরঅ্যান্ডডি)-এ ২০২৮ সাল পর্যন্ত কিছু অস্থায়ী কর ছাড় আনা হয়েছে। স্টেট ও লোকাল ট্যাক্স ডিডাকশনের সীমা অস্থায়ীভাবে ৪০ হাজার ডলার করা হয়েছে। এতে উচ্চ করের রাজ্যগুলোতে বসবাসকারী ধনীরা উপকৃত হবে। চাইল্ড ট্যাক্স ক্রেডিট আরও ২০০ ডলার বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
২. অভিবাসন ও সীমান্ত নিরাপত্তা বাড়ছে কঠোরতা
প্রস্তাবিত বিলটিতে সীমান্ত অবকাঠামো সম্প্রসারণের জন্য ৪৬.৫ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই বিলের আওতায় ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে ১ লাখ অতিরিক্ত শয্যা যুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি আরও ১০ হাজার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) অফিসার নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়াও সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টাকারী বা আশ্রয় সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের জন্য নতুন জরিমানা ও শাস্তির বিধান করা হয়েছে।
৩. কমছে ক্লিন এনার্জি ও বৈদ্যুতিক গাড়ির বরাদ্দ
বাইডেন প্রশাসনের ‘ইনফ্লেশন রিডাকশন অ্যাক্ট’ থেকে ক্লিন এনার্জি প্রণোদনা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ ছাড়া, বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) জন্য ৭ হাজার ৫০০ ডলারের কর ছাড় ২০২৫ সালের পর ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করা হবে। ২০২৮ সালের আগে নির্মিত না হলে নতুন উইন্ড ও সোলার প্রকল্পে কোনো কর ছাড় দেওয়া হবে না। এর বদলে, কয়লা উৎপাদনে নতুন কর ছাড় চালু করা হয়েছে।
৪. সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে করাঘাত
মেডিকেইড ও এসএনএপি (ফুড স্ট্যাম্প) কর্মসূচির অর্থায়নে বড় ধরনের ছাঁটাই করা হয়েছে। ৬৫ বছরের নিচের কর্মক্ষম, কিন্তু সন্তানহীন ব্যক্তিদের জন্য কঠোর কর্মসংস্থান শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ স্বাস্থ্য বীমা হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গ্রাম এলাকার হাসপাতালগুলোর সহায়তায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের একটি ফান্ড তৈরি করা হয়েছে। তবে সমালোচকেরা বলছেন, এই তহবিল সামগ্রিক ক্ষতির সিকিভাগও নয়।
৫. নারীস্বাস্থ্য
পরিকল্পিত সন্তান ধারণের সহায়তায় যে ‘প্ল্যানড প্যারেন্টহুড ফেডারেল তহবিল’ ছিল তা এক বছরের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ এই কার্যক্রমের মাধ্যমে গর্ভপাতকে অনুপ্রাণিত করা হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের আগে থেকেই এই ধারণা নিয়ে রেখেছিল।
৬. প্রতিরক্ষা, মহাকাশ ও অন্যান্য খাতে ব্যয়
এই বিলে প্রতিরক্ষা খাতে ১৫০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে, যার মধ্যে ‘গোল্ডেন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বরাদ্দ ২৫ বিলিয়ন ডলার। আর মহাকাশ গবেষণায় ১০ বিলিয়ন ডলার রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) কার্যকারিতা শেষ হলে একে ৩২৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এছাড়াও, বিলটিতে নবজাতকদের জন্য ‘ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস’ নামে একটি নতুন ১ হাজার ডলারের সঞ্চয় কর্মসূচি চালু করার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে, আর্থিকভাবে স্বচ্ছল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এনডোউমেন্টের (স্থায়ী তহবিল) ওপর নতুন করে কর দিতে হবে।
৭. ঋণসীমা বৃদ্ধি
এই বাড়তি ব্যয়ের খরচ মেটাতে জাতীয় ঋণের সর্বোচ্চ সীমা ৫ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এটি আর্থিকভাবে রক্ষণশীল রাজনীতিবিদদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে, কারণ এতে জাতীয় ঋণের বোঝা আরও বেড়ে যাবে।
ট্রাম্পের এই বিগ বিউটিফুল বিল থেকে সামগ্রিকভাবে লাভবান হবে উচ্চ আয়ের ব্যক্তিরা ও বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। আর অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে থাকা রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মনরক্ষা করবে এই বিল। অন্যদিকে নিম্ন আয়ের পরিবার, সামাজিক নিরাপত্তা থেকে পাওয়া প্রণোদনার ওপর নির্ভরশীল নাগরিকেরা পড়বেন বেকায়দায়। আর অভিবাসন প্রার্থীরা ও সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীরা এরইমধ্যে ট্রাম্পের কঠোর সীমান্ত নীতির মুখোমুখি হয়ে পড়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের এক বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে ‘বিগ বিউটিফুল বিল’ পাস হওয়াকে। ব্যাপক বিতর্কের শেষে বিলটি পাস হয়েছে। তাও আবার মাত্র চার ভোটের ব্যবধানে। আজ শুক্রবার (৪ জুলাই) এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ট্রাম্প এই বিলটিকে আইনে পরিণত করবেন বলে গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।
‘বিগ বিউটিফুল বিল’
গতকাল বৃহস্পতিবার হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ২১৮-২১৪ ভোটের ব্যবধানে পাস হয় বিলটি। এর আগে গত মঙ্গলবার কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে বিলটি কোনো রকমে উতরে যায়। সিনেটে মাত্র ১ ভোটের ব্যবধানে পাস হয় বিলটি। পক্ষে ভোট পড়ে ৫১টি আর বিপক্ষে ৫০টি। বিলটির পক্ষে ৫১ তম ভোটটি দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স।
এই বিলে একই সঙ্গে কর হ্রাস, বড় অঙ্কের ব্যয় হ্রাস, প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো এবং অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আনা হয়েছে। যদিও ডেমোক্র্যাটরা এই বিলের পুরোপুরি বিরোধিতা করেছে তবে রিপাবলিকানরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত একত্র থেকে এটি পাস করিয়ে নেয়।
কী আছে বিলটিতে?
১. কর হ্রাস
এই বিলের মাধ্যমে ধনী ব্যক্তি ও বড় কর্পোরেটদের জন্য আয়কর কমানো হয়েছে। ২০১৭ সালে ট্রাম্পের আমলে যে কর ছাড় আইন পাস হয়েছিল, এটি সে আইনের স্থায়ী রূপ দিচ্ছে। টিপস, ওভারটাইম ও ব্যবসা খাতের গবেষণা ও উন্নয়নের (আরঅ্যান্ডডি)-এ ২০২৮ সাল পর্যন্ত কিছু অস্থায়ী কর ছাড় আনা হয়েছে। স্টেট ও লোকাল ট্যাক্স ডিডাকশনের সীমা অস্থায়ীভাবে ৪০ হাজার ডলার করা হয়েছে। এতে উচ্চ করের রাজ্যগুলোতে বসবাসকারী ধনীরা উপকৃত হবে। চাইল্ড ট্যাক্স ক্রেডিট আরও ২০০ ডলার বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
২. অভিবাসন ও সীমান্ত নিরাপত্তা বাড়ছে কঠোরতা
প্রস্তাবিত বিলটিতে সীমান্ত অবকাঠামো সম্প্রসারণের জন্য ৪৬.৫ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই বিলের আওতায় ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে ১ লাখ অতিরিক্ত শয্যা যুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি আরও ১০ হাজার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) অফিসার নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়াও সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টাকারী বা আশ্রয় সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের জন্য নতুন জরিমানা ও শাস্তির বিধান করা হয়েছে।
৩. কমছে ক্লিন এনার্জি ও বৈদ্যুতিক গাড়ির বরাদ্দ
বাইডেন প্রশাসনের ‘ইনফ্লেশন রিডাকশন অ্যাক্ট’ থেকে ক্লিন এনার্জি প্রণোদনা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ ছাড়া, বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) জন্য ৭ হাজার ৫০০ ডলারের কর ছাড় ২০২৫ সালের পর ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করা হবে। ২০২৮ সালের আগে নির্মিত না হলে নতুন উইন্ড ও সোলার প্রকল্পে কোনো কর ছাড় দেওয়া হবে না। এর বদলে, কয়লা উৎপাদনে নতুন কর ছাড় চালু করা হয়েছে।
৪. সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে করাঘাত
মেডিকেইড ও এসএনএপি (ফুড স্ট্যাম্প) কর্মসূচির অর্থায়নে বড় ধরনের ছাঁটাই করা হয়েছে। ৬৫ বছরের নিচের কর্মক্ষম, কিন্তু সন্তানহীন ব্যক্তিদের জন্য কঠোর কর্মসংস্থান শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ স্বাস্থ্য বীমা হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গ্রাম এলাকার হাসপাতালগুলোর সহায়তায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের একটি ফান্ড তৈরি করা হয়েছে। তবে সমালোচকেরা বলছেন, এই তহবিল সামগ্রিক ক্ষতির সিকিভাগও নয়।
৫. নারীস্বাস্থ্য
পরিকল্পিত সন্তান ধারণের সহায়তায় যে ‘প্ল্যানড প্যারেন্টহুড ফেডারেল তহবিল’ ছিল তা এক বছরের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ এই কার্যক্রমের মাধ্যমে গর্ভপাতকে অনুপ্রাণিত করা হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের আগে থেকেই এই ধারণা নিয়ে রেখেছিল।
৬. প্রতিরক্ষা, মহাকাশ ও অন্যান্য খাতে ব্যয়
এই বিলে প্রতিরক্ষা খাতে ১৫০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে, যার মধ্যে ‘গোল্ডেন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বরাদ্দ ২৫ বিলিয়ন ডলার। আর মহাকাশ গবেষণায় ১০ বিলিয়ন ডলার রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) কার্যকারিতা শেষ হলে একে ৩২৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এছাড়াও, বিলটিতে নবজাতকদের জন্য ‘ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস’ নামে একটি নতুন ১ হাজার ডলারের সঞ্চয় কর্মসূচি চালু করার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে, আর্থিকভাবে স্বচ্ছল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এনডোউমেন্টের (স্থায়ী তহবিল) ওপর নতুন করে কর দিতে হবে।
৭. ঋণসীমা বৃদ্ধি
এই বাড়তি ব্যয়ের খরচ মেটাতে জাতীয় ঋণের সর্বোচ্চ সীমা ৫ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এটি আর্থিকভাবে রক্ষণশীল রাজনীতিবিদদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে, কারণ এতে জাতীয় ঋণের বোঝা আরও বেড়ে যাবে।
ট্রাম্পের এই বিগ বিউটিফুল বিল থেকে সামগ্রিকভাবে লাভবান হবে উচ্চ আয়ের ব্যক্তিরা ও বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। আর অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে থাকা রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মনরক্ষা করবে এই বিল। অন্যদিকে নিম্ন আয়ের পরিবার, সামাজিক নিরাপত্তা থেকে পাওয়া প্রণোদনার ওপর নির্ভরশীল নাগরিকেরা পড়বেন বেকায়দায়। আর অভিবাসন প্রার্থীরা ও সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীরা এরইমধ্যে ট্রাম্পের কঠোর সীমান্ত নীতির মুখোমুখি হয়ে পড়েছেন।
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এবং এর প্রধান সহযোগী একটি গ্রুপকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেয়।
১৭ দিন আগেজাতিসংঘের তিন-চতুর্থাংশ সদস্য দেশ এরই মধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে বা শিগগিরই দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। আগামী সেপ্টেম্বরের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে (ইউএনজিএ) ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে সোমবার এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১৭ দিন আগেআরব নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে গত ৮ আগস্ট এক রায়ে আন্তর্জাতিক আদালত বলেছে যে, ভারতকে পাকিস্তানের জন্য সিন্ধু নদীর পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোর পানি অবাধভাবে প্রবাহিত হতে দিতে হবে। আদালত স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছে যে, ভারতের নতুন হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পসমূহ চুক্তির নির্ধারিত মানদণ্
১৭ দিন আগেপাকিস্তান আবারও ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে। এবার পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ বিলাওয়াল ভুট্টো ভারতকে সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি একতরফাভাবে স্থগিত করার বিষয়ে হুমকি দিয়েছেন। পাকিস্তানের সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, ভারত পাকিস্তানের ‘বড় ক্ষতি’ করেছে এবং প্রধানমন্ত্রী...
১৭ দিন আগে