এবার ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া সবচেয়ে কম বয়সীদের মধ্যে অন্যতম তিনি। মাত্র ২৫ বছর বয়সেই রাজস্থানের ভরতপুর আসনটি কংগ্রেসের ঝুলিতে এনে দিয়েছেন সঞ্জনা জাটব। বিজয়ের পর একটি স্থানীয় সংগীতের সঙ্গে তাঁর ঐতিহ্যবাহী রাজস্থানী নাচ এখন ভাইরাল হয়ে গেছে ভারতজুড়ে।
এত অল্প বয়সে সঞ্জনার এমন সাফল্যকে অনেকে রূপকথার সঙ্গে তুলনা করছেন। কারণ, কোনো রাজনৈতিক পরিবার কিংবা কোনো ধনাঢ্য পরিবারের সদস্য নন তিনি। উঠে এসেছেন একটি দলিত পরিবার থেকে। তাঁর স্বামী একজন পুলিশ কনস্টেবল। রয়েছে দুই সন্তানও। একদিকে সংসার, অন্যদিকে রাজনীতি—দুটি বিষয়কে সঞ্জনা কীভাবে সামলিয়েছেন তা এখন অনেকের কাছেই বিস্ময়। তার চেয়েও বড় বিস্ময় লোকসভার মতো দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী হিসেবে কংগ্রেসের বেছে নেওয়া।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে, কংগ্রেসের রাজনীতিতে সঞ্জনার উত্থান মূলত প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর ‘ল্যাড়কি হু, লাড় শক্তি হু’ বা ‘আমি নারী, আমি লড়তে জানি’ প্রচারণায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে। এই প্রচারণার একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর গুডবুকে ছিলেন তিনি। পাশাপাশি দলিত পরিবারের হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি ছিল তাঁর। ২০১৯ সালে মহারাজা ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি এলএলবি সম্পন্ন করেছিলেন। ফলে খুব সহজেই স্থানীয় রাজনীতিতে কংগ্রেসের তরুণ মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে রাজস্থানের রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সঞ্জনার ওপর আস্থা রাখে কংগ্রেস পার্টি। অনেক বড় বড় রাজনীতিবিদকে পাশ কাটিয়ে রাজ্য বিধানসভার ভরতপুর আসন থেকেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র ৪০৯ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান তিনি।
এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে চলে আসে লোকসভা নির্বাচন। এর আগে অনেক কম ভোটের ব্যবধানে বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় সঞ্জনার প্রতি স্থানীয় মানুষের সহানুভূতি ছিল। কংগ্রেস নেতৃত্ব এই বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে লোকসভা নির্বাচনেও ভরতপুর আসন থেকে সঞ্জনাকে আবার প্রার্থী করে।
নির্বাচনে ভরতপুর আসনে বিজেপির প্রার্থী ও সাবেক লোকসভা সদস্য রামস্বরূপ কলির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সঞ্জনা। গণনায় দেখা যায়, তিনি ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৮৯০ ভোট পেয়ে বিজেপি প্রার্থীর চেয়ে ৫১ হাজার ৯৮৩ ভোট বেশি পেয়েছেন।
বিজয়ের খবরটি যখন এল, তখন কর্মী–সমর্থকদের মাঝখানে আনন্দকে আর নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেননি সঞ্জনা। রাজস্থানের ঐতিহ্যবাহী ঢঙে তাঁর বিজয়ের নাচটি এখন কংগ্রেসের গৌরবের বিষয় হয়ে উঠেছে।
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে রাজস্থানের ২৫টি আসনের একটিও জিততে পারেনি কংগ্রেস। সবগুলো আসনই জিতে নিয়েছিল বিজেপি জোট। তবে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। এবার রাজস্থানে ৮টি আসন পেয়েছে কংগ্রেস। এর মধ্যে সঞ্জনা জাটবের বিজয়টি দেশজুড়ে আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে।
এবার ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া সবচেয়ে কম বয়সীদের মধ্যে অন্যতম তিনি। মাত্র ২৫ বছর বয়সেই রাজস্থানের ভরতপুর আসনটি কংগ্রেসের ঝুলিতে এনে দিয়েছেন সঞ্জনা জাটব। বিজয়ের পর একটি স্থানীয় সংগীতের সঙ্গে তাঁর ঐতিহ্যবাহী রাজস্থানী নাচ এখন ভাইরাল হয়ে গেছে ভারতজুড়ে।
এত অল্প বয়সে সঞ্জনার এমন সাফল্যকে অনেকে রূপকথার সঙ্গে তুলনা করছেন। কারণ, কোনো রাজনৈতিক পরিবার কিংবা কোনো ধনাঢ্য পরিবারের সদস্য নন তিনি। উঠে এসেছেন একটি দলিত পরিবার থেকে। তাঁর স্বামী একজন পুলিশ কনস্টেবল। রয়েছে দুই সন্তানও। একদিকে সংসার, অন্যদিকে রাজনীতি—দুটি বিষয়কে সঞ্জনা কীভাবে সামলিয়েছেন তা এখন অনেকের কাছেই বিস্ময়। তার চেয়েও বড় বিস্ময় লোকসভার মতো দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী হিসেবে কংগ্রেসের বেছে নেওয়া।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে, কংগ্রেসের রাজনীতিতে সঞ্জনার উত্থান মূলত প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর ‘ল্যাড়কি হু, লাড় শক্তি হু’ বা ‘আমি নারী, আমি লড়তে জানি’ প্রচারণায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে। এই প্রচারণার একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর গুডবুকে ছিলেন তিনি। পাশাপাশি দলিত পরিবারের হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি ছিল তাঁর। ২০১৯ সালে মহারাজা ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি এলএলবি সম্পন্ন করেছিলেন। ফলে খুব সহজেই স্থানীয় রাজনীতিতে কংগ্রেসের তরুণ মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে রাজস্থানের রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সঞ্জনার ওপর আস্থা রাখে কংগ্রেস পার্টি। অনেক বড় বড় রাজনীতিবিদকে পাশ কাটিয়ে রাজ্য বিধানসভার ভরতপুর আসন থেকেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র ৪০৯ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান তিনি।
এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে চলে আসে লোকসভা নির্বাচন। এর আগে অনেক কম ভোটের ব্যবধানে বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় সঞ্জনার প্রতি স্থানীয় মানুষের সহানুভূতি ছিল। কংগ্রেস নেতৃত্ব এই বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে লোকসভা নির্বাচনেও ভরতপুর আসন থেকে সঞ্জনাকে আবার প্রার্থী করে।
নির্বাচনে ভরতপুর আসনে বিজেপির প্রার্থী ও সাবেক লোকসভা সদস্য রামস্বরূপ কলির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সঞ্জনা। গণনায় দেখা যায়, তিনি ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৮৯০ ভোট পেয়ে বিজেপি প্রার্থীর চেয়ে ৫১ হাজার ৯৮৩ ভোট বেশি পেয়েছেন।
বিজয়ের খবরটি যখন এল, তখন কর্মী–সমর্থকদের মাঝখানে আনন্দকে আর নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেননি সঞ্জনা। রাজস্থানের ঐতিহ্যবাহী ঢঙে তাঁর বিজয়ের নাচটি এখন কংগ্রেসের গৌরবের বিষয় হয়ে উঠেছে।
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে রাজস্থানের ২৫টি আসনের একটিও জিততে পারেনি কংগ্রেস। সবগুলো আসনই জিতে নিয়েছিল বিজেপি জোট। তবে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। এবার রাজস্থানে ৮টি আসন পেয়েছে কংগ্রেস। এর মধ্যে সঞ্জনা জাটবের বিজয়টি দেশজুড়ে আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে।
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এবং এর প্রধান সহযোগী একটি গ্রুপকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেয়।
১৮ দিন আগেজাতিসংঘের তিন-চতুর্থাংশ সদস্য দেশ এরই মধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে বা শিগগিরই দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। আগামী সেপ্টেম্বরের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে (ইউএনজিএ) ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে সোমবার এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১৮ দিন আগেআরব নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে গত ৮ আগস্ট এক রায়ে আন্তর্জাতিক আদালত বলেছে যে, ভারতকে পাকিস্তানের জন্য সিন্ধু নদীর পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোর পানি অবাধভাবে প্রবাহিত হতে দিতে হবে। আদালত স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছে যে, ভারতের নতুন হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পসমূহ চুক্তির নির্ধারিত মানদণ্
১৮ দিন আগেপাকিস্তান আবারও ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে। এবার পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ বিলাওয়াল ভুট্টো ভারতকে সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি একতরফাভাবে স্থগিত করার বিষয়ে হুমকি দিয়েছেন। পাকিস্তানের সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, ভারত পাকিস্তানের ‘বড় ক্ষতি’ করেছে এবং প্রধানমন্ত্রী...
১৯ দিন আগে