দিল্লি কংগ্রেসের প্রধান অরবিন্দর সিং লাভলি আজ রোববার পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের কারণ হিসেবে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দীপক বাবারিয়ার সঙ্গে বিরোধ এবং দিল্লিতে আম আদমি পার্টির (এএপি) সঙ্গে কংগ্রেসের জোট বাঁধার ইস্যু উল্লেখ করেছেন তিনি। ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
কংগ্রেস প্রধান মল্লিকার্জুন খার্গের কাছে তার পদত্যাগপত্রে লাভলি বলেছেন যে, দিল্লি কংগ্রেস ইউনিটের সভাপতি হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম নন তিনি। দিল্লি কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দীপক বাবারিয়া যেভাবে সবকিছু পরিচালনা করেন, তাতে আপত্তি জানিয়েছিলেন পার্টির বেশ কয়েকজন নেতা। লাভলির দাবি, দীপক বাবারিয়ার বিরোধিতাকারীদের বহিষ্কারের জন্য তিনি প্রচণ্ড চাপের মধ্যে ছিলেন।
লাভলি আরও দাবি করেন, আম আদমি পার্টির সঙ্গে জোটের সম্পূর্ণ বিরোধী ছিল দিল্লি কংগ্রেস ইউনিট। এর পরও দল সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লিতে আম আদমি পার্টির (এএপি) সঙ্গে জোট গঠনের। পদত্যাগপত্রে তিনি লেখেন, ‘দিল্লি কংগ্রেস ইউনিট এমন একটি দলের সঙ্গে জোট গঠনের বিরুদ্ধে ছিল, যা গঠিতই হয়েছে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে এবং যাদের মন্ত্রিসভার অর্ধেক মন্ত্রী দুর্নীতির অভিযোগে কারাগারে রয়েছেন।’ তিনি চিঠিতে লিখেছেন, সমঝোতার ভিত্তিতে কংগ্রেসের জয়ের সম্ভাবনা বাড়াতে এএপির সঙ্গে জোট গঠন করা হয়েছে।
লাভলি বলেছেন, তিনি এএপির সঙ্গে কংগ্রেসের জোটের সিদ্ধান্তকে সম্মান করেছিলেন। তবে দিল্লির উত্তর-পূর্ব আসনে কংগ্রেসের প্রার্থী কানহাইয়া কুমার এএপির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের প্রশংসা করলে বিরক্ত হন লাভলি।
দিল্লিতে জোটের অংশ হিসেবে কংগ্রেসকে লোকসভায় তিনটি আসন বরাদ্দ করা হয়েছিল। এর মধ্যে উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব আসনে ‘অপরিচিতদের’ মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল বলে লাভলি দাবি করেছেন।
উত্তর-পশ্চিম দিল্লিতে উদিত রাজ হলেন কংগ্রেস-এএপির যৌথ প্রার্থী। অন্যদিকে, উত্তর-পূর্ব আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন কানহাইয়া কুমার।
অরবিন্দর সিং লাভলি বলেছেন, উদিত রাজ ও কানহাইয়া কুমারকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করায় দিল্লি কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলেও দীপক বাবারিয়া তাকে অসন্তুষ্ট নেতাদের বহিষ্কার করতে বলেন। এমনকি, তাদের সঙ্গে একাধিকবার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ও করেন।
এ ছাড়া, উদিত রাজ ও কানহাইয়া কুমারের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে ‘অসম্মানজনক ও অবমাননাকর’ মন্তব্য করার অভিযোগ করেছেন লাভলি। পদত্যাগপত্রে লাভলি লিখেছেন, ‘যেহেতু আমি দলীয় কর্মীদের স্বার্থ রক্ষা করতে পারছি না, তাই ওই পদে থাকার কোনো কারণ দেখছি না।’
উল্লেখ্য, অরবিন্দর সিং লাভলি দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের অধীনে একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। মাঝখানে ২০১৭ সালের দিকে একবার বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এর কয়েক মাস পর ফিরে আসেন কংগ্রেসে। আম আদমি পার্টির প্রবল বিরোধী হিসেবে পরিচিত লাভলি।
দিল্লি কংগ্রেসের প্রধান অরবিন্দর সিং লাভলি আজ রোববার পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের কারণ হিসেবে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দীপক বাবারিয়ার সঙ্গে বিরোধ এবং দিল্লিতে আম আদমি পার্টির (এএপি) সঙ্গে কংগ্রেসের জোট বাঁধার ইস্যু উল্লেখ করেছেন তিনি। ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
কংগ্রেস প্রধান মল্লিকার্জুন খার্গের কাছে তার পদত্যাগপত্রে লাভলি বলেছেন যে, দিল্লি কংগ্রেস ইউনিটের সভাপতি হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম নন তিনি। দিল্লি কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দীপক বাবারিয়া যেভাবে সবকিছু পরিচালনা করেন, তাতে আপত্তি জানিয়েছিলেন পার্টির বেশ কয়েকজন নেতা। লাভলির দাবি, দীপক বাবারিয়ার বিরোধিতাকারীদের বহিষ্কারের জন্য তিনি প্রচণ্ড চাপের মধ্যে ছিলেন।
লাভলি আরও দাবি করেন, আম আদমি পার্টির সঙ্গে জোটের সম্পূর্ণ বিরোধী ছিল দিল্লি কংগ্রেস ইউনিট। এর পরও দল সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লিতে আম আদমি পার্টির (এএপি) সঙ্গে জোট গঠনের। পদত্যাগপত্রে তিনি লেখেন, ‘দিল্লি কংগ্রেস ইউনিট এমন একটি দলের সঙ্গে জোট গঠনের বিরুদ্ধে ছিল, যা গঠিতই হয়েছে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে এবং যাদের মন্ত্রিসভার অর্ধেক মন্ত্রী দুর্নীতির অভিযোগে কারাগারে রয়েছেন।’ তিনি চিঠিতে লিখেছেন, সমঝোতার ভিত্তিতে কংগ্রেসের জয়ের সম্ভাবনা বাড়াতে এএপির সঙ্গে জোট গঠন করা হয়েছে।
লাভলি বলেছেন, তিনি এএপির সঙ্গে কংগ্রেসের জোটের সিদ্ধান্তকে সম্মান করেছিলেন। তবে দিল্লির উত্তর-পূর্ব আসনে কংগ্রেসের প্রার্থী কানহাইয়া কুমার এএপির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের প্রশংসা করলে বিরক্ত হন লাভলি।
দিল্লিতে জোটের অংশ হিসেবে কংগ্রেসকে লোকসভায় তিনটি আসন বরাদ্দ করা হয়েছিল। এর মধ্যে উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব আসনে ‘অপরিচিতদের’ মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল বলে লাভলি দাবি করেছেন।
উত্তর-পশ্চিম দিল্লিতে উদিত রাজ হলেন কংগ্রেস-এএপির যৌথ প্রার্থী। অন্যদিকে, উত্তর-পূর্ব আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন কানহাইয়া কুমার।
অরবিন্দর সিং লাভলি বলেছেন, উদিত রাজ ও কানহাইয়া কুমারকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করায় দিল্লি কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলেও দীপক বাবারিয়া তাকে অসন্তুষ্ট নেতাদের বহিষ্কার করতে বলেন। এমনকি, তাদের সঙ্গে একাধিকবার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ও করেন।
এ ছাড়া, উদিত রাজ ও কানহাইয়া কুমারের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে ‘অসম্মানজনক ও অবমাননাকর’ মন্তব্য করার অভিযোগ করেছেন লাভলি। পদত্যাগপত্রে লাভলি লিখেছেন, ‘যেহেতু আমি দলীয় কর্মীদের স্বার্থ রক্ষা করতে পারছি না, তাই ওই পদে থাকার কোনো কারণ দেখছি না।’
উল্লেখ্য, অরবিন্দর সিং লাভলি দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের অধীনে একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। মাঝখানে ২০১৭ সালের দিকে একবার বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এর কয়েক মাস পর ফিরে আসেন কংগ্রেসে। আম আদমি পার্টির প্রবল বিরোধী হিসেবে পরিচিত লাভলি।
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এবং এর প্রধান সহযোগী একটি গ্রুপকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেয়।
১৮ দিন আগেজাতিসংঘের তিন-চতুর্থাংশ সদস্য দেশ এরই মধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে বা শিগগিরই দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। আগামী সেপ্টেম্বরের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে (ইউএনজিএ) ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে সোমবার এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১৮ দিন আগেআরব নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে গত ৮ আগস্ট এক রায়ে আন্তর্জাতিক আদালত বলেছে যে, ভারতকে পাকিস্তানের জন্য সিন্ধু নদীর পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোর পানি অবাধভাবে প্রবাহিত হতে দিতে হবে। আদালত স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছে যে, ভারতের নতুন হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পসমূহ চুক্তির নির্ধারিত মানদণ্
১৮ দিন আগেপাকিস্তান আবারও ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে। এবার পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ বিলাওয়াল ভুট্টো ভারতকে সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি একতরফাভাবে স্থগিত করার বিষয়ে হুমকি দিয়েছেন। পাকিস্তানের সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, ভারত পাকিস্তানের ‘বড় ক্ষতি’ করেছে এবং প্রধানমন্ত্রী...
১৮ দিন আগে