অনলাইন ডেস্ক
লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ থেকে ৫০ জনের বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিক্ষোভ চলাকালীন ফিলিস্তিনপন্থীরা ইসরায়েল বিরোধী নানান স্লোগান দেয়, যা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অন্যদিকে, একই সময়ে ইসরায়েলপন্থী পাল্টা বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীর উদ্দেশে ‘ফিলিস্তিনে জেনোসাইড হচ্ছে না’ বলে স্লোগান দেয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি প্যালেস্টাইন অ্যাকশন নামে একটি সংগঠনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে যুক্তরাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ হচ্ছে। পুলিশ সতর্ক করে দিয়েছিল, যারা এই নিষিদ্ধ গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন জানাবে, তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। ম্যানচেস্টার, এডিনবার্গ, ব্রিস্টল, ট্রুরো এবং লন্ডনে ‘ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস’ নামক একটি সংগঠনের সমন্বয়ে এই বিক্ষোভ হচ্ছে, যেখানে ইতিমধ্যে কয়েক ডজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
‘ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস’ জানিয়েছে, ব্রিস্টলে ১৯ জন এবং ম্যানচেস্টারে ১৬ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। এ ছাড়া লন্ডনডেরিসহ সারা দেশে মোট ৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, পার্লামেন্ট স্কয়ারে প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের সমর্থনে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের জন্য ৫৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের সন্ত্রাসবাদ আইন, ২০০০-এর ধারা ১৩-এর অধীনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে, ফিলিস্তিনপন্থীদের বিক্ষোভের সময় ‘আওয়ার ফাইট’ নামের একটি সংগঠন ইসরায়েলের প্রতি তাদের সমর্থন জানায়। এই সংগঠনের একজন কর্মীর হাতে একটি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়, যেখানে লেখা ছিল, ‘ইহুদি রাষ্ট্রের প্রতি বিদ্বেষের জন্য আপনারা গণহত্যার কথা বলছেন। আসলে সেখানে জেনোসাইড হচ্ছে না—৫০ জন জিম্মি কিন্তু এখনো বন্দী।’ এর জবাবে কিছু ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারী ‘আওয়ার ফাইট’-এর কর্মীদের উদ্দেশে ‘ফ্যাসিবাদী’ এবং ‘ফ** ইওর জিউশ স্টেট’ স্লোগান দেয়।
বিক্ষোভ মিছিলটি পার্লামেন্ট স্কয়ারে পৌঁছালে গান্ধীর ভাস্কর্যের কাছে একদল বিক্ষোভকারী খালি প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। পরে সেগুলোতে মার্কার দিয়ে লেখেন, ‘আমি প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে সমর্থন করি’। এখান থেকে পুলিশ প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের বেশ কয়েকজন সমর্থককে গ্রেপ্তার করে। এ সময় গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি চিৎকার করে বলেন, ‘এই দেশে বাক্স্বাধীনতা মৃত—মেট্রোপলিটন পুলিশের লজ্জা হওয়া উচিত।’
লন্ডনে শনিবারের পুলিশি অভিযানের নেতৃত্বদানকারী মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অ্যাডে অ্যাডেলেকান বলেন, ‘যাঁরা প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন, তাঁরা অপরাধ করছেন এবং তাঁদের গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি।’ তিনি আরও বলেন, ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তারের ফল অত্যন্ত গুরুতর; যেমন; ভবিষ্যতে ভ্রমণ, কর্মসংস্থান, এমনকি আর্থিক ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’
কর্নওয়ালের ট্রুরো ক্যাথেড্রালের সিঁড়িতেও প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের সমর্থনে প্ল্যাকার্ড হাতে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ‘ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস’ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ৮১ বছর বয়সী সাবেক একজন ম্যাজিস্ট্রেটও আছেন।
মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, গত দুই সপ্তাহে পার্লামেন্ট স্কয়ারে একই ধরনের বিক্ষোভ থেকে ৭০ জনের বেশি লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ‘ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস’ বলছে, যুক্তরাজ্যজুড়ে মোট ১২০ জনকে আটক করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের এমপিরা গত সপ্তাহে বিপুল ভোটে ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ নামের এই সংগঠনকে ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সন্ত্রাস দমন আইন, ২০০০ সংশোধনের খসড়া আদেশ পার্লামেন্টে উপস্থাপন করেন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার। গত বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে বিলটি ৩৮৫ ভোটে পাস হয়, বিপক্ষে ভোট পড়ে ২৬টি। এই নিষেধাজ্ঞার অর্থ হলো, ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ সংগঠনটির সদস্যপদ বা সমর্থন এখন একটি ফৌজদারি অপরাধ। সন্ত্রাসবাদ আইন, ২০০০-এর অধীনে এ জন্য ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ থেকে ৫০ জনের বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিক্ষোভ চলাকালীন ফিলিস্তিনপন্থীরা ইসরায়েল বিরোধী নানান স্লোগান দেয়, যা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অন্যদিকে, একই সময়ে ইসরায়েলপন্থী পাল্টা বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীর উদ্দেশে ‘ফিলিস্তিনে জেনোসাইড হচ্ছে না’ বলে স্লোগান দেয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি প্যালেস্টাইন অ্যাকশন নামে একটি সংগঠনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে যুক্তরাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ হচ্ছে। পুলিশ সতর্ক করে দিয়েছিল, যারা এই নিষিদ্ধ গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন জানাবে, তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। ম্যানচেস্টার, এডিনবার্গ, ব্রিস্টল, ট্রুরো এবং লন্ডনে ‘ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস’ নামক একটি সংগঠনের সমন্বয়ে এই বিক্ষোভ হচ্ছে, যেখানে ইতিমধ্যে কয়েক ডজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
‘ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস’ জানিয়েছে, ব্রিস্টলে ১৯ জন এবং ম্যানচেস্টারে ১৬ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। এ ছাড়া লন্ডনডেরিসহ সারা দেশে মোট ৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, পার্লামেন্ট স্কয়ারে প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের সমর্থনে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের জন্য ৫৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের সন্ত্রাসবাদ আইন, ২০০০-এর ধারা ১৩-এর অধীনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে, ফিলিস্তিনপন্থীদের বিক্ষোভের সময় ‘আওয়ার ফাইট’ নামের একটি সংগঠন ইসরায়েলের প্রতি তাদের সমর্থন জানায়। এই সংগঠনের একজন কর্মীর হাতে একটি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়, যেখানে লেখা ছিল, ‘ইহুদি রাষ্ট্রের প্রতি বিদ্বেষের জন্য আপনারা গণহত্যার কথা বলছেন। আসলে সেখানে জেনোসাইড হচ্ছে না—৫০ জন জিম্মি কিন্তু এখনো বন্দী।’ এর জবাবে কিছু ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারী ‘আওয়ার ফাইট’-এর কর্মীদের উদ্দেশে ‘ফ্যাসিবাদী’ এবং ‘ফ** ইওর জিউশ স্টেট’ স্লোগান দেয়।
বিক্ষোভ মিছিলটি পার্লামেন্ট স্কয়ারে পৌঁছালে গান্ধীর ভাস্কর্যের কাছে একদল বিক্ষোভকারী খালি প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। পরে সেগুলোতে মার্কার দিয়ে লেখেন, ‘আমি প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে সমর্থন করি’। এখান থেকে পুলিশ প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের বেশ কয়েকজন সমর্থককে গ্রেপ্তার করে। এ সময় গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি চিৎকার করে বলেন, ‘এই দেশে বাক্স্বাধীনতা মৃত—মেট্রোপলিটন পুলিশের লজ্জা হওয়া উচিত।’
লন্ডনে শনিবারের পুলিশি অভিযানের নেতৃত্বদানকারী মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অ্যাডে অ্যাডেলেকান বলেন, ‘যাঁরা প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন, তাঁরা অপরাধ করছেন এবং তাঁদের গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি।’ তিনি আরও বলেন, ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তারের ফল অত্যন্ত গুরুতর; যেমন; ভবিষ্যতে ভ্রমণ, কর্মসংস্থান, এমনকি আর্থিক ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’
কর্নওয়ালের ট্রুরো ক্যাথেড্রালের সিঁড়িতেও প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের সমর্থনে প্ল্যাকার্ড হাতে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ‘ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস’ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ৮১ বছর বয়সী সাবেক একজন ম্যাজিস্ট্রেটও আছেন।
মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, গত দুই সপ্তাহে পার্লামেন্ট স্কয়ারে একই ধরনের বিক্ষোভ থেকে ৭০ জনের বেশি লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ‘ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস’ বলছে, যুক্তরাজ্যজুড়ে মোট ১২০ জনকে আটক করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের এমপিরা গত সপ্তাহে বিপুল ভোটে ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ নামের এই সংগঠনকে ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সন্ত্রাস দমন আইন, ২০০০ সংশোধনের খসড়া আদেশ পার্লামেন্টে উপস্থাপন করেন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার। গত বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে বিলটি ৩৮৫ ভোটে পাস হয়, বিপক্ষে ভোট পড়ে ২৬টি। এই নিষেধাজ্ঞার অর্থ হলো, ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ সংগঠনটির সদস্যপদ বা সমর্থন এখন একটি ফৌজদারি অপরাধ। সন্ত্রাসবাদ আইন, ২০০০-এর অধীনে এ জন্য ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এবং এর প্রধান সহযোগী একটি গ্রুপকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেয়।
১৭ দিন আগেজাতিসংঘের তিন-চতুর্থাংশ সদস্য দেশ এরই মধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে বা শিগগিরই দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। আগামী সেপ্টেম্বরের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে (ইউএনজিএ) ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে সোমবার এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১৭ দিন আগেআরব নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে গত ৮ আগস্ট এক রায়ে আন্তর্জাতিক আদালত বলেছে যে, ভারতকে পাকিস্তানের জন্য সিন্ধু নদীর পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোর পানি অবাধভাবে প্রবাহিত হতে দিতে হবে। আদালত স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছে যে, ভারতের নতুন হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পসমূহ চুক্তির নির্ধারিত মানদণ্
১৭ দিন আগেপাকিস্তান আবারও ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে। এবার পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ বিলাওয়াল ভুট্টো ভারতকে সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি একতরফাভাবে স্থগিত করার বিষয়ে হুমকি দিয়েছেন। পাকিস্তানের সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, ভারত পাকিস্তানের ‘বড় ক্ষতি’ করেছে এবং প্রধানমন্ত্রী...
১৭ দিন আগে