অনলাইন ডেস্ক
উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং আজ সোমবার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়া এখনো শত্রু এবং কোনো প্রস্তাব এলেও দক্ষিণের সঙ্গে আলোচনায় কোনো আগ্রহ নেই পিয়ংইয়ংয়ের।
সিএনএন জানিয়েছে, কিম ইয়ো জংয়ের এই বক্তব্যটি দক্ষিণ কোরিয়ায় গত জুনে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর উত্তর কোরিয়ার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।
সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সক ইয়োলের সামরিক শাসনের ঘোষণা এবং তা নিয়ে তৈরি রাজনৈতিক সংকটের পর লি জে মিউং দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। লি প্রশাসনের পক্ষ উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমনের জন্য কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও কিম ইয়ো জং জানান, এসব পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক জোটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সম্পর্ক পুনর্গঠনে কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে না।
তিনি বলেন, ‘শত্রু সম্পর্কে উপলব্ধিতে আমাদের রাষ্ট্রের কোনো পরিবর্তন আসেনি। তারা ইতিহাসের ঘড়িকে পেছনে ঘোরাতে পারবে না।’
তিনি আরও বলেন—লি প্রশাসন ইউন সরকারের মতোই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অন্ধ আস্থা রাখছে। ফলে দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের কোনো সম্ভাবনা নেই।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ববর্তী ইউন সক ইয়োলের সরকার উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল এবং যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়াও চালিয়েছিল। এর অংশ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার বন্দরে পারমাণবিক সাবমেরিন এবং বিমানবাহী রণতরীও প্রবেশ করেছিল।
এদিকে লি প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়ার একীকরণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এখনো উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সংলাপ ও সম্প্রীতির পথ খুঁজছে। এই মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কু বিঙ-সাম বলেছেন, ‘কিম ইয়ো জংয়ের মন্তব্য আগের তুলনায় কম বিদ্বেষপূর্ণ হলেও এতে স্পষ্ট, পিয়ংইয়ং নতুন প্রশাসনের নীতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।’
উল্লেখ্য, উত্তেজনা কমাতে দক্ষিণ কোরিয়া ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় উচ্চ স্বরে মাইক বাজানো বন্ধ করেছে এবং উত্তর দিকে পত্রিকা ও লিফলেট পাঠানোও স্থগিত করেছে। তবে ২০২৪ সালে উত্তর কোরিয়া শান্তিপূর্ণ পুনর্মিলনের নীতি বাতিল করে সীমান্ত সংযোগকারী রাস্তা ও সেতু ধ্বংস করেছিল। এর জবাবে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী উত্তর কোরিয়ার দিকে গুলি ছোড়ে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ যুদ্ধ প্রস্তুতির ঘোষণা দেয়।
তবে একীকরণ মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, লি সরকারের অবস্থান হবে কম প্রতিক্রিয়াশীল এবং তারা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সহযোগিতার পথেই অটল থাকবে।
উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং আজ সোমবার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়া এখনো শত্রু এবং কোনো প্রস্তাব এলেও দক্ষিণের সঙ্গে আলোচনায় কোনো আগ্রহ নেই পিয়ংইয়ংয়ের।
সিএনএন জানিয়েছে, কিম ইয়ো জংয়ের এই বক্তব্যটি দক্ষিণ কোরিয়ায় গত জুনে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর উত্তর কোরিয়ার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।
সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সক ইয়োলের সামরিক শাসনের ঘোষণা এবং তা নিয়ে তৈরি রাজনৈতিক সংকটের পর লি জে মিউং দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। লি প্রশাসনের পক্ষ উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমনের জন্য কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও কিম ইয়ো জং জানান, এসব পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক জোটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সম্পর্ক পুনর্গঠনে কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে না।
তিনি বলেন, ‘শত্রু সম্পর্কে উপলব্ধিতে আমাদের রাষ্ট্রের কোনো পরিবর্তন আসেনি। তারা ইতিহাসের ঘড়িকে পেছনে ঘোরাতে পারবে না।’
তিনি আরও বলেন—লি প্রশাসন ইউন সরকারের মতোই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অন্ধ আস্থা রাখছে। ফলে দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের কোনো সম্ভাবনা নেই।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ববর্তী ইউন সক ইয়োলের সরকার উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল এবং যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়াও চালিয়েছিল। এর অংশ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার বন্দরে পারমাণবিক সাবমেরিন এবং বিমানবাহী রণতরীও প্রবেশ করেছিল।
এদিকে লি প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়ার একীকরণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এখনো উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সংলাপ ও সম্প্রীতির পথ খুঁজছে। এই মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কু বিঙ-সাম বলেছেন, ‘কিম ইয়ো জংয়ের মন্তব্য আগের তুলনায় কম বিদ্বেষপূর্ণ হলেও এতে স্পষ্ট, পিয়ংইয়ং নতুন প্রশাসনের নীতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।’
উল্লেখ্য, উত্তেজনা কমাতে দক্ষিণ কোরিয়া ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় উচ্চ স্বরে মাইক বাজানো বন্ধ করেছে এবং উত্তর দিকে পত্রিকা ও লিফলেট পাঠানোও স্থগিত করেছে। তবে ২০২৪ সালে উত্তর কোরিয়া শান্তিপূর্ণ পুনর্মিলনের নীতি বাতিল করে সীমান্ত সংযোগকারী রাস্তা ও সেতু ধ্বংস করেছিল। এর জবাবে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী উত্তর কোরিয়ার দিকে গুলি ছোড়ে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ যুদ্ধ প্রস্তুতির ঘোষণা দেয়।
তবে একীকরণ মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, লি সরকারের অবস্থান হবে কম প্রতিক্রিয়াশীল এবং তারা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সহযোগিতার পথেই অটল থাকবে।
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এবং এর প্রধান সহযোগী একটি গ্রুপকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেয়।
১৭ দিন আগেজাতিসংঘের তিন-চতুর্থাংশ সদস্য দেশ এরই মধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে বা শিগগিরই দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। আগামী সেপ্টেম্বরের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে (ইউএনজিএ) ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে সোমবার এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১৭ দিন আগেআরব নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে গত ৮ আগস্ট এক রায়ে আন্তর্জাতিক আদালত বলেছে যে, ভারতকে পাকিস্তানের জন্য সিন্ধু নদীর পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোর পানি অবাধভাবে প্রবাহিত হতে দিতে হবে। আদালত স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছে যে, ভারতের নতুন হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পসমূহ চুক্তির নির্ধারিত মানদণ্
১৭ দিন আগেপাকিস্তান আবারও ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে। এবার পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ বিলাওয়াল ভুট্টো ভারতকে সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি একতরফাভাবে স্থগিত করার বিষয়ে হুমকি দিয়েছেন। পাকিস্তানের সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, ভারত পাকিস্তানের ‘বড় ক্ষতি’ করেছে এবং প্রধানমন্ত্রী...
১৭ দিন আগে