গল্পটা শুরু হয়েছিল ১৩ বছর আগে। একটি শুটিং হাউসে। ২০১২ সালের ৯ এপ্রিলের কথা। সেদিনই প্রথম আদনান আল রাজীবের সঙ্গে দেখা হয় মেহজাবীন চৌধুরীর। একটি কাজের ব্যাপারে আলাপ করতে শুটিং স্পটে এসেছিলেন রাজীব। প্রথম দিন মাত্র ১৫ মিনিট কথা হয় তাঁদের। ওই স্বল্প সময়েই দুজনের মধ্যে ঘটে যায় সেই ম্যাজিক, যে জাদুমন্ত্রবলে মানুষ পরস্পরের প্রেমে পড়ে, মায়ায় জড়ায়, থেকে যায় সারা জীবন।
প্রথম দিনের সেই আলাপ কতটা উথালপাথাল করে দিয়েছিল মেহজাবীনের মন? অভিনেত্রী বলেন, ‘সেদিন বাঁকা দাঁতের সুন্দর হাসির একটি ছেলে আসে আমার সঙ্গে দেখা করতে। আমি শুটিং হাউসের ছাদে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সে নিচের রাস্তা থেকে আমাকে দেখে হাত নাড়ে। মাত্র ১৫ মিনিট কথা বলে, হাত মিলিয়ে, সে চলে যায়। আমি বুঝতে পারি, আমার হৃদয়ের একটা অংশ যেন তার সঙ্গে চলে গেল। তখনই বুঝতে পেরেছিলাম, এটাই সেই মানুষ, যার জন্য আমি অপেক্ষা করছিলাম।’
এরপর ধীরে ধীরে রাজীব-মেহজাবীনের পরিচয় গাঢ় হয়, ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। দুজনের মন দুলে ওঠে ভালোবাসার দক্ষিণা হাওয়ায়। শুরুতে এই সম্পর্ক নিজেদের মধ্যে গোপন রেখেছিলেন তাঁরা। কিন্তু গোপন কথাটি কত দিন আর রাখা যায় গোপনে! বছর যত গড়ায়, এ-কান থেকে ও-কানে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁদের প্রেম নিয়ে চর্চা হতে থাকে মিডিয়ার ব্যক্তিগত আড্ডার পরিসরে। এমনকি, সংবাদমাধ্যমেও চলে আসে তাঁদের প্রেমের খবর। কিন্তু বরাবরই সেটা অস্বীকার করে গেছেন রাজীব, মেহজাবীন—দুজনই। মেহজাবীন তো প্রেমের খবরে বিরক্ত হয়ে বিভিন্ন সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ইয়োলো জার্নালিজম’ বলে সাংবাদিকদের ওপর বিরক্তি প্রকাশ করেছেন।
সর্বশেষ গত সপ্তাহে যখন তাঁদের বিয়ের দিন-তারিখ ও অনুষ্ঠানের ভেন্যুর নাম চলে আসে মিডিয়ায়, তখনো মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন মেহজাবীন। এমনকি একটি ওয়েব ফিল্মের প্রিমিয়ারে গিয়েও বিয়েসংক্রান্ত প্রশ্নের মুখোমুখি হবেন না বলে চুপিচুপি অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হয়ে যান। শেষ পর্যন্ত গতকাল নিজেরাই একসঙ্গে তোলা বিয়ের সাজের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন, তারায় তারায় রটিয়ে দিলেন বিয়ের খবর।
গতকাল ঢাকার একটি রিসোর্টে রাজীব-মেহজাবীনের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলেও মূল পর্বটা তাঁরা সেরেছেন ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে। মেহজাবীন বলেন, ‘১৩ বছর ধরে একসঙ্গে বেড়ে উঠেছি আমরা, জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত একসঙ্গে উদ্যাপন করেছি। অনেকে বলে, বন্ধুত্ব সাত বছর টিকে গেলে সেটা আজীবন স্থায়ী হয়। আমরা সেটার প্রায় দ্বিগুণ সময় পার করেছি। প্রথম পরিচয় থেকে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৬৯৪ দিন। ২০২৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আমরা এই বন্ধন আজীবনের জন্য স্থায়ী করে নিলাম। হাতে হাত রেখে বাকি জীবনটা পার করে দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করলাম।’
বিয়েতে মেহজাবীন পরেছিলেন অফ হোয়াইট লেহেঙ্গা, পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে একই রঙের হালকা গয়না। আর রাজীবের পরনে ছিল বাদামি আচকান। তাঁদের শুভকামনা জানাতে হাজির ছিলেন দুই পরিবারের সদস্য ও মিডিয়ার সহকর্মীরা। মালাবদলের পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন রাজীব-মেহজাবীন। ম্যাচশেষে বিজয়ী খেলোয়াড় যেভাবে তুলে ধরে ট্রফি, সেই ভাবে মেহজাবীনের এক হাত শূন্যে উঁচিয়ে ধরেন রাজীব। এরপর মেহজাবীন তাঁর কাঁধে মাথা রেখে কাঁদতে থাকেন। চোখে জল আসে রাজীবেরও। পরস্পর পরস্পরের অশ্রু মুছিয়ে দেন। তাঁদের সামনে থাকা অতিথিদের কণ্ঠে তখন উল্লাসধ্বনি। কারণ সবাই জানেন, তাঁদের এ অশ্রু আনন্দের। এ আনন্দ প্রাপ্তির। ভালোবাসায় ভুবন জয়ের।
গল্পটা শুরু হয়েছিল ১৩ বছর আগে। একটি শুটিং হাউসে। ২০১২ সালের ৯ এপ্রিলের কথা। সেদিনই প্রথম আদনান আল রাজীবের সঙ্গে দেখা হয় মেহজাবীন চৌধুরীর। একটি কাজের ব্যাপারে আলাপ করতে শুটিং স্পটে এসেছিলেন রাজীব। প্রথম দিন মাত্র ১৫ মিনিট কথা হয় তাঁদের। ওই স্বল্প সময়েই দুজনের মধ্যে ঘটে যায় সেই ম্যাজিক, যে জাদুমন্ত্রবলে মানুষ পরস্পরের প্রেমে পড়ে, মায়ায় জড়ায়, থেকে যায় সারা জীবন।
প্রথম দিনের সেই আলাপ কতটা উথালপাথাল করে দিয়েছিল মেহজাবীনের মন? অভিনেত্রী বলেন, ‘সেদিন বাঁকা দাঁতের সুন্দর হাসির একটি ছেলে আসে আমার সঙ্গে দেখা করতে। আমি শুটিং হাউসের ছাদে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সে নিচের রাস্তা থেকে আমাকে দেখে হাত নাড়ে। মাত্র ১৫ মিনিট কথা বলে, হাত মিলিয়ে, সে চলে যায়। আমি বুঝতে পারি, আমার হৃদয়ের একটা অংশ যেন তার সঙ্গে চলে গেল। তখনই বুঝতে পেরেছিলাম, এটাই সেই মানুষ, যার জন্য আমি অপেক্ষা করছিলাম।’
এরপর ধীরে ধীরে রাজীব-মেহজাবীনের পরিচয় গাঢ় হয়, ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। দুজনের মন দুলে ওঠে ভালোবাসার দক্ষিণা হাওয়ায়। শুরুতে এই সম্পর্ক নিজেদের মধ্যে গোপন রেখেছিলেন তাঁরা। কিন্তু গোপন কথাটি কত দিন আর রাখা যায় গোপনে! বছর যত গড়ায়, এ-কান থেকে ও-কানে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁদের প্রেম নিয়ে চর্চা হতে থাকে মিডিয়ার ব্যক্তিগত আড্ডার পরিসরে। এমনকি, সংবাদমাধ্যমেও চলে আসে তাঁদের প্রেমের খবর। কিন্তু বরাবরই সেটা অস্বীকার করে গেছেন রাজীব, মেহজাবীন—দুজনই। মেহজাবীন তো প্রেমের খবরে বিরক্ত হয়ে বিভিন্ন সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ইয়োলো জার্নালিজম’ বলে সাংবাদিকদের ওপর বিরক্তি প্রকাশ করেছেন।
সর্বশেষ গত সপ্তাহে যখন তাঁদের বিয়ের দিন-তারিখ ও অনুষ্ঠানের ভেন্যুর নাম চলে আসে মিডিয়ায়, তখনো মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন মেহজাবীন। এমনকি একটি ওয়েব ফিল্মের প্রিমিয়ারে গিয়েও বিয়েসংক্রান্ত প্রশ্নের মুখোমুখি হবেন না বলে চুপিচুপি অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হয়ে যান। শেষ পর্যন্ত গতকাল নিজেরাই একসঙ্গে তোলা বিয়ের সাজের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন, তারায় তারায় রটিয়ে দিলেন বিয়ের খবর।
গতকাল ঢাকার একটি রিসোর্টে রাজীব-মেহজাবীনের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলেও মূল পর্বটা তাঁরা সেরেছেন ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে। মেহজাবীন বলেন, ‘১৩ বছর ধরে একসঙ্গে বেড়ে উঠেছি আমরা, জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত একসঙ্গে উদ্যাপন করেছি। অনেকে বলে, বন্ধুত্ব সাত বছর টিকে গেলে সেটা আজীবন স্থায়ী হয়। আমরা সেটার প্রায় দ্বিগুণ সময় পার করেছি। প্রথম পরিচয় থেকে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৬৯৪ দিন। ২০২৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আমরা এই বন্ধন আজীবনের জন্য স্থায়ী করে নিলাম। হাতে হাত রেখে বাকি জীবনটা পার করে দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করলাম।’
বিয়েতে মেহজাবীন পরেছিলেন অফ হোয়াইট লেহেঙ্গা, পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে একই রঙের হালকা গয়না। আর রাজীবের পরনে ছিল বাদামি আচকান। তাঁদের শুভকামনা জানাতে হাজির ছিলেন দুই পরিবারের সদস্য ও মিডিয়ার সহকর্মীরা। মালাবদলের পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন রাজীব-মেহজাবীন। ম্যাচশেষে বিজয়ী খেলোয়াড় যেভাবে তুলে ধরে ট্রফি, সেই ভাবে মেহজাবীনের এক হাত শূন্যে উঁচিয়ে ধরেন রাজীব। এরপর মেহজাবীন তাঁর কাঁধে মাথা রেখে কাঁদতে থাকেন। চোখে জল আসে রাজীবেরও। পরস্পর পরস্পরের অশ্রু মুছিয়ে দেন। তাঁদের সামনে থাকা অতিথিদের কণ্ঠে তখন উল্লাসধ্বনি। কারণ সবাই জানেন, তাঁদের এ অশ্রু আনন্দের। এ আনন্দ প্রাপ্তির। ভালোবাসায় ভুবন জয়ের।
ভৌতিক গল্পের প্রতি আলাদা টান রয়েছে অর্থহীন ব্যান্ডের সাইদুস সালেহীন সুমন ও ক্রিপটিক ফেইটের শাকিব চৌধুরীর। দুই বন্ধু মিলে দেখেছেন অনেক হরর সিনেমা। ভৌতিক গল্পের সন্ধানে ছুটে গেছেন দেশের বিভিন্ন জায়গায়।
১৮ দিন আগেআবুল হায়াত ও দিলারা জামানকে নিয়ে তৈরি হয়েছে নাটক ‘বেলা ও বিকেল’। এতে তাঁরা দুজন অভিনয় করেছেন নামভূমিকায়। আবুল হায়াত অভিনয় করেছেন বিকেল চরিত্রে এবং দিলারা জামান বেলার ভূমিকায়।
১৮ দিন আগেতাহসান খান ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলার একমাত্র কন্যা আইরা তেহরীম খান। মা-বাবার মতো আইরাও নাম লেখালেন শোবিজে। শুরু হলো বিজ্ঞাপন দিয়ে। প্রথম কাজে আইরা সঙ্গে পেয়েছে মা মিথিলাকে। গত শনিবার প্রকাশ্যে এসেছে বিজ্ঞাপনটি।
১৮ দিন আগে১৮ আগস্ট নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ৭৬তম জন্মজয়ন্তী। এ উপলক্ষে চার দিনব্যাপী নাট্যোৎসবের আয়োজন করেছে ঢাকা থিয়েটার। ১৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ মহিলা সমিতিতে শুরু হবে উৎসব, চলবে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত। উৎসবে প্রদর্শিত হবে সেলিম আল দীনের দুটি নাটক ‘দেয়াল’ ও ‘নিমজ্জন’।
১৮ দিন আগে