বিনোদন প্রতিবেদক
ঢাকা: এখনো নিজের কাজ নিয়ে প্রতিদিনই ব্যস্ত সময় পার করছেন দিলশাদ নাহার কণা। শিডিউল করা আছে আরও অনেক কাজের। আসছে লকডাউনে বদলে যাচ্ছে সব শিডিউল। কী হবে তাই নিয়ে দুশ্চিন্তায় কণা। নিজের কাজ ও পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।
পাঠককে জানানোর জন্য এই মুহূর্তে আপনার সবচেয়ে বড় খবর কী?
সপ্তাহে সাত দিনই কাজ করছি, ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছি। এটাই এখন বড় খবর।
সাত দিনের ব্যস্ততাই বড় খবর?
সময়টা তো ভালো যাচ্ছে না। মানুষ কাজ হারাচ্ছে। যে যার পেশা নিয়েই চিন্তিত। গানের মানুষ হিসেবে আমিও চিন্তিত। এই যেমন প্রতিদিন গান রেকর্ড করছি, কিন্তু ঠিক জানি না এগুলো কবে প্রচার শুরু হবে। কোম্পানিগুলোও চাচ্ছে গান প্রকাশ হোক। কিন্তু প্রতিদিন আমরা যেভাবে খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি, তাতে সাহস হচ্ছে না গান প্রকাশ করার। আমি বিশ্বাস করি সুদিন আসবেই, সেই দিনের অপেক্ষায় আছি।
সেই ব্যস্ততার ফিরিস্তি?
প্রতিদিনই তো কোনো না কোনো কাজ করছি। হয় রেকর্ডিং নয় শুটিং। এই তো বসে আছি ঈদের একটি টিভি অনুষ্ঠানের রেকর্ডিংয়ে যাব বলে। সম্প্রতি বাপ্পা মজুমদার তাঁর পছন্দের ছয় গায়িকাকে নিয়ে একটা প্রজেক্ট করছেন। এতে তাঁর শ্রদ্ধা ও প্রীতিভাজন ছয় নারী শিল্পীর জন্য গান বানাবেন তিনি। এই পছন্দের তালিকায় রয়েছেন সামিনা চৌধুরী, আলিফ আলাউদ্দীন, এলিটা করিম, সোমনূর মনির কোনাল, ফারহিন খান জয়িতা ও আমি। আমি গেয়েছি ‘মন ভালো’ শিরোনামের একটি গান। এখন চলছে গানটির ভিডিওর পরিকল্পনা। ভিডিও হয়ে গেলেই নিজের ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশ করবেন বাপ্পা মজুমদার। এই সপ্তাহে ব্র্যাক ব্যাংক, প্যারাসুটের বিজ্ঞাপনের জন্য গাইলাম। নিজেরও কয়েকটা গান নতুন করে গাইছি আমার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য। আরও বেশ কিছু গান ও জিঙ্গেলে কণ্ঠ দেওয়ার কথা হয়ে রয়েছে। তবে সবকিছু নির্ভর করবে করোনা পরিস্থিতির ওপর।
লকডাউন তো শুরু হয়ে গেল। ঈদের কাজ কতটা গোছানো হয়েছে?
টেনশনে আছি। ঈদের কোনো কাজই বলতে গেলে গোছাতে পারিনি। সবকিছু এলোমেলো হয়ে আছে। জানি না কোন কাজগুলো এই ঈদে আসছে। কোম্পানিগুলোও আছে টেনশনে। তারা শুধু গান রেকর্ড করে নিচ্ছে। কবে রিলিজ করবে জানাতে পারছে না।
গত বছর লকডাউনে তো গাজীপুরে চলে গিয়েছিলেন…
পাঁচ মাসের বেশি সময় ঢাকার বাড়ি ছেড়ে সেখানে ছিলাম। বাড়ি থেকে একদমই বের হইনি। ঘরে থেকেই সচেতনতামূলক গান ও বেশ কিছু ভয়েজ ওভারের কাজ করেছি। তবে এবার ঢাকাতেই থাকব। বরং মা-বাবাকে নিয়ে আসা যায় কি না, সেই চেষ্টা করছি। সামনে ঈদ, রেকর্ডিং হচ্ছে। গ্রামের বাড়ি থেকে তো কাজ করা কঠিন। তাই এবার ঢাকাতেই থাকব আশা করি।
কাজের চাপেই কি এবার লকডাউনে ঢাকায় থাকার পরিকল্পনা?
তা বলতে পারেন। বেশ কিছু কাজের শিডিউল তো হয়েই আছে। কিন্তু লকডাউনের কারণে কাজ করা হবে কি না, সেটাই বুঝতে পারছি না। পরিস্থিতি বুঝে নতুন পরিকল্পনা সাজাতে হবে।
কদিন আগে তো স্টেজ শোতে গান গেয়েছেন?
অল্প কয়েকটি স্টেজ শো করছিলাম। করোনাকালে সাত–আট মাস একটি শোও ছিল না। আসলে স্টেজ শোর অনুমতিও দেওয়া হচ্ছে না এখন। ঘরোয়া কিছু শো হচ্ছিল। এখন তো আবার সব ধরনের আয়োজনই বন্ধ। স্টেজ শো শিল্পীদের আয়ের বড় এক উৎস। সেই পথও এখন বন্ধ।
ঢাকা: এখনো নিজের কাজ নিয়ে প্রতিদিনই ব্যস্ত সময় পার করছেন দিলশাদ নাহার কণা। শিডিউল করা আছে আরও অনেক কাজের। আসছে লকডাউনে বদলে যাচ্ছে সব শিডিউল। কী হবে তাই নিয়ে দুশ্চিন্তায় কণা। নিজের কাজ ও পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।
পাঠককে জানানোর জন্য এই মুহূর্তে আপনার সবচেয়ে বড় খবর কী?
সপ্তাহে সাত দিনই কাজ করছি, ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছি। এটাই এখন বড় খবর।
সাত দিনের ব্যস্ততাই বড় খবর?
সময়টা তো ভালো যাচ্ছে না। মানুষ কাজ হারাচ্ছে। যে যার পেশা নিয়েই চিন্তিত। গানের মানুষ হিসেবে আমিও চিন্তিত। এই যেমন প্রতিদিন গান রেকর্ড করছি, কিন্তু ঠিক জানি না এগুলো কবে প্রচার শুরু হবে। কোম্পানিগুলোও চাচ্ছে গান প্রকাশ হোক। কিন্তু প্রতিদিন আমরা যেভাবে খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি, তাতে সাহস হচ্ছে না গান প্রকাশ করার। আমি বিশ্বাস করি সুদিন আসবেই, সেই দিনের অপেক্ষায় আছি।
সেই ব্যস্ততার ফিরিস্তি?
প্রতিদিনই তো কোনো না কোনো কাজ করছি। হয় রেকর্ডিং নয় শুটিং। এই তো বসে আছি ঈদের একটি টিভি অনুষ্ঠানের রেকর্ডিংয়ে যাব বলে। সম্প্রতি বাপ্পা মজুমদার তাঁর পছন্দের ছয় গায়িকাকে নিয়ে একটা প্রজেক্ট করছেন। এতে তাঁর শ্রদ্ধা ও প্রীতিভাজন ছয় নারী শিল্পীর জন্য গান বানাবেন তিনি। এই পছন্দের তালিকায় রয়েছেন সামিনা চৌধুরী, আলিফ আলাউদ্দীন, এলিটা করিম, সোমনূর মনির কোনাল, ফারহিন খান জয়িতা ও আমি। আমি গেয়েছি ‘মন ভালো’ শিরোনামের একটি গান। এখন চলছে গানটির ভিডিওর পরিকল্পনা। ভিডিও হয়ে গেলেই নিজের ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশ করবেন বাপ্পা মজুমদার। এই সপ্তাহে ব্র্যাক ব্যাংক, প্যারাসুটের বিজ্ঞাপনের জন্য গাইলাম। নিজেরও কয়েকটা গান নতুন করে গাইছি আমার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য। আরও বেশ কিছু গান ও জিঙ্গেলে কণ্ঠ দেওয়ার কথা হয়ে রয়েছে। তবে সবকিছু নির্ভর করবে করোনা পরিস্থিতির ওপর।
লকডাউন তো শুরু হয়ে গেল। ঈদের কাজ কতটা গোছানো হয়েছে?
টেনশনে আছি। ঈদের কোনো কাজই বলতে গেলে গোছাতে পারিনি। সবকিছু এলোমেলো হয়ে আছে। জানি না কোন কাজগুলো এই ঈদে আসছে। কোম্পানিগুলোও আছে টেনশনে। তারা শুধু গান রেকর্ড করে নিচ্ছে। কবে রিলিজ করবে জানাতে পারছে না।
গত বছর লকডাউনে তো গাজীপুরে চলে গিয়েছিলেন…
পাঁচ মাসের বেশি সময় ঢাকার বাড়ি ছেড়ে সেখানে ছিলাম। বাড়ি থেকে একদমই বের হইনি। ঘরে থেকেই সচেতনতামূলক গান ও বেশ কিছু ভয়েজ ওভারের কাজ করেছি। তবে এবার ঢাকাতেই থাকব। বরং মা-বাবাকে নিয়ে আসা যায় কি না, সেই চেষ্টা করছি। সামনে ঈদ, রেকর্ডিং হচ্ছে। গ্রামের বাড়ি থেকে তো কাজ করা কঠিন। তাই এবার ঢাকাতেই থাকব আশা করি।
কাজের চাপেই কি এবার লকডাউনে ঢাকায় থাকার পরিকল্পনা?
তা বলতে পারেন। বেশ কিছু কাজের শিডিউল তো হয়েই আছে। কিন্তু লকডাউনের কারণে কাজ করা হবে কি না, সেটাই বুঝতে পারছি না। পরিস্থিতি বুঝে নতুন পরিকল্পনা সাজাতে হবে।
কদিন আগে তো স্টেজ শোতে গান গেয়েছেন?
অল্প কয়েকটি স্টেজ শো করছিলাম। করোনাকালে সাত–আট মাস একটি শোও ছিল না। আসলে স্টেজ শোর অনুমতিও দেওয়া হচ্ছে না এখন। ঘরোয়া কিছু শো হচ্ছিল। এখন তো আবার সব ধরনের আয়োজনই বন্ধ। স্টেজ শো শিল্পীদের আয়ের বড় এক উৎস। সেই পথও এখন বন্ধ।
ভৌতিক গল্পের প্রতি আলাদা টান রয়েছে অর্থহীন ব্যান্ডের সাইদুস সালেহীন সুমন ও ক্রিপটিক ফেইটের শাকিব চৌধুরীর। দুই বন্ধু মিলে দেখেছেন অনেক হরর সিনেমা। ভৌতিক গল্পের সন্ধানে ছুটে গেছেন দেশের বিভিন্ন জায়গায়।
১৮ দিন আগেআবুল হায়াত ও দিলারা জামানকে নিয়ে তৈরি হয়েছে নাটক ‘বেলা ও বিকেল’। এতে তাঁরা দুজন অভিনয় করেছেন নামভূমিকায়। আবুল হায়াত অভিনয় করেছেন বিকেল চরিত্রে এবং দিলারা জামান বেলার ভূমিকায়।
১৮ দিন আগেতাহসান খান ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলার একমাত্র কন্যা আইরা তেহরীম খান। মা-বাবার মতো আইরাও নাম লেখালেন শোবিজে। শুরু হলো বিজ্ঞাপন দিয়ে। প্রথম কাজে আইরা সঙ্গে পেয়েছে মা মিথিলাকে। গত শনিবার প্রকাশ্যে এসেছে বিজ্ঞাপনটি।
১৮ দিন আগে১৮ আগস্ট নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ৭৬তম জন্মজয়ন্তী। এ উপলক্ষে চার দিনব্যাপী নাট্যোৎসবের আয়োজন করেছে ঢাকা থিয়েটার। ১৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ মহিলা সমিতিতে শুরু হবে উৎসব, চলবে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত। উৎসবে প্রদর্শিত হবে সেলিম আল দীনের দুটি নাটক ‘দেয়াল’ ও ‘নিমজ্জন’।
১৮ দিন আগে