ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। ১৯৭৯ সালের ২৮ মার্চ, অর্থাৎ আজকের এই দিনে গোপালগঞ্জে তাঁর জন্ম। ১৯৯৯ সালে শাকিব খান ঢালিউডে পা রেখেছিলেন সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত অনন্ত ভালোবাসার মাধ্যমে। এরপর একটানা শাসন করছেন বাংলাদেশের চিত্রজগৎ। দাপটের সঙ্গে ২৪ বছর পার করলেন তিনি।
ক্যারিয়ারের প্রতিটি বছরই কোনো না কোনো সুপারহিট ছবি দিয়ে অবস্থান পোক্ত করেছেন শাকিব। তাঁর কিছু সিনেমা ব্যবসায় নজির গড়েছে, কিছু ছবি দর্শকের মন জয় করেছে, আর কিছু সিনেমায় তিনি পেয়েছেন সমালোচকদের প্রশংসা।
এই নায়কের জন্মদিন উপলক্ষে ফিরে দেখা যাক তাঁর অভিনীত ৫টি অন্যতম ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় সিনেমা—
আমার স্বপ্ন তুমি (২০০৫)
হাসিবুল ইসলাম পরিচালিত সিনেমাটি শাকিব খানের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা একটি সিনেমা। ‘আমার স্বপ্ন তুমি’ গ্রামের এক অবুঝ তরুণীর গল্প। যাকে জীবনের চেয়ে বেশি ভালোবাসেন মাস্তান স্বভাবের নায়ক। কিন্তু এর মধ্যেই শহর থেকে এসে ধনীর দুলাল ফেরদৌস নায়িকাকে বিয়ে করে নিয়ে যায়। পিছু ধাওয়া করে বঞ্চিত প্রেমিক। এভাবেই ত্রিভূজ প্রেমের গল্পটি এগোতে থাকে। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন–শাবনূর, ফেরদৌস, এটিএম শামসুজ্জামান, আবুল হায়াত, শর্মিলী আহমেদসহ আরও অনেকে।
২০০৫ সালের সর্বাধিক ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রের মধ্যে এটি অন্যতম। সিনেমার বেশ কয়েকটি গান এখনো জনপ্রিয়। এর মধ্যে সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠে ‘আমার স্বপ্ন তুমি’, সাবিনা ইয়াসমিন ও মনির খানের কণ্ঠে ‘ও খুশি ও খুশি’, সাবিনা ইয়াসমিন ও অ্যান্ড্রু কিশোরের কণ্ঠে ‘দিবসে তোমাকে চাই’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
কোটি টাকার কাবিন (২০০৬)
এফআই মানিক পরিচালিত ‘কোটি টাকার কাবিন’–এর মাধ্যমে শাকিব খানের ক্যারিয়ার ঘুরে যায়। ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির ব্যাপক সাফল্য ইন্ডাস্ট্রিতে শাকিব খানকে মজবুত আসন গড়ে দেয়। সিনেমাটির মাধ্যমে শাকিবের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধেন অপু বিশ্বাস। দুই পরিবারের বিরোধ থাকার পরেও, শাকিব–অপু প্রেম করে বসেন। তাঁদের এই প্রেমের মাধ্যমে দুই পরিবারের শত্রুতা বন্ধুত্বে রূপ নেয়। দুই পরিবারের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন নায়ক রাজ রাজ্জাক ও ফারুক।
এ সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন—ডিপজল, সুচরিতা, সাদেক বাচ্চু, মিশা সওদাগর ও আফজাল শরীফ প্রমুখ। অমি বনি কথাচিত্রের প্রযোজনায় সিনেমাটির সংগীত আয়োজন করেছিলেন প্রয়াত সংগীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলী।
প্রিয়া আমার প্রিয়া (২০০৮)
২০০৮ সালে দেশব্যাপী মুক্তি পায় বদিউল আলম খোকন পরিচালিত সাড়া জাগানো সিনেমা ‘প্রিয়া আমার প্রিয়া’। সিনেমাটিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন—শাকিব খান, সাহারা, মিশা সওদাগর, প্রবীর মিত্র, আফজাল শরীফ প্রমুখ। শাকিব খানের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে ব্যবসাসফল সিনেমা এটি। মাসের পর মাস প্রেক্ষাগৃহ থেকে নামেনি ‘প্রিয়া আমার প্রিয়া’। সিনেমাটির সাফল্যে শাকিবের পারিশ্রমিক দেড় লাখ থেকে এক লাফে হয়ে যায় ২৫ লাখ টাকা!
ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না (২০১০)
জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত সিনেমাটির মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান শাকিব খান। ত্রিভূজ প্রেমের গল্পটিতে শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করেন অপু বিশ্বাস ও রুমানা। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন—প্রবীর মিত্র, কাজী হায়াৎ, আলী রাজ, মিশা সওদাগর প্রমুখ।
ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না সিনেমাটির সংগীত পরিচালনা করেছেন আলী আকরাম শুভ। সিনেমার গানে কণ্ঠ দিয়েছেন নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি, এসআই টুটুল, শাম্মী আখতার, কনক চাঁপা ও রাশেদ।
সিনেমাটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১০–এ মোট সাতটি বিভাগে পুরস্কার জিতে। দর্শক জরিপে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা হন শাকিব খান, পার্শ্ব চরিত্রে সেরা অভিনেত্রী ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেন অভিনেত্রী রুমানা। এ ছাড়া শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার, শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা, শ্রেষ্ঠ সুরকার, শ্রেষ্ঠ পুরুষ ও নারী কণ্ঠশিল্পী ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পায় সিনেমাটি। বাচসাস পুরস্কারে ৫টি বিভাগে এবং মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে ১টি বিভাগে পুরস্কার পায় শাকিব খানে ‘ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না’।
খোদার পরে মা (২০১২)
শাহিন সুমন পরিচালিত সিনেমাতেও শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান শাকিব খান। সিনেমাটিতে শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করেন সাহারা। সিনেমাটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন—ববিতা, সাদেক বাচ্চু, মিশা সওদাগর ও কাজী হায়াৎ প্রমুখ।
সিনেমাটি ২০১২ সালে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুক্তি পায়। সিনেমাটি ২০১২ সালের সবচেয়ে ব্যবসাসফল ছিল। সিনেমাটির মাধ্যমে শাকিব খান ছাড়াও শ্রেষ্ঠ গীতিকার ক্যাটাগরিতে মিল্টন খন্দকার ও শ্রেষ্ঠ পুরুষ সংগীত শিল্পী ক্যাটাগরিতে পলাশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।
ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। ১৯৭৯ সালের ২৮ মার্চ, অর্থাৎ আজকের এই দিনে গোপালগঞ্জে তাঁর জন্ম। ১৯৯৯ সালে শাকিব খান ঢালিউডে পা রেখেছিলেন সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত অনন্ত ভালোবাসার মাধ্যমে। এরপর একটানা শাসন করছেন বাংলাদেশের চিত্রজগৎ। দাপটের সঙ্গে ২৪ বছর পার করলেন তিনি।
ক্যারিয়ারের প্রতিটি বছরই কোনো না কোনো সুপারহিট ছবি দিয়ে অবস্থান পোক্ত করেছেন শাকিব। তাঁর কিছু সিনেমা ব্যবসায় নজির গড়েছে, কিছু ছবি দর্শকের মন জয় করেছে, আর কিছু সিনেমায় তিনি পেয়েছেন সমালোচকদের প্রশংসা।
এই নায়কের জন্মদিন উপলক্ষে ফিরে দেখা যাক তাঁর অভিনীত ৫টি অন্যতম ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় সিনেমা—
আমার স্বপ্ন তুমি (২০০৫)
হাসিবুল ইসলাম পরিচালিত সিনেমাটি শাকিব খানের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা একটি সিনেমা। ‘আমার স্বপ্ন তুমি’ গ্রামের এক অবুঝ তরুণীর গল্প। যাকে জীবনের চেয়ে বেশি ভালোবাসেন মাস্তান স্বভাবের নায়ক। কিন্তু এর মধ্যেই শহর থেকে এসে ধনীর দুলাল ফেরদৌস নায়িকাকে বিয়ে করে নিয়ে যায়। পিছু ধাওয়া করে বঞ্চিত প্রেমিক। এভাবেই ত্রিভূজ প্রেমের গল্পটি এগোতে থাকে। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন–শাবনূর, ফেরদৌস, এটিএম শামসুজ্জামান, আবুল হায়াত, শর্মিলী আহমেদসহ আরও অনেকে।
২০০৫ সালের সর্বাধিক ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রের মধ্যে এটি অন্যতম। সিনেমার বেশ কয়েকটি গান এখনো জনপ্রিয়। এর মধ্যে সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠে ‘আমার স্বপ্ন তুমি’, সাবিনা ইয়াসমিন ও মনির খানের কণ্ঠে ‘ও খুশি ও খুশি’, সাবিনা ইয়াসমিন ও অ্যান্ড্রু কিশোরের কণ্ঠে ‘দিবসে তোমাকে চাই’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
কোটি টাকার কাবিন (২০০৬)
এফআই মানিক পরিচালিত ‘কোটি টাকার কাবিন’–এর মাধ্যমে শাকিব খানের ক্যারিয়ার ঘুরে যায়। ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির ব্যাপক সাফল্য ইন্ডাস্ট্রিতে শাকিব খানকে মজবুত আসন গড়ে দেয়। সিনেমাটির মাধ্যমে শাকিবের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধেন অপু বিশ্বাস। দুই পরিবারের বিরোধ থাকার পরেও, শাকিব–অপু প্রেম করে বসেন। তাঁদের এই প্রেমের মাধ্যমে দুই পরিবারের শত্রুতা বন্ধুত্বে রূপ নেয়। দুই পরিবারের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন নায়ক রাজ রাজ্জাক ও ফারুক।
এ সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন—ডিপজল, সুচরিতা, সাদেক বাচ্চু, মিশা সওদাগর ও আফজাল শরীফ প্রমুখ। অমি বনি কথাচিত্রের প্রযোজনায় সিনেমাটির সংগীত আয়োজন করেছিলেন প্রয়াত সংগীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলী।
প্রিয়া আমার প্রিয়া (২০০৮)
২০০৮ সালে দেশব্যাপী মুক্তি পায় বদিউল আলম খোকন পরিচালিত সাড়া জাগানো সিনেমা ‘প্রিয়া আমার প্রিয়া’। সিনেমাটিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন—শাকিব খান, সাহারা, মিশা সওদাগর, প্রবীর মিত্র, আফজাল শরীফ প্রমুখ। শাকিব খানের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে ব্যবসাসফল সিনেমা এটি। মাসের পর মাস প্রেক্ষাগৃহ থেকে নামেনি ‘প্রিয়া আমার প্রিয়া’। সিনেমাটির সাফল্যে শাকিবের পারিশ্রমিক দেড় লাখ থেকে এক লাফে হয়ে যায় ২৫ লাখ টাকা!
ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না (২০১০)
জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত সিনেমাটির মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান শাকিব খান। ত্রিভূজ প্রেমের গল্পটিতে শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করেন অপু বিশ্বাস ও রুমানা। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন—প্রবীর মিত্র, কাজী হায়াৎ, আলী রাজ, মিশা সওদাগর প্রমুখ।
ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না সিনেমাটির সংগীত পরিচালনা করেছেন আলী আকরাম শুভ। সিনেমার গানে কণ্ঠ দিয়েছেন নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি, এসআই টুটুল, শাম্মী আখতার, কনক চাঁপা ও রাশেদ।
সিনেমাটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১০–এ মোট সাতটি বিভাগে পুরস্কার জিতে। দর্শক জরিপে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা হন শাকিব খান, পার্শ্ব চরিত্রে সেরা অভিনেত্রী ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেন অভিনেত্রী রুমানা। এ ছাড়া শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার, শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা, শ্রেষ্ঠ সুরকার, শ্রেষ্ঠ পুরুষ ও নারী কণ্ঠশিল্পী ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পায় সিনেমাটি। বাচসাস পুরস্কারে ৫টি বিভাগে এবং মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে ১টি বিভাগে পুরস্কার পায় শাকিব খানে ‘ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না’।
খোদার পরে মা (২০১২)
শাহিন সুমন পরিচালিত সিনেমাতেও শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান শাকিব খান। সিনেমাটিতে শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করেন সাহারা। সিনেমাটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন—ববিতা, সাদেক বাচ্চু, মিশা সওদাগর ও কাজী হায়াৎ প্রমুখ।
সিনেমাটি ২০১২ সালে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুক্তি পায়। সিনেমাটি ২০১২ সালের সবচেয়ে ব্যবসাসফল ছিল। সিনেমাটির মাধ্যমে শাকিব খান ছাড়াও শ্রেষ্ঠ গীতিকার ক্যাটাগরিতে মিল্টন খন্দকার ও শ্রেষ্ঠ পুরুষ সংগীত শিল্পী ক্যাটাগরিতে পলাশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।
ভৌতিক গল্পের প্রতি আলাদা টান রয়েছে অর্থহীন ব্যান্ডের সাইদুস সালেহীন সুমন ও ক্রিপটিক ফেইটের শাকিব চৌধুরীর। দুই বন্ধু মিলে দেখেছেন অনেক হরর সিনেমা। ভৌতিক গল্পের সন্ধানে ছুটে গেছেন দেশের বিভিন্ন জায়গায়।
১৮ দিন আগেআবুল হায়াত ও দিলারা জামানকে নিয়ে তৈরি হয়েছে নাটক ‘বেলা ও বিকেল’। এতে তাঁরা দুজন অভিনয় করেছেন নামভূমিকায়। আবুল হায়াত অভিনয় করেছেন বিকেল চরিত্রে এবং দিলারা জামান বেলার ভূমিকায়।
১৮ দিন আগেতাহসান খান ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলার একমাত্র কন্যা আইরা তেহরীম খান। মা-বাবার মতো আইরাও নাম লেখালেন শোবিজে। শুরু হলো বিজ্ঞাপন দিয়ে। প্রথম কাজে আইরা সঙ্গে পেয়েছে মা মিথিলাকে। গত শনিবার প্রকাশ্যে এসেছে বিজ্ঞাপনটি।
১৮ দিন আগে১৮ আগস্ট নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ৭৬তম জন্মজয়ন্তী। এ উপলক্ষে চার দিনব্যাপী নাট্যোৎসবের আয়োজন করেছে ঢাকা থিয়েটার। ১৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ মহিলা সমিতিতে শুরু হবে উৎসব, চলবে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত। উৎসবে প্রদর্শিত হবে সেলিম আল দীনের দুটি নাটক ‘দেয়াল’ ও ‘নিমজ্জন’।
১৮ দিন আগে