বাবা দিবস
শিক্ষা ডেস্ক
ভালোবাসা সব সময় শব্দ চায় না; বিশেষ করে সেই ভালোবাসা, যা এক নীরব আত্মত্যাগে প্রতিদিন গড়ে তোলে আমাদের স্বপ্ন, সাহস আর সাফল্যের ভিত্তি। তিনি আমাদের চোখে কখনো কাঁদেন না, ক্লান্তিও দেখান না, কিন্তু আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপের পেছনে থাকে তাঁর নিরলস প্রেরণা। তিনি আমাদের বাবা।
বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হৃদয়ের গহিন থেকে উঠে আসা কিছু ভালোবাসায় মোড়া কথামালা তুলে ধরা হলো। যেখানে রয়েছে বাবাকে নিয়ে না বলা কথা, স্মৃতির স্পর্শ, কৃতজ্ঞতার ভাষা আর গভীর অনুভব।
বাবা আমার জীবনের প্রতিটি নিশ্বাস
তারানা তানজিনা মিতু শিক্ষার্থী, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
আমার কাছে বাবা কেবল একটি দিনের জন্য নন, তিনি আমার প্রতিটি মুহূর্তের অংশ। যদি না ভেবে বলতে হয়, আমি সবচেয়ে বেশি কাকে ভালোবাসি—উত্তর হবে, আমার বাবা। তিনি আমার জীবনের সুপারহিরো, আমার প্রতিটি সমস্যার সমাধান। বাবার সঙ্গে এক কাপ চায়ে গল্প মানে সব দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি। আমি ঘরে না ফেরা পর্যন্ত তিনি অস্থির থাকেন। আমার হাসি-আনন্দই তাঁর শান্তি। বাবার সততা ও ভালোবাসাই আমাকে ভালো মানুষ হতে অনুপ্রাণিত করে। আমার মুখ দেখেই তিনি আমার না বলা দুঃখ বুঝে যান, কোনো আঘাত না দেখেই যেন আমার রোগ ধরতে পারেন। মুখে হাসি না থাকলে তার কারণ জানতে চাওয়া—এমন অদ্ভুত ভালোবাসা আর খেয়াল রাখা মানুষটিই আমার বাবা। বিশ্বের সব বাবার প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
আমার জীবনপথের পাথেয়
তানজিল কাজী, শিক্ষার্থী, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
বাবা—শুধু একটি শব্দ নয়, এক নির্ভরতার ছায়া। ছোট্ট হাতটি ধরে হাঁটতে শেখানো সেই মানুষটিই আমাদের জীবনের প্রথম নায়ক। তিনি কখনো মুখে বলেন না ‘ভালোবাসি’, কিন্তু প্রতিটি মুহূর্তে সন্তানের ভালো থাকাটাই তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা। নিজের স্বপ্নগুলো চাপা দিয়ে সন্তানের হাসিমুখের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেন। বাবা মানেই আত্মত্যাগের প্রতিমূর্তি—যিনি নীরবে সব সহ্য করে যান, সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য প্রতিটি পদক্ষেপে চিন্তা করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সন্তান যখন বড় হয়, তখন সেই শক্ত বাবাও বয়সের ভারে নুয়ে পড়েন। তখন আমাদের দায়িত্ব হয় তাঁকে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও যত্নে আগলে রাখা। বাবা শুধু অভিভাবক নন, তিনি আদর্শ, ভালোবাসার মহিরুহ। তাঁর ছায়া ছাড়া জীবন অনিরাপদ। প্রতিটি দিনই হোক তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিন। তোমাকে খুব ভালোবাসি, বাবা।
বলা হয়নি, ভালোবাসি বাবা
রাহমান জিকু, শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম কলেজ
বাবা, তুমি আমার জীবনের নিখুঁত আশ্রয়। তোমার কাঁধে মাথা রেখে ঘুমানো সেই ছোট্ট শিশু আজ বড় হলেও, ভালোবাসাটা রয়ে গেছে আগের মতোই। শৈশবে তোমার পিঠে চড়ে, অফিস শেষে তোমার হাত ধরে বাড়ি ফেরার মুহূর্তগুলো এখনো মনে স্পষ্ট। দীর্ঘ ৬ বছর দূরে থাকলেও তোমার প্রতি ভালোবাসার টান একটুও কমেনি; বরং বেড়েছে। এখনো ইচ্ছা করে, তোমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়ি। তুমি ক্লান্ত হও না, সব সময় আমার সব আবদার নিঃশব্দে মেটাও। বড় হয়ে বুঝেছি তোমার ভালোবাসা আর ত্যাগের মানে। তোমার অসীম যত্ন আর ভালোবাসার কাছে আমি বড্ড অসহায়।
বাবা, কখনোই বলা হয়নি—ভালোবাসি। তোমার সেই ছোট্ট শিশুটিও তোমাকে অসম্ভব রকমের ভালোবাসে, বাবা। স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা—তুমি ভালো থেকো, দীর্ঘজীবী হও। সব সময় পাশে থেকো আমার প্রিয় বাবা।
বাবা কখনো বৃদ্ধ হয় না
অর্ণব দাশ, শিক্ষার্থী, চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়
যে মানুষটির প্রতিদিনের পরিশ্রমে আমাদের ভালো থাকার গল্প গড়ে ওঠে, তিনি আমার বাবা। ছোটবেলায় বাবা মানেই ছিল শাসনের ভয়, তবে সেই ভয়ই ছিল ভালোবাসার অন্য রূপ। আমার পড়াশোনার প্রতি বাবার যত্ন ছিল অপরিসীম। ক্লান্ত শরীরেও দিন শেষে তিনি খোঁজ নিতেন—আমি কেমন পড়ছি। সেই কঠোরতা থেকেই বাবার প্রতি ভয় জন্ম নেয়। অথচ ছোটবেলায় তাঁর কোলে চড়ে বা আঙুল ধরে হাঁটার স্মৃতিই সবচেয়ে মধুর। সব বাবাই ছেলেদের বড় করেন, কিন্তু নিজেরা কখনো ছেলে হয়ে উঠতে পারেন না। তাঁরা কখনো বৃদ্ধ হন না। মুখে না বললেও বাবার চোখের ক্লান্ত হাসিতে আমি সব বুঝে যাই। বাবা, তোমার ছোট্ট অর্ণব তোমায় খুব ভালোবাসে। ভালো থাকুন পৃথিবীর সব বাবা।
শুধু বলেছ, ‘যাও, আমি আছি’
শ্রেয়া ঘোষ, হবার্ট অ্যান্ড উইলিয়াম স্মিথ কলেজ
জীবনে প্রত্যেক মানুষের প্রয়োজন হয় একটি দৃঢ় ভিত্তি, পায়ের নিচে শক্ত মাটি আর পিঠের পেছনে ভরসার দুটি ডানা। আমার জীবনে সেই মাটি তুমি, আর যেই ডানায় ভর করে আমি স্বপ্ন দেখি, সেটাও তুমি গুঁজে দিয়েছ। তুমি কখনো সরাসরি হাত ধরে পথ দেখাওনি, কিন্তু থেকেছ পাশে, একটা নিঃশব্দ আশ্রয়ের মতো, যেখানে দাঁড়িয়ে আমি প্রতিটি নতুন পদক্ষেপে সাহস পেয়েছি। তুমি আমাকে শেখাওনি কীভাবে উড়তে হয়, কিন্তু মনের গভীরে নিঃশব্দে গুঁজে দিয়েছ পাখা, যা আমাকে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে, আর সেই স্বপ্ন ছুঁতে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। তুমি কোনো দিন আটকে রাখোনি, বরং সামনে ঠেলে দিয়েছ। শুধু বলেছ, ‘যাও, আমি আছি।’ আজ হৃদয়ের গভীর থেকে ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই— বাবা, তুমি যে পাখা দিয়েছ, তাতেই আমি আকাশ চিনেছি।
ভালোবাসা সব সময় শব্দ চায় না; বিশেষ করে সেই ভালোবাসা, যা এক নীরব আত্মত্যাগে প্রতিদিন গড়ে তোলে আমাদের স্বপ্ন, সাহস আর সাফল্যের ভিত্তি। তিনি আমাদের চোখে কখনো কাঁদেন না, ক্লান্তিও দেখান না, কিন্তু আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপের পেছনে থাকে তাঁর নিরলস প্রেরণা। তিনি আমাদের বাবা।
বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হৃদয়ের গহিন থেকে উঠে আসা কিছু ভালোবাসায় মোড়া কথামালা তুলে ধরা হলো। যেখানে রয়েছে বাবাকে নিয়ে না বলা কথা, স্মৃতির স্পর্শ, কৃতজ্ঞতার ভাষা আর গভীর অনুভব।
বাবা আমার জীবনের প্রতিটি নিশ্বাস
তারানা তানজিনা মিতু শিক্ষার্থী, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
আমার কাছে বাবা কেবল একটি দিনের জন্য নন, তিনি আমার প্রতিটি মুহূর্তের অংশ। যদি না ভেবে বলতে হয়, আমি সবচেয়ে বেশি কাকে ভালোবাসি—উত্তর হবে, আমার বাবা। তিনি আমার জীবনের সুপারহিরো, আমার প্রতিটি সমস্যার সমাধান। বাবার সঙ্গে এক কাপ চায়ে গল্প মানে সব দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি। আমি ঘরে না ফেরা পর্যন্ত তিনি অস্থির থাকেন। আমার হাসি-আনন্দই তাঁর শান্তি। বাবার সততা ও ভালোবাসাই আমাকে ভালো মানুষ হতে অনুপ্রাণিত করে। আমার মুখ দেখেই তিনি আমার না বলা দুঃখ বুঝে যান, কোনো আঘাত না দেখেই যেন আমার রোগ ধরতে পারেন। মুখে হাসি না থাকলে তার কারণ জানতে চাওয়া—এমন অদ্ভুত ভালোবাসা আর খেয়াল রাখা মানুষটিই আমার বাবা। বিশ্বের সব বাবার প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
আমার জীবনপথের পাথেয়
তানজিল কাজী, শিক্ষার্থী, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
বাবা—শুধু একটি শব্দ নয়, এক নির্ভরতার ছায়া। ছোট্ট হাতটি ধরে হাঁটতে শেখানো সেই মানুষটিই আমাদের জীবনের প্রথম নায়ক। তিনি কখনো মুখে বলেন না ‘ভালোবাসি’, কিন্তু প্রতিটি মুহূর্তে সন্তানের ভালো থাকাটাই তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা। নিজের স্বপ্নগুলো চাপা দিয়ে সন্তানের হাসিমুখের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেন। বাবা মানেই আত্মত্যাগের প্রতিমূর্তি—যিনি নীরবে সব সহ্য করে যান, সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য প্রতিটি পদক্ষেপে চিন্তা করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সন্তান যখন বড় হয়, তখন সেই শক্ত বাবাও বয়সের ভারে নুয়ে পড়েন। তখন আমাদের দায়িত্ব হয় তাঁকে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও যত্নে আগলে রাখা। বাবা শুধু অভিভাবক নন, তিনি আদর্শ, ভালোবাসার মহিরুহ। তাঁর ছায়া ছাড়া জীবন অনিরাপদ। প্রতিটি দিনই হোক তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিন। তোমাকে খুব ভালোবাসি, বাবা।
বলা হয়নি, ভালোবাসি বাবা
রাহমান জিকু, শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম কলেজ
বাবা, তুমি আমার জীবনের নিখুঁত আশ্রয়। তোমার কাঁধে মাথা রেখে ঘুমানো সেই ছোট্ট শিশু আজ বড় হলেও, ভালোবাসাটা রয়ে গেছে আগের মতোই। শৈশবে তোমার পিঠে চড়ে, অফিস শেষে তোমার হাত ধরে বাড়ি ফেরার মুহূর্তগুলো এখনো মনে স্পষ্ট। দীর্ঘ ৬ বছর দূরে থাকলেও তোমার প্রতি ভালোবাসার টান একটুও কমেনি; বরং বেড়েছে। এখনো ইচ্ছা করে, তোমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়ি। তুমি ক্লান্ত হও না, সব সময় আমার সব আবদার নিঃশব্দে মেটাও। বড় হয়ে বুঝেছি তোমার ভালোবাসা আর ত্যাগের মানে। তোমার অসীম যত্ন আর ভালোবাসার কাছে আমি বড্ড অসহায়।
বাবা, কখনোই বলা হয়নি—ভালোবাসি। তোমার সেই ছোট্ট শিশুটিও তোমাকে অসম্ভব রকমের ভালোবাসে, বাবা। স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা—তুমি ভালো থেকো, দীর্ঘজীবী হও। সব সময় পাশে থেকো আমার প্রিয় বাবা।
বাবা কখনো বৃদ্ধ হয় না
অর্ণব দাশ, শিক্ষার্থী, চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়
যে মানুষটির প্রতিদিনের পরিশ্রমে আমাদের ভালো থাকার গল্প গড়ে ওঠে, তিনি আমার বাবা। ছোটবেলায় বাবা মানেই ছিল শাসনের ভয়, তবে সেই ভয়ই ছিল ভালোবাসার অন্য রূপ। আমার পড়াশোনার প্রতি বাবার যত্ন ছিল অপরিসীম। ক্লান্ত শরীরেও দিন শেষে তিনি খোঁজ নিতেন—আমি কেমন পড়ছি। সেই কঠোরতা থেকেই বাবার প্রতি ভয় জন্ম নেয়। অথচ ছোটবেলায় তাঁর কোলে চড়ে বা আঙুল ধরে হাঁটার স্মৃতিই সবচেয়ে মধুর। সব বাবাই ছেলেদের বড় করেন, কিন্তু নিজেরা কখনো ছেলে হয়ে উঠতে পারেন না। তাঁরা কখনো বৃদ্ধ হন না। মুখে না বললেও বাবার চোখের ক্লান্ত হাসিতে আমি সব বুঝে যাই। বাবা, তোমার ছোট্ট অর্ণব তোমায় খুব ভালোবাসে। ভালো থাকুন পৃথিবীর সব বাবা।
শুধু বলেছ, ‘যাও, আমি আছি’
শ্রেয়া ঘোষ, হবার্ট অ্যান্ড উইলিয়াম স্মিথ কলেজ
জীবনে প্রত্যেক মানুষের প্রয়োজন হয় একটি দৃঢ় ভিত্তি, পায়ের নিচে শক্ত মাটি আর পিঠের পেছনে ভরসার দুটি ডানা। আমার জীবনে সেই মাটি তুমি, আর যেই ডানায় ভর করে আমি স্বপ্ন দেখি, সেটাও তুমি গুঁজে দিয়েছ। তুমি কখনো সরাসরি হাত ধরে পথ দেখাওনি, কিন্তু থেকেছ পাশে, একটা নিঃশব্দ আশ্রয়ের মতো, যেখানে দাঁড়িয়ে আমি প্রতিটি নতুন পদক্ষেপে সাহস পেয়েছি। তুমি আমাকে শেখাওনি কীভাবে উড়তে হয়, কিন্তু মনের গভীরে নিঃশব্দে গুঁজে দিয়েছ পাখা, যা আমাকে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে, আর সেই স্বপ্ন ছুঁতে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। তুমি কোনো দিন আটকে রাখোনি, বরং সামনে ঠেলে দিয়েছ। শুধু বলেছ, ‘যাও, আমি আছি।’ আজ হৃদয়ের গভীর থেকে ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই— বাবা, তুমি যে পাখা দিয়েছ, তাতেই আমি আকাশ চিনেছি।
ব্যবসায় শিক্ষার ওপর দেশের অন্যতম বড় প্রতিযোগিতা ও উৎসব ১০ম ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস জিনিয়াস বাংলাদেশ-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজনেস জিনিয়াস বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) মার্কেটিং ও ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগ যৌথভাবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
১৮ দিন আগেবেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের কালজয়ী রচনা ‘সুলতানার স্বপ্ন’ ইউনেসকোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ডে’ অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ এ সেমিনারের আয়োজন করেছে। রোববার (১০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের নওশের আলী লেকচার গ্যালারিতে অনুষ্ঠি
১৮ দিন আগেআন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন রোবোটিকস প্রতিযোগিতায় উল্লেখযোগ্যভাবে সফলতা অর্জনকারী ‘ইউআইইউ মার্স রোভার’, ‘ইউআইইউ অ্যাসেন্ড’ এবং ‘ইউআইইউ মেরিনার’ টিমগুলোকে সংবর্ধনা দিয়েছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ)। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ ফোরামের উদ্যোগে এবং ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং অ্যান্ড স্টুডেন্ট অ্
১৮ দিন আগেবৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন। দেশের বাস্তব অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারে সিপিডিসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। এজন্য তিনি দেশের উচ্চশিক্ষার ৭০ শতাংশ নিয়ন্ত
১৮ দিন আগে