পঞ্চগড় প্রতিনিধি
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪ কেজি ৮৬ গ্রাম ওজনের (৩৯১ ভরি ৪ আনা) পাঁচটি বিভিন্ন আকৃতির স্বর্ণের বার ও ১৫টি বিস্কুট উদ্ধার করেছেন পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন গিঁরাগাঁও ক্যাম্পের সদস্যরা। গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সীমান্তের রমজানপাড়া গ্রাম থেকে এসব স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। এসব সোনা বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার করা হচ্ছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গিরাগাঁও বিওপিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল যুবায়েদ হাসান।
লে. কর্নেল যুবায়েদ হাসান বলেন, ‘সোনা পাচারের গোপন সংবাদে আমাদের টহল দল সতর্কভাবে দায়িত্ব পালন করে। এতে চোরাকারবারিরা পাচারের উদ্দেশ্যে আনা সোনা ফেলে পালিয়ে যায়। সীমান্তের ৪১০ নম্বর মেইন পিলারের কাছে জমির কাটা ধান আঁটি বাঁধছিলেন তিন-চারজন শ্রমিক। এ সময় বিজিবির গিরাগাঁও বিওপির টহল দলের সন্দেহ হয়। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলার জন্য এগিয়ে গেলে তাঁরা পালিয়ে যান।’
লে. কর্নেল যুবায়েদ হাসান জানান, পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মেজর রিয়াদ ও গিঁরাগাঁও ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার ফারুক হোসেনসহ বিজিবি সদস্যরা ধানের আটিঁর নিচ থেকে একটি প্যাকেট উদ্ধার করেন। ওই প্যাকেট থেকে পাঁচটি বিভিন্ন আকৃতির স্বর্ণের বার ও ১৫টি বিস্কুট বার পাওয়া যায়। এগুলোর ওজন ৪ কেজি ৮৬ গ্রাম (৩৯১ ভরি ৪ আনা)। পরে স্বর্ণের বারগুলো জেলা শহরের বানিয়াপট্টি এলাকায় একটি স্বর্ণের দোকানে নিয়ে পরীক্ষা করলে সেগুলো আসল বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি ৫১ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘জমির মালিক ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছি। জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছি আমরা। এ ঘটনায় আটোয়ারী থানায় বিজিবির পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।’ স্বর্ণের বারগুলো থানায় জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি বিজিবি।
এর আগে গত ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের ঘাগড়া সীমান্ত এলাকা থেকে ২২ কেজি ২৯ গ্রাম ওজনের ২২টি স্বর্ণের বার উদ্ধার ও জুয়েল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে বিজিবি।
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪ কেজি ৮৬ গ্রাম ওজনের (৩৯১ ভরি ৪ আনা) পাঁচটি বিভিন্ন আকৃতির স্বর্ণের বার ও ১৫টি বিস্কুট উদ্ধার করেছেন পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন গিঁরাগাঁও ক্যাম্পের সদস্যরা। গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সীমান্তের রমজানপাড়া গ্রাম থেকে এসব স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। এসব সোনা বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার করা হচ্ছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গিরাগাঁও বিওপিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল যুবায়েদ হাসান।
লে. কর্নেল যুবায়েদ হাসান বলেন, ‘সোনা পাচারের গোপন সংবাদে আমাদের টহল দল সতর্কভাবে দায়িত্ব পালন করে। এতে চোরাকারবারিরা পাচারের উদ্দেশ্যে আনা সোনা ফেলে পালিয়ে যায়। সীমান্তের ৪১০ নম্বর মেইন পিলারের কাছে জমির কাটা ধান আঁটি বাঁধছিলেন তিন-চারজন শ্রমিক। এ সময় বিজিবির গিরাগাঁও বিওপির টহল দলের সন্দেহ হয়। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলার জন্য এগিয়ে গেলে তাঁরা পালিয়ে যান।’
লে. কর্নেল যুবায়েদ হাসান জানান, পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মেজর রিয়াদ ও গিঁরাগাঁও ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার ফারুক হোসেনসহ বিজিবি সদস্যরা ধানের আটিঁর নিচ থেকে একটি প্যাকেট উদ্ধার করেন। ওই প্যাকেট থেকে পাঁচটি বিভিন্ন আকৃতির স্বর্ণের বার ও ১৫টি বিস্কুট বার পাওয়া যায়। এগুলোর ওজন ৪ কেজি ৮৬ গ্রাম (৩৯১ ভরি ৪ আনা)। পরে স্বর্ণের বারগুলো জেলা শহরের বানিয়াপট্টি এলাকায় একটি স্বর্ণের দোকানে নিয়ে পরীক্ষা করলে সেগুলো আসল বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি ৫১ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘জমির মালিক ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছি। জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছি আমরা। এ ঘটনায় আটোয়ারী থানায় বিজিবির পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।’ স্বর্ণের বারগুলো থানায় জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি বিজিবি।
এর আগে গত ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের ঘাগড়া সীমান্ত এলাকা থেকে ২২ কেজি ২৯ গ্রাম ওজনের ২২টি স্বর্ণের বার উদ্ধার ও জুয়েল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে বিজিবি।
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মহসিন মিয়াকে (৪৬) দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
২৪ জুলাই ২০২৫সবার সামনে পিটিয়ে হত্যা, পাথরে শরীর থেঁতলে দেওয়া, নিজের বাড়ির সামনে গুলি করে পায়ের রগ কেটে হত্যা, অস্ত্র দেখিয়ে সর্বস্ব ছিনতাই, চাঁদা না পেয়ে গুলি—এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা কয়েক দিন ধরে বেশ আলোচিত। কিন্তু পুলিশ অনেকটাই নির্বিকার। প্রতিটি ঘটনার সিটিটিভি ফুটেজ থাকলেও সব অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।
১৪ জুলাই ২০২৫এবার রাজধানীর শ্যামলীতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, মানিব্যাগ, কাঁধের ব্যাগ ও মোবাইল ফোন নেওয়ার পর ছিনতাইকারীরা এক যুবকের পোশাক ও জুতা খুলে নিয়ে গেছে।
১২ জুলাই ২০২৫মোবাইল চুরির ঘটনায় বোরহান নামের এক তরুণকে বেধড়ক মারধর করা হয়। ছেলেকে বাঁচাতে বোরহানের বাবা রুবির পরিবারের সাহায্য চান। বসে এক গ্রাম্য সালিস। তবে সেই সালিসে কোনো মীমাংসা হয় না। এরই মধ্য নিখোঁজ হয়ে যান বোরহান। এতে এলাকায় রব পড়ে বোরহানকে হত্যা ও লাশ গুম করে ফেলা হয়েছে। তখন বোরহানের বাবা থানায় অভিযোগ দা
০৫ জুলাই ২০২৫