নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
শেখ হাসিনা সরকারের ১৭ বছরের সব ফৌজদারি অপরাধ ও জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে গণহত্যায় নিরপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা না করার আহ্বান জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আহ্বান জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্র জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শক্তির পতন হয়েছে। ফ্যাসিবাদের এই দীর্ঘ শাসনামলে তাদের সমর্থকদের দ্বারা অগণিত ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সর্বশেষ জুলাই বিপ্লবের সময় ফ্যাসিবাদী সরকার ইতিহাসের নিকৃষ্টতর গণহত্যা চালায়। কিন্তু ফ্যাসিবাদের মদদপুষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিচার বিভাগ এসব অপরাধের বিচার করেনি। বরং যারা অপরাধের ভুক্তভোগী তাদেরকেই হেনস্তা করা হয়েছে। ফৌজদারি অপরাধ তামাদি হয় না। ছাত্রজনতার বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে প্রতিটি অপরাধ এবং গণহত্যার সুষ্ঠু বিচার হবে। এসব বিচারের জন্য সারা দেশে ফ্যাসিবাদী কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ ও গণহত্যার বিচার চেয়ে মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী মামলা দায়েরকারীরা প্রকৃত আসামিদের বাইরে যাচাই বাছাইহীনভাবে সাধারণ মানুষের নাম আসামির কলামে তালিকাভুক্ত করে মামলা করছে।
এভাবে যাচাই–বাছাই না করে গণহারে মামলা দায়ের করলে প্রকৃত অপরাধী পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবার কিছু স্থানে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে নিরীহ ও নিরপরাধ মানুষের নামেও মামলা দেওয়া হচ্ছে।
এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ উল্লেখ করে বলা হয়, এগুলো আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিচারহীনতার সংস্কৃতিরই পুনরাবৃত্তি মাত্র। আমরা মনে করি, ভুলক্রমে শত অপরাধী পার পেয়ে গেলেও কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে শাস্তি তো দূরে থাক বিন্দুমাত্র হয়রানি করাও সমীচীন নয়। যদি এমনটা হয় তাহলে আইন ও আদালতের সঙ্গে উপহাস করা হবে এবং এটাই হবে সবচেয়ে বড় জুলুম।
দেশবাসীর কাছে আহ্বান রাখব যাচাই-বাছাই না করে মিথ্যা বা ভুয়া মামলা দিয়ে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করবেন না। প্রকৃত অপরাধীকে পার পাইয়ে দেয় এমন সকল ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকবেন।
শেখ হাসিনা সরকারের ১৭ বছরের সব ফৌজদারি অপরাধ ও জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে গণহত্যায় নিরপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা না করার আহ্বান জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আহ্বান জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্র জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শক্তির পতন হয়েছে। ফ্যাসিবাদের এই দীর্ঘ শাসনামলে তাদের সমর্থকদের দ্বারা অগণিত ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সর্বশেষ জুলাই বিপ্লবের সময় ফ্যাসিবাদী সরকার ইতিহাসের নিকৃষ্টতর গণহত্যা চালায়। কিন্তু ফ্যাসিবাদের মদদপুষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিচার বিভাগ এসব অপরাধের বিচার করেনি। বরং যারা অপরাধের ভুক্তভোগী তাদেরকেই হেনস্তা করা হয়েছে। ফৌজদারি অপরাধ তামাদি হয় না। ছাত্রজনতার বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে প্রতিটি অপরাধ এবং গণহত্যার সুষ্ঠু বিচার হবে। এসব বিচারের জন্য সারা দেশে ফ্যাসিবাদী কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ ও গণহত্যার বিচার চেয়ে মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী মামলা দায়েরকারীরা প্রকৃত আসামিদের বাইরে যাচাই বাছাইহীনভাবে সাধারণ মানুষের নাম আসামির কলামে তালিকাভুক্ত করে মামলা করছে।
এভাবে যাচাই–বাছাই না করে গণহারে মামলা দায়ের করলে প্রকৃত অপরাধী পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবার কিছু স্থানে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে নিরীহ ও নিরপরাধ মানুষের নামেও মামলা দেওয়া হচ্ছে।
এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ উল্লেখ করে বলা হয়, এগুলো আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিচারহীনতার সংস্কৃতিরই পুনরাবৃত্তি মাত্র। আমরা মনে করি, ভুলক্রমে শত অপরাধী পার পেয়ে গেলেও কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে শাস্তি তো দূরে থাক বিন্দুমাত্র হয়রানি করাও সমীচীন নয়। যদি এমনটা হয় তাহলে আইন ও আদালতের সঙ্গে উপহাস করা হবে এবং এটাই হবে সবচেয়ে বড় জুলুম।
দেশবাসীর কাছে আহ্বান রাখব যাচাই-বাছাই না করে মিথ্যা বা ভুয়া মামলা দিয়ে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করবেন না। প্রকৃত অপরাধীকে পার পাইয়ে দেয় এমন সকল ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকবেন।
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মহসিন মিয়াকে (৪৬) দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
২৪ জুলাই ২০২৫সবার সামনে পিটিয়ে হত্যা, পাথরে শরীর থেঁতলে দেওয়া, নিজের বাড়ির সামনে গুলি করে পায়ের রগ কেটে হত্যা, অস্ত্র দেখিয়ে সর্বস্ব ছিনতাই, চাঁদা না পেয়ে গুলি—এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা কয়েক দিন ধরে বেশ আলোচিত। কিন্তু পুলিশ অনেকটাই নির্বিকার। প্রতিটি ঘটনার সিটিটিভি ফুটেজ থাকলেও সব অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।
১৪ জুলাই ২০২৫এবার রাজধানীর শ্যামলীতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, মানিব্যাগ, কাঁধের ব্যাগ ও মোবাইল ফোন নেওয়ার পর ছিনতাইকারীরা এক যুবকের পোশাক ও জুতা খুলে নিয়ে গেছে।
১২ জুলাই ২০২৫মোবাইল চুরির ঘটনায় বোরহান নামের এক তরুণকে বেধড়ক মারধর করা হয়। ছেলেকে বাঁচাতে বোরহানের বাবা রুবির পরিবারের সাহায্য চান। বসে এক গ্রাম্য সালিস। তবে সেই সালিসে কোনো মীমাংসা হয় না। এরই মধ্য নিখোঁজ হয়ে যান বোরহান। এতে এলাকায় রব পড়ে বোরহানকে হত্যা ও লাশ গুম করে ফেলা হয়েছে। তখন বোরহানের বাবা থানায় অভিযোগ দা
০৫ জুলাই ২০২৫