নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
বিদায়ী অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সংশোধিত এডিপির আওতায় বরাদ্দ ছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ কোটি টাকা। অথচ শেষ পর্যন্ত খরচ হয়েছে মাত্র ১ লাখ ৫২ হাজার ৪৫০ কোটি, অর্থাৎ বাস্তবায়ন হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬৭.৮৫ শতাংশ, যা ২০০৪-০৫ অর্থবছরের পর সবচেয়ে কম।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) তথ্যমতে, আগের অর্থবছরের তুলনায় এবার খরচ কমেছে প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকা। এত বড় ব্যবধানে ব্যয় হ্রাস অতীতে শুধু কোভিড শুরুর বছরে দেখা গিয়েছিল, তবে এবারের মতো তীব্র পতন হয়নি। সে সময়ের তুলনায় এবার প্রকল্প বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতা এবং সক্ষমতা আরও বড় প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
এই দুর্বল বাস্তবায়নের পেছনে একাধিক কারণ চিহ্নিত করেছেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। তাঁদের মতে, বছরের শুরুতেই রাজনৈতিক অস্থিরতা, ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও কারফিউ পরিস্থিতির ফলে বহু প্রকল্প বন্ধ ছিল। এরপর ক্ষমতার রদবদলের জেরে অনেক প্রকল্প পরিচালককে দায়িত্বে পাওয়া যায়নি। কিছু ঠিকাদার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এসব মিলিয়ে প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।
বিদায়ী অর্থবছরে এডিপি বা প্রকল্প বাস্তবায়নে সবচেয়ে খারাপ করেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ। এই বিভাগের ১৫টি প্রকল্পে অনুকূলে ২ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও শেষ পর্যন্ত খরচ হয়েছে মাত্র ৩৫০ কোটি টাকা, অর্থাৎ এ বিভাগের এডিপি বাস্তবায়ন হার মাত্র ১৫ শতাংশ। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ২১ শতাংশ, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ৩২ শতাংশ, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ও ভূমি মন্ত্রণালয় উভয়েই ৩৭ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে। অন্যদিকে, সবচেয়ে ভালো পারফরম্যান্স করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ, যা তাদের বরাদ্দের ৯৮ শতাংশ খরচ করেছে।
গত ২০ বছরে প্রকল্প বাস্তবায়নকারীরা সাধারণত এডিপির ৮০ থেকে ৯৮ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে। সেই তুলনায় এবারকার বাস্তবায়ন হার খুবই নিম্ন। কোভিড মহামারির শুরুতে কিছুটা কম হয়েছিল বাস্তবায়ন, তবে এত বড় ব্যবধান কখনো হয়নি।
আরও খবর পড়ুন:
বিদায়ী অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সংশোধিত এডিপির আওতায় বরাদ্দ ছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ কোটি টাকা। অথচ শেষ পর্যন্ত খরচ হয়েছে মাত্র ১ লাখ ৫২ হাজার ৪৫০ কোটি, অর্থাৎ বাস্তবায়ন হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬৭.৮৫ শতাংশ, যা ২০০৪-০৫ অর্থবছরের পর সবচেয়ে কম।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) তথ্যমতে, আগের অর্থবছরের তুলনায় এবার খরচ কমেছে প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকা। এত বড় ব্যবধানে ব্যয় হ্রাস অতীতে শুধু কোভিড শুরুর বছরে দেখা গিয়েছিল, তবে এবারের মতো তীব্র পতন হয়নি। সে সময়ের তুলনায় এবার প্রকল্প বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতা এবং সক্ষমতা আরও বড় প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
এই দুর্বল বাস্তবায়নের পেছনে একাধিক কারণ চিহ্নিত করেছেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। তাঁদের মতে, বছরের শুরুতেই রাজনৈতিক অস্থিরতা, ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও কারফিউ পরিস্থিতির ফলে বহু প্রকল্প বন্ধ ছিল। এরপর ক্ষমতার রদবদলের জেরে অনেক প্রকল্প পরিচালককে দায়িত্বে পাওয়া যায়নি। কিছু ঠিকাদার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এসব মিলিয়ে প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।
বিদায়ী অর্থবছরে এডিপি বা প্রকল্প বাস্তবায়নে সবচেয়ে খারাপ করেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ। এই বিভাগের ১৫টি প্রকল্পে অনুকূলে ২ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও শেষ পর্যন্ত খরচ হয়েছে মাত্র ৩৫০ কোটি টাকা, অর্থাৎ এ বিভাগের এডিপি বাস্তবায়ন হার মাত্র ১৫ শতাংশ। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ২১ শতাংশ, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ৩২ শতাংশ, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ও ভূমি মন্ত্রণালয় উভয়েই ৩৭ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে। অন্যদিকে, সবচেয়ে ভালো পারফরম্যান্স করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ, যা তাদের বরাদ্দের ৯৮ শতাংশ খরচ করেছে।
গত ২০ বছরে প্রকল্প বাস্তবায়নকারীরা সাধারণত এডিপির ৮০ থেকে ৯৮ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে। সেই তুলনায় এবারকার বাস্তবায়ন হার খুবই নিম্ন। কোভিড মহামারির শুরুতে কিছুটা কম হয়েছিল বাস্তবায়ন, তবে এত বড় ব্যবধান কখনো হয়নি।
আরও খবর পড়ুন:
২০২৫-২৬ অর্থবছরে পণ্য ও সেবা রপ্তানি থেকে ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এর মধ্যে পণ্যের রপ্তানি থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা খাত থেকে ৮.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান।
১৯ দিন আগেপাঁচ ধরনের করদাতাকে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থেকে ছাড় দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। অন্য সব করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গতকাল সোমবার এ-সংক্রান্ত বিশেষ আদেশ জারি করা হয়।
১৯ দিন আগেবিশ্ববাজারে চালের মূল্য ধারাবাহিকভাবে নেমে এলেও দেশের খুচরা বাজারে দাম কমছে না। এই অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেসরকারিভাবে পাঁচ লাখ টন চাল আমদানির জন্য ২৪২টি প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।
১৯ দিন আগেআজ দেশের মুদ্রাবাজারে প্রধান মুদ্রাগুলোর মধ্যে ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছে। ব্রিটিশ পাউন্ড স্টারলিংয়ের পাশাপাশি দাম কমেছে ইউরোরও। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত বৈদেশিক মুদ্রার দামের চেয়ে কিছুটা বেশি দামে খোলাবাজারে বিক্রি হয়। বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামার সঙ্গে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের খরচ ওঠানামা
১৯ দিন আগে