আজকের পত্রিকা ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরেই কথিত সন্ত্রাসবাদবিরোধী যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্র ইরানেও সামরিক হস্তক্ষেপ করেছে। চলতি সপ্তাহে মার্কিন যুদ্ধবিমান ইরানের অন্তত তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায়। যদিও শেষ পর্যন্ত এটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়নি।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০১ সাল থেকে বিভিন্ন যুদ্ধ-সংঘাতে আনুমানিক ৫ লাখ ৮০ হাজার কোটি ডলার ব্যয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর বাইরে আগামী ৩০ বছরে সাবেক সেনাদের চিকিৎসা ও অন্যান্য খাতে আরও অন্তত ২ লাখ ২০ হাজার কোটি ডলার ব্যয় হবে।
মার্কিন সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল ড্যান কেইন জানান, ২১ জুন দিবাগত রাতে ইরানে হামলে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাতটি বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান। প্রতিটি বিমানের দাম প্রায় ২১০ কোটি ডলার। এগুলো থেকে ইরানের ফোরদো ও নাতাঞ্জে অন্তত ১৪টি বাংকার ধ্বংসকারী বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এসব বোমার দামও কয়েক মিলিয়ন ডলারের বেশি। মোট ১২৫টির বেশি মার্কিন যুদ্ধবিমান এই অভিযানে অংশ নেয়। এগুলোর মধ্যে ছিল বোমারু বিমান, যুদ্ধবিমান, ট্যাংকার, নজরদারি বিমান ও সহায়তা দল। এসব পরিচালনা ও মোতায়েনের খরচ কয়েক শ কোটি ডলারের বেশি।
বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক খাতে সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করে। পরবর্তী ৯টি দেশের সম্মিলিত সামরিক বাজেটের চেয়ে বেশি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়। দেশটি চীনের তুলনায় প্রায় ৩ গুণ এবং রাশিয়ার তুলনায় প্রায় ৭ গুণ বেশি অর্থ ব্যয় করে।
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপরি) জানিয়েছে, ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক খাতে ৯৯৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। এটি বৈশ্বিক সামরিক ব্যয়ের ৩৭ শতাংশ।
ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ওয়াটসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০০১ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধগুলো আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সরাসরি প্রায় ৯ লাখ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটিয়েছে। এই পরিসংখ্যানে পরোক্ষ মৃত্যু অন্তর্ভুক্ত নয়। খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা ও যুদ্ধজনিত রোগবালাইয়ে এসব অঞ্চলে আরও ৩৬ থেকে ৩৮ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে এই যুদ্ধগুলোর কারণে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫ থেকে ৪৭ লাখে। একই সময়ে অন্তত ৩০ হাজার মার্কিন সেনা, ঠিকাদার ও মিত্র সেনার মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে রয়েছে ৭ হাজার ৫২ জন মার্কিন সেনা, ৮ হাজার ১৮৯ জন ঠিকাদার এবং ১৪ হাজার ৮৭৪ জন মিত্র সেনা।
২০০১ সালের ৭ অক্টোবর আফগানিস্তানে যুদ্ধ শুরু হয়। কথিত আল-কায়েদা নির্মূল ও তালেবান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে এই অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এর দুই বছরের কম সময়ের মাথায় ২০০৩ সালের ২০ মার্চ ইরাক যুদ্ধে নামে ওয়াশিংটন ও তার মিত্ররা।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান হচ্ছে প্রায় ২০ বছর ধরে চলা আফগানিস্তান যুদ্ধ। এতে আনুমানিক ২ লাখ ৪৩ হাজার মানুষের সরাসরি মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে ইরাক যুদ্ধে সরাসরি প্রাণহানির সংখ্যা ৩ লাখ ১৫ হাজার। ২০০১ সালের অক্টোবর থেকে ২০২১ সালের আগস্ট পর্যন্ত আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধে অন্তত ৫ লাখ ৫৮ হাজার মানুষের সরাসরি মৃত্যু হয়।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরেই কথিত সন্ত্রাসবাদবিরোধী যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্র ইরানেও সামরিক হস্তক্ষেপ করেছে। চলতি সপ্তাহে মার্কিন যুদ্ধবিমান ইরানের অন্তত তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায়। যদিও শেষ পর্যন্ত এটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়নি।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০১ সাল থেকে বিভিন্ন যুদ্ধ-সংঘাতে আনুমানিক ৫ লাখ ৮০ হাজার কোটি ডলার ব্যয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর বাইরে আগামী ৩০ বছরে সাবেক সেনাদের চিকিৎসা ও অন্যান্য খাতে আরও অন্তত ২ লাখ ২০ হাজার কোটি ডলার ব্যয় হবে।
মার্কিন সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল ড্যান কেইন জানান, ২১ জুন দিবাগত রাতে ইরানে হামলে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাতটি বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান। প্রতিটি বিমানের দাম প্রায় ২১০ কোটি ডলার। এগুলো থেকে ইরানের ফোরদো ও নাতাঞ্জে অন্তত ১৪টি বাংকার ধ্বংসকারী বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এসব বোমার দামও কয়েক মিলিয়ন ডলারের বেশি। মোট ১২৫টির বেশি মার্কিন যুদ্ধবিমান এই অভিযানে অংশ নেয়। এগুলোর মধ্যে ছিল বোমারু বিমান, যুদ্ধবিমান, ট্যাংকার, নজরদারি বিমান ও সহায়তা দল। এসব পরিচালনা ও মোতায়েনের খরচ কয়েক শ কোটি ডলারের বেশি।
বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক খাতে সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করে। পরবর্তী ৯টি দেশের সম্মিলিত সামরিক বাজেটের চেয়ে বেশি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়। দেশটি চীনের তুলনায় প্রায় ৩ গুণ এবং রাশিয়ার তুলনায় প্রায় ৭ গুণ বেশি অর্থ ব্যয় করে।
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপরি) জানিয়েছে, ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক খাতে ৯৯৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। এটি বৈশ্বিক সামরিক ব্যয়ের ৩৭ শতাংশ।
ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ওয়াটসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০০১ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধগুলো আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সরাসরি প্রায় ৯ লাখ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটিয়েছে। এই পরিসংখ্যানে পরোক্ষ মৃত্যু অন্তর্ভুক্ত নয়। খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা ও যুদ্ধজনিত রোগবালাইয়ে এসব অঞ্চলে আরও ৩৬ থেকে ৩৮ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে এই যুদ্ধগুলোর কারণে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫ থেকে ৪৭ লাখে। একই সময়ে অন্তত ৩০ হাজার মার্কিন সেনা, ঠিকাদার ও মিত্র সেনার মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে রয়েছে ৭ হাজার ৫২ জন মার্কিন সেনা, ৮ হাজার ১৮৯ জন ঠিকাদার এবং ১৪ হাজার ৮৭৪ জন মিত্র সেনা।
২০০১ সালের ৭ অক্টোবর আফগানিস্তানে যুদ্ধ শুরু হয়। কথিত আল-কায়েদা নির্মূল ও তালেবান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে এই অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এর দুই বছরের কম সময়ের মাথায় ২০০৩ সালের ২০ মার্চ ইরাক যুদ্ধে নামে ওয়াশিংটন ও তার মিত্ররা।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান হচ্ছে প্রায় ২০ বছর ধরে চলা আফগানিস্তান যুদ্ধ। এতে আনুমানিক ২ লাখ ৪৩ হাজার মানুষের সরাসরি মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে ইরাক যুদ্ধে সরাসরি প্রাণহানির সংখ্যা ৩ লাখ ১৫ হাজার। ২০০১ সালের অক্টোবর থেকে ২০২১ সালের আগস্ট পর্যন্ত আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধে অন্তত ৫ লাখ ৫৮ হাজার মানুষের সরাসরি মৃত্যু হয়।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে পণ্য ও সেবা রপ্তানি থেকে ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এর মধ্যে পণ্যের রপ্তানি থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা খাত থেকে ৮.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান।
১৭ দিন আগেপাঁচ ধরনের করদাতাকে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থেকে ছাড় দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। অন্য সব করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গতকাল সোমবার এ-সংক্রান্ত বিশেষ আদেশ জারি করা হয়।
১৭ দিন আগেবিশ্ববাজারে চালের মূল্য ধারাবাহিকভাবে নেমে এলেও দেশের খুচরা বাজারে দাম কমছে না। এই অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেসরকারিভাবে পাঁচ লাখ টন চাল আমদানির জন্য ২৪২টি প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।
১৭ দিন আগেআজ দেশের মুদ্রাবাজারে প্রধান মুদ্রাগুলোর মধ্যে ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছে। ব্রিটিশ পাউন্ড স্টারলিংয়ের পাশাপাশি দাম কমেছে ইউরোরও। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত বৈদেশিক মুদ্রার দামের চেয়ে কিছুটা বেশি দামে খোলাবাজারে বিক্রি হয়। বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামার সঙ্গে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের খরচ ওঠানামা
১৭ দিন আগে