Ajker Patrika

শুল্ক আলোচনায় বাণিজ্য উপদেষ্টা তাঁর ধাত প্রমাণ করেছেন: জ্বালানি উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান ও বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। ছবি: সংগৃহীত
জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান ও বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের জন্য শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ শুক্রবার অন্যান্য দেশের জন্য বিভিন্ন হারের পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য এই শুল্ক হার ঘোষণা করেন। হোয়াইট হাউসের এই ঘোষণাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আলোচনার পদ্ধতির জন্য একটি জয় বলে উল্লেখ করেছেন উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। সেই সঙ্গে বাণিজ্য উপদেষ্টার দক্ষতা ও যোগ্যতার প্রশংসা করেছেন তিনি।

তিনি এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আরও বিশদ তথ্য সামনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফাওজুল কবির লেখেন, ‘গত চার মাস ধরে, আইজি (অন্তর্বর্তী সরকার) বিভিন্ন দিক থেকে অবিরাম আক্রমণের মুখোমুখি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের পর থেকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে বাংলাদেশ যে ধারাবাহিক অগ্রগতি করেছে তা সত্ত্বেও। এখন যেহেতু আলোচনা বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক ফলাফলের সঙ্গে শেষ হয়েছে, আমি আশা করি এই সমালোচকেরা তাদের ভুল স্বীকার করতে প্রস্তুত।’

এ সময় বাণিজ্য উপদেষ্টা হিসেবে শেখ বশিরউদ্দীনের নিয়োগ এবং তাঁর অসামান্য কর্মদক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করে পৃথক স্ট্যাটাস দিয়েছেন ফাওজুল কবির। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার (সিএ) নির্দেশে শেখ বশিরের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা এবং পরবর্তীতে তাঁর সফলতার কথা লিখেছেন ফাওজুল কবির খান। তিনি সড়ক পরিবহন, সেতু বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ এবং রেল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত।

ফাওজুল কবির লেখেন, বাণিজ্য উপদেষ্টা পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্ব পান তিনি। ভোলায় একটি ব্যবসায়িক সফরে থাকাকালীন টেলিফোনে তাঁর সঙ্গে প্রথম কথা হয়। এরপর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে ওই তাঁর কার্যালয়ে শেখ বশিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়।

পূর্ব পরিচয় না থাকা সত্ত্বেও প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তাঁদের মধ্যে কথা হয়। শেখ বশিরউদ্দীন বিনয়ের সঙ্গে কার্যালয় থেকে দেওয়া আপ্যায়ন গ্রহণ করেননি। তাঁর দেশপ্রেম, আপসহীন দৃঢ়তা এবং তথ্য বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে অসাধারণ স্পষ্টতা ফাওজুল কবিরকে মুগ্ধ করে। তিনি শেখ বশিরউদ্দীন সম্পর্কে তাঁর ইতিবাচক ধারণা প্রধান উপদেষ্টাকে জানান। এরপর প্রধান উপদেষ্টা তাঁকে এই পদে যোগদানের প্রস্তাব দেন এবং তিনি তা সানন্দে গ্রহণ করেন।

ফাওজুল কবির লিখেছেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শেখ বশিরউদ্দীন তাঁর কর্মদক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। সমালোচনাকারীদের হতাশার মুখেও তিনি অভ্যন্তরীণ মূল্য স্থিতিশীলতা থেকে শুরু করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সফল শুল্ক আলোচনা পর্যন্ত, তিনি তাঁর ধাত (পারদর্শিতা) প্রমাণ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি আরও লেখেন, ‘আল্লাহ তাঁকে হায়াতে তাইয়েবা দান করুন, যাতে তিনি জনসেবায়, তা সরকারি বা বেসরকারি যে খানেই হোক, জাতির সেবা করে যেতে পারেন।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত