শরীয়তপুর প্রতিনিধি
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় নশাসন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন তালুকদারসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার নশাসন ইউনিয়নের ডগ্রী বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নশাসন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন তালুকদার (৬০), কাদির মুন্সি (৫৫), মাহবুব ফকির (৩৬) ও নুরুজ্জামান হাওলাদারকে (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ছিল প্রথম ধাপে শরীয়তপুরের নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। এই নির্বাচনে নড়িয়া উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এ কে এম ইসমাইল হক মোটরসাইকেল প্রতীকে নির্বাচন করে টানা পাঁচবারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সন্ধ্যার দিকে ইসমাইল হক পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁর সমর্থকেরা বিজয় মিছিল বের করেন। এ সময় মিছিলকারীরা পরাজিত প্রার্থী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মামুন সিকাদারের (ভিপি মোস্তফা) ঘোড়া প্রতীকের সমর্থক নশাসন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন তালুকদারের ওপর হামলা চালায়।
এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে ঘোড়া প্রতীকের সমর্থক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন তালুকদার ও কাদির মুন্সিসহ আরও কয়েকজন আহত হন। অন্যদিকে মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থক মাহবুব ফকির (৩৬) ও নুরুজ্জামান হাওলাদার (৪০) আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন তালুকদার, কাদির মুন্সি, মাহবুব ফকির ও নুরুজ্জামান হাওলাদারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে নড়িয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।
এ ঘটনায় চেয়ারম্যান দেলোয়ার তালুকদারের ফেসবুকে তাঁর আহত কয়েকটি ছবি পোস্ট করে লেখা হয়, ‘নড়িয়া উপজেলা নির্বাচনে, সন্ত্রাসী ইসমাইল হকের মোটরসাইকেল মার্কা নির্বাচিত হওয়ার পর ইসমাইলের নির্দেশে নশাসন ইউনিয়ন পরিষদের পাঁচবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন তালুকদার তাঁর নিজ বাড়িতে অবস্থান করাকালীন রতন মাস্টার, লিটন হাওলাদার, মাহবুব হাওলাদার, নুরজামাল হাওলাদার, আব্বাস ফকির, রুহুল আমিন ঢালি, মনির হাওলাদার, বোরহান খানসহ আরও অনেক লোক অতর্কিত হামলা করে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। আপনারা সবাই তাঁর জন্য দোয়া করবেন, তিনি যেন দ্রুত আমাদের মাঝে সুস্থ হয়ে ফিরে আসতে পারেন। এর বিচার নড়িয়াবাসীর ওপর ছেড়ে দিলাম।’
ইসমাইল হকের মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থক ও আহত মাহবুব ফকিরের ভাই হোসাইন ইসলাম জয় বলেন, ‘আমরা ২০-২৫ জন বিজয় মিছিল নিয়ে ডগ্রী বাজারে গেলে ভিপি মোস্তফার ঘোড়া প্রতীকের সমর্থক দেলোয়ার চেয়ারম্যান ও তাঁর লোকজন আমাদের ওপর হামলা করে। এতে আমার ভাইসহ অনেকে আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেনি। মামলা হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় নশাসন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন তালুকদারসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার নশাসন ইউনিয়নের ডগ্রী বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নশাসন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন তালুকদার (৬০), কাদির মুন্সি (৫৫), মাহবুব ফকির (৩৬) ও নুরুজ্জামান হাওলাদারকে (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ছিল প্রথম ধাপে শরীয়তপুরের নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। এই নির্বাচনে নড়িয়া উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এ কে এম ইসমাইল হক মোটরসাইকেল প্রতীকে নির্বাচন করে টানা পাঁচবারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সন্ধ্যার দিকে ইসমাইল হক পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁর সমর্থকেরা বিজয় মিছিল বের করেন। এ সময় মিছিলকারীরা পরাজিত প্রার্থী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মামুন সিকাদারের (ভিপি মোস্তফা) ঘোড়া প্রতীকের সমর্থক নশাসন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন তালুকদারের ওপর হামলা চালায়।
এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে ঘোড়া প্রতীকের সমর্থক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন তালুকদার ও কাদির মুন্সিসহ আরও কয়েকজন আহত হন। অন্যদিকে মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থক মাহবুব ফকির (৩৬) ও নুরুজ্জামান হাওলাদার (৪০) আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন তালুকদার, কাদির মুন্সি, মাহবুব ফকির ও নুরুজ্জামান হাওলাদারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে নড়িয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।
এ ঘটনায় চেয়ারম্যান দেলোয়ার তালুকদারের ফেসবুকে তাঁর আহত কয়েকটি ছবি পোস্ট করে লেখা হয়, ‘নড়িয়া উপজেলা নির্বাচনে, সন্ত্রাসী ইসমাইল হকের মোটরসাইকেল মার্কা নির্বাচিত হওয়ার পর ইসমাইলের নির্দেশে নশাসন ইউনিয়ন পরিষদের পাঁচবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন তালুকদার তাঁর নিজ বাড়িতে অবস্থান করাকালীন রতন মাস্টার, লিটন হাওলাদার, মাহবুব হাওলাদার, নুরজামাল হাওলাদার, আব্বাস ফকির, রুহুল আমিন ঢালি, মনির হাওলাদার, বোরহান খানসহ আরও অনেক লোক অতর্কিত হামলা করে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। আপনারা সবাই তাঁর জন্য দোয়া করবেন, তিনি যেন দ্রুত আমাদের মাঝে সুস্থ হয়ে ফিরে আসতে পারেন। এর বিচার নড়িয়াবাসীর ওপর ছেড়ে দিলাম।’
ইসমাইল হকের মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থক ও আহত মাহবুব ফকিরের ভাই হোসাইন ইসলাম জয় বলেন, ‘আমরা ২০-২৫ জন বিজয় মিছিল নিয়ে ডগ্রী বাজারে গেলে ভিপি মোস্তফার ঘোড়া প্রতীকের সমর্থক দেলোয়ার চেয়ারম্যান ও তাঁর লোকজন আমাদের ওপর হামলা করে। এতে আমার ভাইসহ অনেকে আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেনি। মামলা হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছেন বিএনপি নেতা। সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগে গাজীপুর আদালতে এ মামলা করেছেন তিনি।
১৭ দিন আগেলক্ষ্মীপুরে রামগতিতে নৌকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ফারুক হোসেন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন দুজন। এখনো চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারুক হোসেন মারা যান।
১৭ দিন আগেদুই বছর আগে ফেনী পৌরসভার সুমাইয়া হোসেন আনিকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং ও গ্রাফিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন অনলাইন প্রতিষ্ঠানে চাকরির চেষ্টা করেও সফল হননি। এখন স্বামীর অনলাইন ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। আনিকা বলেন, ‘প্রশিক্ষণ পেয়েছি, কিন্তু কাজের সুযোগ খুবই কম।’ আনিকার
১৭ দিন আগেচট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলন দমাতে টাকা দাবির ভিডিও ভাইরালের পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম নগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিনকে কেন্দ্র থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তাঁর লিখিত ব্যাখা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দলকে জানানো কথা বলা হয়েছে।
১৮ দিন আগে