ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
আধুনিকতার রঙিন ঝলকানির ভিড়ে যখন বিয়ের বাহন হিসেবে হেলিকপ্টার বা বিলাসবহুল গাড়িই মুখ্য হয়ে উঠেছে, তখন ঠাকুরগাঁওয়ের এক তরুণ আয়োজন করলেন একেবারে ভিন্ন কিছু। গ্ল্যামারের ছায়া পেরিয়ে ফিরে গেলেন অতীতের সেই দিনগুলোতে—যখন পালকি আর গরুর গাড়ি ছিল বিয়ের অন্যতম অনুষঙ্গ।
হরিপুর উপজেলার খাকড়তলা গ্রামের আনিসুজ্জামান শুভর এমন আয়োজনে মিশে আছে আবেগ, স্মৃতি আর শিকড়ের টান। প্রয়াত বাবা শফিকুর রহমানের শেষ ইচ্ছা ছিল—ছেলের বিয়ে হোক পুরোনো দিনের স্টাইলে। সেই ইচ্ছাপূরণে শুভ বেছে নিলেন পালকি আর ঘোড়ার গাড়ি। বরযাত্রায় যোগ দিল ১২টি গরু-মহিষের গাড়ি। বরযাত্রীদের গন্তব্য ছিল যাদুরানীর শাহাবুদ্দিনের মেয়ে রিপার বাড়ি।
এই ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখতে ভিড় জমায় আশপাশের গ্রামের শত শত মানুষ। কেউ কেউ মোবাইল ফোনে বন্দী করেন দৃশ্য, কেউ আবার আবেগভরে বলেন, ‘এই তো আমাদের ছেলেবেলা! এমন বিয়ে তো ৪০ বছর আগে হতো।’
শুভর মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘স্বামীর শেষ ইচ্ছাই ছিল এমন এক বিয়ের আয়োজন। তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই এমন আয়োজন করেছি।’
বিয়ের দিনে শুধু বাহনেই চমক নয়, ছিল হৃদয়ের উষ্ণতাও। বউভাতের আয়োজনে আমন্ত্রিত হাজারখানেক মানুষ। কেউ নিয়ে আসেননি কোনো উপহার, খাম কিংবা গিফট প্যাকেট। তবু অতিথিদের আপ্যায়নে ছিল না কোনো কমতি।
কনে রিপা বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকেই পালকির স্বপ্ন দেখতাম। শুভর সঙ্গে সেই স্বপ্নটা পূরণ হলো।’ এই আয়োজন শুধু অতিথিদের নয়, প্রাণ জুগিয়েছে ঘোড়ার গাড়ির চালক ও পালকির বাহকদেরও। তাঁদের মতে, ‘অনেক দিন পর এমন আয়োজনে আমাদের প্রয়োজন পড়ল। ভালো লাগছে।’
২ নম্বর আমগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হবিবর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘এখনকার দিনে এমন বিয়ে আর দেখা যায় না। এই আয়োজন নতুন প্রজন্মকে আমাদের সংস্কৃতির শিকড়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে।’
আনিসুজ্জামান শুভর এই উদ্যোগ যেন একবারে নিছক বিয়ে নয়, বরং বাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে ফিরে পাওয়ার একটি প্রতীক। প্রযুক্তিনির্ভর যুগেও শিকড়কে আঁকড়ে ধরার এই চেষ্টাই বলে দেয়—বাঙালির সংস্কৃতি এখনো বেঁচে আছে, বুকভরে নিশ্বাস নিতে জানে।
আধুনিকতার রঙিন ঝলকানির ভিড়ে যখন বিয়ের বাহন হিসেবে হেলিকপ্টার বা বিলাসবহুল গাড়িই মুখ্য হয়ে উঠেছে, তখন ঠাকুরগাঁওয়ের এক তরুণ আয়োজন করলেন একেবারে ভিন্ন কিছু। গ্ল্যামারের ছায়া পেরিয়ে ফিরে গেলেন অতীতের সেই দিনগুলোতে—যখন পালকি আর গরুর গাড়ি ছিল বিয়ের অন্যতম অনুষঙ্গ।
হরিপুর উপজেলার খাকড়তলা গ্রামের আনিসুজ্জামান শুভর এমন আয়োজনে মিশে আছে আবেগ, স্মৃতি আর শিকড়ের টান। প্রয়াত বাবা শফিকুর রহমানের শেষ ইচ্ছা ছিল—ছেলের বিয়ে হোক পুরোনো দিনের স্টাইলে। সেই ইচ্ছাপূরণে শুভ বেছে নিলেন পালকি আর ঘোড়ার গাড়ি। বরযাত্রায় যোগ দিল ১২টি গরু-মহিষের গাড়ি। বরযাত্রীদের গন্তব্য ছিল যাদুরানীর শাহাবুদ্দিনের মেয়ে রিপার বাড়ি।
এই ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখতে ভিড় জমায় আশপাশের গ্রামের শত শত মানুষ। কেউ কেউ মোবাইল ফোনে বন্দী করেন দৃশ্য, কেউ আবার আবেগভরে বলেন, ‘এই তো আমাদের ছেলেবেলা! এমন বিয়ে তো ৪০ বছর আগে হতো।’
শুভর মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘স্বামীর শেষ ইচ্ছাই ছিল এমন এক বিয়ের আয়োজন। তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই এমন আয়োজন করেছি।’
বিয়ের দিনে শুধু বাহনেই চমক নয়, ছিল হৃদয়ের উষ্ণতাও। বউভাতের আয়োজনে আমন্ত্রিত হাজারখানেক মানুষ। কেউ নিয়ে আসেননি কোনো উপহার, খাম কিংবা গিফট প্যাকেট। তবু অতিথিদের আপ্যায়নে ছিল না কোনো কমতি।
কনে রিপা বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকেই পালকির স্বপ্ন দেখতাম। শুভর সঙ্গে সেই স্বপ্নটা পূরণ হলো।’ এই আয়োজন শুধু অতিথিদের নয়, প্রাণ জুগিয়েছে ঘোড়ার গাড়ির চালক ও পালকির বাহকদেরও। তাঁদের মতে, ‘অনেক দিন পর এমন আয়োজনে আমাদের প্রয়োজন পড়ল। ভালো লাগছে।’
২ নম্বর আমগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হবিবর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘এখনকার দিনে এমন বিয়ে আর দেখা যায় না। এই আয়োজন নতুন প্রজন্মকে আমাদের সংস্কৃতির শিকড়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে।’
আনিসুজ্জামান শুভর এই উদ্যোগ যেন একবারে নিছক বিয়ে নয়, বরং বাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে ফিরে পাওয়ার একটি প্রতীক। প্রযুক্তিনির্ভর যুগেও শিকড়কে আঁকড়ে ধরার এই চেষ্টাই বলে দেয়—বাঙালির সংস্কৃতি এখনো বেঁচে আছে, বুকভরে নিশ্বাস নিতে জানে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছেন বিএনপি নেতা। সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগে গাজীপুর আদালতে এ মামলা করেছেন তিনি।
১৮ দিন আগেলক্ষ্মীপুরে রামগতিতে নৌকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ফারুক হোসেন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন দুজন। এখনো চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারুক হোসেন মারা যান।
১৮ দিন আগেদুই বছর আগে ফেনী পৌরসভার সুমাইয়া হোসেন আনিকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং ও গ্রাফিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন অনলাইন প্রতিষ্ঠানে চাকরির চেষ্টা করেও সফল হননি। এখন স্বামীর অনলাইন ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। আনিকা বলেন, ‘প্রশিক্ষণ পেয়েছি, কিন্তু কাজের সুযোগ খুবই কম।’ আনিকার
১৮ দিন আগেচট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলন দমাতে টাকা দাবির ভিডিও ভাইরালের পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম নগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিনকে কেন্দ্র থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তাঁর লিখিত ব্যাখা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দলকে জানানো কথা বলা হয়েছে।
১৮ দিন আগে