নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
ইউনিয়ন পরিষদে ঝুঁকিপূর্ণ নারী উন্নয়ন কর্মসূচির (ভিজিডি) মোট কার্ড এসেছে ৪০০টি। এর মধ্যে বিএনপি ৩০০টি আর জামায়াতে ইসলামী ৯০টি কার্ড নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে আজ বুধবার রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে নালিশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
উপজেলার বেলপুকুর ইউপির ভিজিডি কার্ড বরাদ্দ নিয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে। জোর করে পদত্যাগ করানো কিংবা মারধরের ভয়ে ইউপি কার্যালয়ে যাননি চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান। এনসিপির নেতারা তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিতের আশ্বাস দিয়েও আজ তাঁকে ইউপি কার্যালয়ে নিয়ে যেতে পারেননি। বদিউজ্জামান আওয়ামী লীগের নেতা।
আজ সকালে কয়েকজন নেতা-কর্মীকে নিয়ে এনসিপির রাজশাহী জেলা সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী শামীমা সুলতানা মায়া ইউএনও এ কে এম নূর হোসেন নির্ঝরের কার্যালয়ে যান। তিনি অভিযোগ করেন, বেলপুকুরে ভিজিডির কার্ড ভাগাভাগি হয়ে গেছে। এতে প্রকৃত দুস্থরা বঞ্চিত হবেন। তিনি এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ইএনওর প্রতি অনুরোধ জানান। পরে ইউএনওর কার্যালয় থেকে বেরিয়ে এসে শামীমা ইউপি চেয়ারম্যান বদিউজ্জামানকে ফোন করেন। এ সময় চেয়ারম্যান তাঁকে বলেন, বিএনপি-জামায়াত কার্ড ভাগাভাগি করে নিয়েছে। তিনি ভয়ে ইউপি কার্যালয়ে যাননি। এ সময় শামীমা তাঁকে আশ্বাস দেন, তিনি পুলিশ নিয়ে যাচ্ছেন। চেয়ারম্যানও যেন আসেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চেয়ারম্যান যাননি।
ইউএনওর কার্যালয় থেকে বেরিয়ে এনসিপি নেত্রী শামীমা সুলতানা মায়া বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত নাকি বেলপুকুর ইউপির সব কার্ড ভাগাভাগি করে নিয়েছে। চেয়ারম্যানকে চাপ প্রয়োগ করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? এই জুলাই অভ্যুত্থানের পরও কেন স্বৈরাচারী ব্যবস্থা থাকবে? সে জন্যই আমরা অভিযোগ জানাতে এসেছিলাম।’
যোগাযোগ করা হলে ইউপি চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান বলেন, ‘আমার ৯টা ওয়ার্ডের জন্য কার্ড এসেছে ৪০০টি। এই কার্ডের জন্য ১ হাজার ৬৫৭ জন আবেদন করেছেন। প্রতিটি ওয়ার্ডের সদস্যরা যাচাই-বাছাই করে তালিকা ইউনিয়ন কমিটিতে আনার কথা। ইউনিয়ন কমিটি এই তালিকা উপজেলা কমিটিতে অনুমোদনের জন্য পাঠাবে। কিন্তু আমরা সেটা পারিনি।’ তিনি জানান, কয়েক দিন ধরেই বিএনপি-জামায়াতের নেতারা এসে তালিকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। ফলে তালিকা করা কঠিন হয়ে যাচ্ছিল। পাঁচ-সাত দিন আগেই সময় শেষ হয়ে গেলেও তিনি তালিকা করতে পারেননি। তিনি ইউএনওকে বলে দিয়েছিলেন, উপজেলায় লটারি করার জন্য। এর মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম ইউএনওর কাছে যান। তিনি লটারি না করে সমঝোতার মাধ্যমে তালিকা করার অনুমতি নিয়ে আসেন। এরপর তাঁরা সবাই মিলে বসে তালিকা চূড়ান্ত করেন। চেয়ারম্যান আরও জানান, ৪০০ জন উপকারভোগী হিসেবে নির্বাচত হবেন। তবে অপেক্ষমাণ আরও ৪০ ধরে ৪৪০ জনের তালিকা দিতে হয়। বিএনপি-জামায়াত নেতারা সিদ্ধান্ত নেন, বিএনপি ৩০০ জনের তালিকা দেবে। আর ৯০ জনের তালিকা দেবে জামায়াত। ইউপি সদস্যরা চারটি করে কার্ড পাবেন। সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরা পাবেন একটি করে। আর কয়েকটা কার্ড গ্রাম পুলিশ, দফাদার ও ইমামদের জন্য চেয়ারম্যান পাবেন। এমন সিদ্ধান্তের পর ইউপি সদস্যরা হতাশ হয়ে পড়েন। তিনি নিজেও হতাশ হন।
বদিউজ্জামান বলেন, ‘হতাশ হয়ে কাল থেকে বাড়িতে আছি। এর মধ্যেই আমাকে বিভিন্নজন ফোন করে বলেছে যে কাল কারা যেন পরিষদে আসবে। কার্ড ভাগাভাগি করে দেওয়ার জন্য আমাকে জোর করে পদত্যাগ করাবে। পরিষদ থেকে তাড়িয়ে দেবে। লাঞ্ছিত হওয়ার ভয়ে আজ পরিষদে যাইনি। সকালে ২০-২৫ জন পরিষদে গিয়ে সবাইকে তালা দিয়ে চলে যেতে বলে। ভয়ে কর্মচারীরা তালা দিয়ে বের হয়ে যায়। আমি ইউএনওকে আবার লটারি করে দেওয়ার জন্য বলেছি। এখন লটারিই হবে।’
জানা গেছে, এই ভাগাভাগিতে বিএনপির পক্ষে ছিলেন ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু বাক্কার, আর জামায়াতের পক্ষে ছিলেন দলটির নেতা ও শিক্ষক ফাইসুল ইসলাম। বিএনপি নেতা আবু বাক্কার বলেন, ‘আমরা তো সবাই মিলেই ভাগযোগ করলাম। সবাই মেনে নিলাম। জামায়াতের যে চাহিদা ছিল ৯০টা, সেটিও দেওয়া হয়েছে। এখন কে ঝামেলা করছে, তা তো জানি না।’ বিষয়টি নিয়ে জামায়াত নেতা ফাইসুলের সঙ্গে কথা বলা যায়নি।
পুঠিয়ার ইউএনও এ কে এম নূর হোসেন নির্ঝর বলেন, ‘কার্ডের যে ভাগাভাগি, সেটা এনসিপি চায় না। সেই দাবি নিয়ে তারা আমার কাছে এসেছিল। আমি বলেছি, ইউনিয়ন পরিষদ যদি না পারে, তাহলে লটারি হবে। ইউনিয়ন যাচাই-বাছাই কমিটি আমাদের লিখিতভাবে জানালে উপজেলা কমিটি লটারি করার ব্যবস্থা নেবে। তখন আর কোনো সমস্যা হবে না।’
ইউনিয়ন পরিষদে ঝুঁকিপূর্ণ নারী উন্নয়ন কর্মসূচির (ভিজিডি) মোট কার্ড এসেছে ৪০০টি। এর মধ্যে বিএনপি ৩০০টি আর জামায়াতে ইসলামী ৯০টি কার্ড নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে আজ বুধবার রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে নালিশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
উপজেলার বেলপুকুর ইউপির ভিজিডি কার্ড বরাদ্দ নিয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে। জোর করে পদত্যাগ করানো কিংবা মারধরের ভয়ে ইউপি কার্যালয়ে যাননি চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান। এনসিপির নেতারা তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিতের আশ্বাস দিয়েও আজ তাঁকে ইউপি কার্যালয়ে নিয়ে যেতে পারেননি। বদিউজ্জামান আওয়ামী লীগের নেতা।
আজ সকালে কয়েকজন নেতা-কর্মীকে নিয়ে এনসিপির রাজশাহী জেলা সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী শামীমা সুলতানা মায়া ইউএনও এ কে এম নূর হোসেন নির্ঝরের কার্যালয়ে যান। তিনি অভিযোগ করেন, বেলপুকুরে ভিজিডির কার্ড ভাগাভাগি হয়ে গেছে। এতে প্রকৃত দুস্থরা বঞ্চিত হবেন। তিনি এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ইএনওর প্রতি অনুরোধ জানান। পরে ইউএনওর কার্যালয় থেকে বেরিয়ে এসে শামীমা ইউপি চেয়ারম্যান বদিউজ্জামানকে ফোন করেন। এ সময় চেয়ারম্যান তাঁকে বলেন, বিএনপি-জামায়াত কার্ড ভাগাভাগি করে নিয়েছে। তিনি ভয়ে ইউপি কার্যালয়ে যাননি। এ সময় শামীমা তাঁকে আশ্বাস দেন, তিনি পুলিশ নিয়ে যাচ্ছেন। চেয়ারম্যানও যেন আসেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চেয়ারম্যান যাননি।
ইউএনওর কার্যালয় থেকে বেরিয়ে এনসিপি নেত্রী শামীমা সুলতানা মায়া বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত নাকি বেলপুকুর ইউপির সব কার্ড ভাগাভাগি করে নিয়েছে। চেয়ারম্যানকে চাপ প্রয়োগ করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? এই জুলাই অভ্যুত্থানের পরও কেন স্বৈরাচারী ব্যবস্থা থাকবে? সে জন্যই আমরা অভিযোগ জানাতে এসেছিলাম।’
যোগাযোগ করা হলে ইউপি চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান বলেন, ‘আমার ৯টা ওয়ার্ডের জন্য কার্ড এসেছে ৪০০টি। এই কার্ডের জন্য ১ হাজার ৬৫৭ জন আবেদন করেছেন। প্রতিটি ওয়ার্ডের সদস্যরা যাচাই-বাছাই করে তালিকা ইউনিয়ন কমিটিতে আনার কথা। ইউনিয়ন কমিটি এই তালিকা উপজেলা কমিটিতে অনুমোদনের জন্য পাঠাবে। কিন্তু আমরা সেটা পারিনি।’ তিনি জানান, কয়েক দিন ধরেই বিএনপি-জামায়াতের নেতারা এসে তালিকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। ফলে তালিকা করা কঠিন হয়ে যাচ্ছিল। পাঁচ-সাত দিন আগেই সময় শেষ হয়ে গেলেও তিনি তালিকা করতে পারেননি। তিনি ইউএনওকে বলে দিয়েছিলেন, উপজেলায় লটারি করার জন্য। এর মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম ইউএনওর কাছে যান। তিনি লটারি না করে সমঝোতার মাধ্যমে তালিকা করার অনুমতি নিয়ে আসেন। এরপর তাঁরা সবাই মিলে বসে তালিকা চূড়ান্ত করেন। চেয়ারম্যান আরও জানান, ৪০০ জন উপকারভোগী হিসেবে নির্বাচত হবেন। তবে অপেক্ষমাণ আরও ৪০ ধরে ৪৪০ জনের তালিকা দিতে হয়। বিএনপি-জামায়াত নেতারা সিদ্ধান্ত নেন, বিএনপি ৩০০ জনের তালিকা দেবে। আর ৯০ জনের তালিকা দেবে জামায়াত। ইউপি সদস্যরা চারটি করে কার্ড পাবেন। সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরা পাবেন একটি করে। আর কয়েকটা কার্ড গ্রাম পুলিশ, দফাদার ও ইমামদের জন্য চেয়ারম্যান পাবেন। এমন সিদ্ধান্তের পর ইউপি সদস্যরা হতাশ হয়ে পড়েন। তিনি নিজেও হতাশ হন।
বদিউজ্জামান বলেন, ‘হতাশ হয়ে কাল থেকে বাড়িতে আছি। এর মধ্যেই আমাকে বিভিন্নজন ফোন করে বলেছে যে কাল কারা যেন পরিষদে আসবে। কার্ড ভাগাভাগি করে দেওয়ার জন্য আমাকে জোর করে পদত্যাগ করাবে। পরিষদ থেকে তাড়িয়ে দেবে। লাঞ্ছিত হওয়ার ভয়ে আজ পরিষদে যাইনি। সকালে ২০-২৫ জন পরিষদে গিয়ে সবাইকে তালা দিয়ে চলে যেতে বলে। ভয়ে কর্মচারীরা তালা দিয়ে বের হয়ে যায়। আমি ইউএনওকে আবার লটারি করে দেওয়ার জন্য বলেছি। এখন লটারিই হবে।’
জানা গেছে, এই ভাগাভাগিতে বিএনপির পক্ষে ছিলেন ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু বাক্কার, আর জামায়াতের পক্ষে ছিলেন দলটির নেতা ও শিক্ষক ফাইসুল ইসলাম। বিএনপি নেতা আবু বাক্কার বলেন, ‘আমরা তো সবাই মিলেই ভাগযোগ করলাম। সবাই মেনে নিলাম। জামায়াতের যে চাহিদা ছিল ৯০টা, সেটিও দেওয়া হয়েছে। এখন কে ঝামেলা করছে, তা তো জানি না।’ বিষয়টি নিয়ে জামায়াত নেতা ফাইসুলের সঙ্গে কথা বলা যায়নি।
পুঠিয়ার ইউএনও এ কে এম নূর হোসেন নির্ঝর বলেন, ‘কার্ডের যে ভাগাভাগি, সেটা এনসিপি চায় না। সেই দাবি নিয়ে তারা আমার কাছে এসেছিল। আমি বলেছি, ইউনিয়ন পরিষদ যদি না পারে, তাহলে লটারি হবে। ইউনিয়ন যাচাই-বাছাই কমিটি আমাদের লিখিতভাবে জানালে উপজেলা কমিটি লটারি করার ব্যবস্থা নেবে। তখন আর কোনো সমস্যা হবে না।’
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছেন বিএনপি নেতা। সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগে গাজীপুর আদালতে এ মামলা করেছেন তিনি।
১৭ দিন আগেলক্ষ্মীপুরে রামগতিতে নৌকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ফারুক হোসেন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন দুজন। এখনো চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারুক হোসেন মারা যান।
১৭ দিন আগেদুই বছর আগে ফেনী পৌরসভার সুমাইয়া হোসেন আনিকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং ও গ্রাফিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন অনলাইন প্রতিষ্ঠানে চাকরির চেষ্টা করেও সফল হননি। এখন স্বামীর অনলাইন ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। আনিকা বলেন, ‘প্রশিক্ষণ পেয়েছি, কিন্তু কাজের সুযোগ খুবই কম।’ আনিকার
১৭ দিন আগেচট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলন দমাতে টাকা দাবির ভিডিও ভাইরালের পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম নগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিনকে কেন্দ্র থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তাঁর লিখিত ব্যাখা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দলকে জানানো কথা বলা হয়েছে।
১৭ দিন আগে