শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি
গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হয়েছেন শরিফুল মোল্লা (৪৫) নামের এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪ জন। আজ শনিবার সকালে মাগুরার শালিখা উপজেলার সাবলাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন একই গ্রামের মোহাব্বত মোল্লা, আনিসুর রহমান, বদর মোল্লা, রাজীব হোসেন।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শালিখা উপজেলার তালখড়ি ইউনিয়নের সাবলাট গ্রামের মানুষ দুই গ্রুপে বিভক্ত। একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দেন আইয়ুব হোসেন (বিডিআর) এবং অন্য গ্রুপের নেতৃত্বে ছবেদ মোল্লা-মোহাব্বত মোল্লা। সাবলাট গ্রামে কয়েক বছর ধরে দুই গ্রুপের হামলা-মামলা চলে আসছে।
নিহত শরিফুলের ভাতিজা ওমর আলী মোল্লা বলেন, ‘গত মাসে ইউপি নির্বাচনে আমরা নৌকার পক্ষে সমর্থন দিয়েছি, প্রতিপক্ষরা বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক ছিল। নির্বাচনের পর থেকেই প্রতিপক্ষ আমার চাচা মোহাব্বত মোল্লাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করে আসছিল। আজ সকাল ১০ দিকে আমার চাচা বাড়ির পাশের দোকানে ছাগলের খাবার (ভুসি) আনতে যায়। এ সময় আইয়ুব হোসেন (বিডিআর) দলের তাইজেল মোল্লার নেতৃত্বে মেসের শিকদার, শাকিম বিশ্বাসসহ ৪০-৫০ জন দেশীয় অস্ত্র, রামদা, সরকি, চাইনিজ কুড়াল ও রডের শাবল দিয়ে তার ওপর আক্রমণ করে। এ সময় আমার চাচা শরিফুল কে বাঁচাতে মোহাব্বত মোল্লা, আনিসুর, বদর, রাজিব এগিয়ে গেলে তাদেরও এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। আহতরা এখন যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আর শরিফুল মোল্লাকে যশোর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।’
আজ সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মাগুরা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার (শালিখা সার্কেল) হাফিজুর রহমান, শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারক বিশ্বাস।
মাগুরা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল হাসান বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমরা তথ্য পেয়েছি শরিফুল মোল্লা (৪৫) নিহত হয়েছেন আর ৪ জন আহত হয়েছেন। জানতে পেরেছি আহতরা সবাই যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’
অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘হামলায় অংশ নেওয়া ৪ জনকে শনাক্ত করেছি ও দুজনকে আটক করেছি। মামলা তদন্তের স্বার্থে নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। আসামি ধরতে এখনো অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হয়েছেন শরিফুল মোল্লা (৪৫) নামের এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪ জন। আজ শনিবার সকালে মাগুরার শালিখা উপজেলার সাবলাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন একই গ্রামের মোহাব্বত মোল্লা, আনিসুর রহমান, বদর মোল্লা, রাজীব হোসেন।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শালিখা উপজেলার তালখড়ি ইউনিয়নের সাবলাট গ্রামের মানুষ দুই গ্রুপে বিভক্ত। একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দেন আইয়ুব হোসেন (বিডিআর) এবং অন্য গ্রুপের নেতৃত্বে ছবেদ মোল্লা-মোহাব্বত মোল্লা। সাবলাট গ্রামে কয়েক বছর ধরে দুই গ্রুপের হামলা-মামলা চলে আসছে।
নিহত শরিফুলের ভাতিজা ওমর আলী মোল্লা বলেন, ‘গত মাসে ইউপি নির্বাচনে আমরা নৌকার পক্ষে সমর্থন দিয়েছি, প্রতিপক্ষরা বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক ছিল। নির্বাচনের পর থেকেই প্রতিপক্ষ আমার চাচা মোহাব্বত মোল্লাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করে আসছিল। আজ সকাল ১০ দিকে আমার চাচা বাড়ির পাশের দোকানে ছাগলের খাবার (ভুসি) আনতে যায়। এ সময় আইয়ুব হোসেন (বিডিআর) দলের তাইজেল মোল্লার নেতৃত্বে মেসের শিকদার, শাকিম বিশ্বাসসহ ৪০-৫০ জন দেশীয় অস্ত্র, রামদা, সরকি, চাইনিজ কুড়াল ও রডের শাবল দিয়ে তার ওপর আক্রমণ করে। এ সময় আমার চাচা শরিফুল কে বাঁচাতে মোহাব্বত মোল্লা, আনিসুর, বদর, রাজিব এগিয়ে গেলে তাদেরও এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। আহতরা এখন যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আর শরিফুল মোল্লাকে যশোর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।’
আজ সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মাগুরা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার (শালিখা সার্কেল) হাফিজুর রহমান, শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারক বিশ্বাস।
মাগুরা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল হাসান বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমরা তথ্য পেয়েছি শরিফুল মোল্লা (৪৫) নিহত হয়েছেন আর ৪ জন আহত হয়েছেন। জানতে পেরেছি আহতরা সবাই যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’
অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘হামলায় অংশ নেওয়া ৪ জনকে শনাক্ত করেছি ও দুজনকে আটক করেছি। মামলা তদন্তের স্বার্থে নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। আসামি ধরতে এখনো অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছেন বিএনপি নেতা। সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগে গাজীপুর আদালতে এ মামলা করেছেন তিনি।
১৮ দিন আগেলক্ষ্মীপুরে রামগতিতে নৌকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ফারুক হোসেন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন দুজন। এখনো চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারুক হোসেন মারা যান।
১৮ দিন আগেদুই বছর আগে ফেনী পৌরসভার সুমাইয়া হোসেন আনিকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং ও গ্রাফিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন অনলাইন প্রতিষ্ঠানে চাকরির চেষ্টা করেও সফল হননি। এখন স্বামীর অনলাইন ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। আনিকা বলেন, ‘প্রশিক্ষণ পেয়েছি, কিন্তু কাজের সুযোগ খুবই কম।’ আনিকার
১৮ দিন আগেচট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলন দমাতে টাকা দাবির ভিডিও ভাইরালের পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম নগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিনকে কেন্দ্র থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তাঁর লিখিত ব্যাখা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দলকে জানানো কথা বলা হয়েছে।
১৮ দিন আগে