আব্বাছ হোসেন, লক্ষ্মীপুর
বন্যার কবলে লক্ষ্মীপুরের ৫ উপজেলার বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকায় পানিবন্দী বাসিন্দাদের মাঝে দেখা দিচ্ছে ডায়রিয়া, জ্বর, সর্দি ও চর্মরোগসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের প্রকোপ। এতে হাসপাতালগুলোয় বেড়েছে রোগীর চাপ। শয্যা সংকটে মেঝেতে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছে অনেক রোগী। আক্রান্তদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।
চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন নার্স ও চিকিৎসকেরা। সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোয় স্যালাইনসহ ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে রোগীদের।
আজ শনিবার বিকেলে ১০০ শয্যার সদর হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা যায়, ১৫ বেডের শিশু ওয়ার্ড। যেখানে ১৫ শিশু ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেওয়ার কথা। অথচ সেখানে ভর্তি রয়েছে ১০৩ জন। একই চিত্র গাইনি, মেডিসিন ও সার্জারিসহ প্রতিটি বিভাগের। অনেকেই বেড না পাওয়ায় বারান্দায় ও ফ্লোরে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
গত ৫ দিন ধরে রোগীর চাপ বাড়ছে কয়েক গুণ। অর্থাৎ বন্যার পানি কমায় পানিবাহিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে হু হু করে। সদর হাসপাতালের বেডসংখ্যা ১০০। কিন্তু বর্তমানে ভর্তি রয়েছে ৩৭৬ জন। এর মধ্যে বেশির ভাগই পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত।
এ সময় কথা হয়, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি ৭ মাসের শিশু মিরাজ হোসেনের মা তাসলিমা আক্তারের সঙ্গে। তিনি বলেন, দুই দিন ধরে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে এক বেডে ভাগ করে দুই রোগীর সঙ্গে ৭ মাসের শিশু মিরাজকে রয়েছি। অনেক কষ্ট হচ্ছে। এদিকে গত ১০ দিন ধরে বাড়িতে হাঁটু পরিমাণ পানিবন্দী আছি। টয়লেট ও বন্যার দূষিত নোংরা ময়লা পানি একাকার। এতে মিরাজ জ্বর আর ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়।
পরে হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখনো সুস্থ হয়নি।
একই কথা বলেন শিশু ওয়ার্ডের তাসনুন আরার বাবা খোকন হোসেন, দিঘলী রুহুল আমিন ও চররুহিতার আজাদ হোসেনসহ অনেকের সঙ্গে। তারা অভিযোগ করে বলেন, বন্যার পানিতে বাড়িতে বসবাস করার সুযোগ নাই। সন্তানদের নিয়ে হাসপাতালে এসেছি। সেখানেও দুর্ভোগের শেষ নেই। ওষুধ ও স্যালাইনের তীব্র সংকট রয়েছে। প্রতিনিয়ত বাড়ছে পানিবাহিত রোগীর সংখ্যা। চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গত এক সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ৮০০ থেকে ১০০০ রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ডায়রিয়া বিভাগের ইনচার্জ লিলু রানী দাস বলেন, ‘গত তিন দিনে ৩ শতাধিক ডায়রিয়া ও জ্বর নিয়ে রোগী ভর্তি হয়েছে। যেভাবে রোগী ভর্তি হচ্ছে তারা সবাই বন্যা কবলিত এলাকার বাসিন্দা। গত তিন দিনে গণহারে ডায়রিয়া, জ্বর নিয়ে রোগী ভর্তি হচ্ছে। ১৫ জনের বেড তো খালি নেই। মেঝেতেও হাঁটার জায়গা নেই। চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. অরুপ পাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, বন্যার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে পানিবাহিত রোগীর সংখ্যা। ১০০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ৩৭৬ জন রোগী। এদের মধ্যে বেশিরভাগই ডায়রিয়া, সর্দি-জ্বর ও আমাশয়সহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগী। সামনে আরও রোগী বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে কোনো ওষুধের সংকট নেই।
লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন ডা. আহাম্মদ কবীর বলেন, বন্যার কারণে ডায়রিয়াসহ চারদিকে পানিবাহিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে শুরু থেকে আশ্রয় কেন্দ্রসহ বিভিন্ন এলাকায় ৬৪টি মেডিকেল টিমের সদস্যরা চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে। হাসপাতালগুলোয় রোগী বাড়ায় কলেরার স্যালাইনসহ ওষুধের কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দু-তিন দিনের মধ্য স্যালাইনসহ ওষুধ সরবরাহ করা হলে সংকট নিরসন হবে বলেও জানান তিনি।
বন্যার কবলে লক্ষ্মীপুরের ৫ উপজেলার বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকায় পানিবন্দী বাসিন্দাদের মাঝে দেখা দিচ্ছে ডায়রিয়া, জ্বর, সর্দি ও চর্মরোগসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের প্রকোপ। এতে হাসপাতালগুলোয় বেড়েছে রোগীর চাপ। শয্যা সংকটে মেঝেতে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছে অনেক রোগী। আক্রান্তদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।
চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন নার্স ও চিকিৎসকেরা। সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোয় স্যালাইনসহ ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে রোগীদের।
আজ শনিবার বিকেলে ১০০ শয্যার সদর হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা যায়, ১৫ বেডের শিশু ওয়ার্ড। যেখানে ১৫ শিশু ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেওয়ার কথা। অথচ সেখানে ভর্তি রয়েছে ১০৩ জন। একই চিত্র গাইনি, মেডিসিন ও সার্জারিসহ প্রতিটি বিভাগের। অনেকেই বেড না পাওয়ায় বারান্দায় ও ফ্লোরে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
গত ৫ দিন ধরে রোগীর চাপ বাড়ছে কয়েক গুণ। অর্থাৎ বন্যার পানি কমায় পানিবাহিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে হু হু করে। সদর হাসপাতালের বেডসংখ্যা ১০০। কিন্তু বর্তমানে ভর্তি রয়েছে ৩৭৬ জন। এর মধ্যে বেশির ভাগই পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত।
এ সময় কথা হয়, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি ৭ মাসের শিশু মিরাজ হোসেনের মা তাসলিমা আক্তারের সঙ্গে। তিনি বলেন, দুই দিন ধরে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে এক বেডে ভাগ করে দুই রোগীর সঙ্গে ৭ মাসের শিশু মিরাজকে রয়েছি। অনেক কষ্ট হচ্ছে। এদিকে গত ১০ দিন ধরে বাড়িতে হাঁটু পরিমাণ পানিবন্দী আছি। টয়লেট ও বন্যার দূষিত নোংরা ময়লা পানি একাকার। এতে মিরাজ জ্বর আর ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়।
পরে হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখনো সুস্থ হয়নি।
একই কথা বলেন শিশু ওয়ার্ডের তাসনুন আরার বাবা খোকন হোসেন, দিঘলী রুহুল আমিন ও চররুহিতার আজাদ হোসেনসহ অনেকের সঙ্গে। তারা অভিযোগ করে বলেন, বন্যার পানিতে বাড়িতে বসবাস করার সুযোগ নাই। সন্তানদের নিয়ে হাসপাতালে এসেছি। সেখানেও দুর্ভোগের শেষ নেই। ওষুধ ও স্যালাইনের তীব্র সংকট রয়েছে। প্রতিনিয়ত বাড়ছে পানিবাহিত রোগীর সংখ্যা। চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গত এক সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ৮০০ থেকে ১০০০ রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ডায়রিয়া বিভাগের ইনচার্জ লিলু রানী দাস বলেন, ‘গত তিন দিনে ৩ শতাধিক ডায়রিয়া ও জ্বর নিয়ে রোগী ভর্তি হয়েছে। যেভাবে রোগী ভর্তি হচ্ছে তারা সবাই বন্যা কবলিত এলাকার বাসিন্দা। গত তিন দিনে গণহারে ডায়রিয়া, জ্বর নিয়ে রোগী ভর্তি হচ্ছে। ১৫ জনের বেড তো খালি নেই। মেঝেতেও হাঁটার জায়গা নেই। চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. অরুপ পাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, বন্যার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে পানিবাহিত রোগীর সংখ্যা। ১০০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ৩৭৬ জন রোগী। এদের মধ্যে বেশিরভাগই ডায়রিয়া, সর্দি-জ্বর ও আমাশয়সহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগী। সামনে আরও রোগী বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে কোনো ওষুধের সংকট নেই।
লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন ডা. আহাম্মদ কবীর বলেন, বন্যার কারণে ডায়রিয়াসহ চারদিকে পানিবাহিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে শুরু থেকে আশ্রয় কেন্দ্রসহ বিভিন্ন এলাকায় ৬৪টি মেডিকেল টিমের সদস্যরা চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে। হাসপাতালগুলোয় রোগী বাড়ায় কলেরার স্যালাইনসহ ওষুধের কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দু-তিন দিনের মধ্য স্যালাইনসহ ওষুধ সরবরাহ করা হলে সংকট নিরসন হবে বলেও জানান তিনি।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছেন বিএনপি নেতা। সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগে গাজীপুর আদালতে এ মামলা করেছেন তিনি।
১৭ দিন আগেলক্ষ্মীপুরে রামগতিতে নৌকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ফারুক হোসেন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন দুজন। এখনো চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারুক হোসেন মারা যান।
১৭ দিন আগেদুই বছর আগে ফেনী পৌরসভার সুমাইয়া হোসেন আনিকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং ও গ্রাফিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন অনলাইন প্রতিষ্ঠানে চাকরির চেষ্টা করেও সফল হননি। এখন স্বামীর অনলাইন ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। আনিকা বলেন, ‘প্রশিক্ষণ পেয়েছি, কিন্তু কাজের সুযোগ খুবই কম।’ আনিকার
১৭ দিন আগেচট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলন দমাতে টাকা দাবির ভিডিও ভাইরালের পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম নগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিনকে কেন্দ্র থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তাঁর লিখিত ব্যাখা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দলকে জানানো কথা বলা হয়েছে।
১৭ দিন আগে