আনিসুল ইসলাম, কাপাসিয়া (গাজীপুর)
গাজীপুরের কাপাসিয়ার মাটি বৈচিত্র্যময়। কোথাও লালমাটি, তো কোনো এলাকার মাটি বেলে, আবার অন্য এলাকার মাটি দোআঁশ। তবে লালমাটির এলাকাই বেশি। দুই দশক আগেও এসব জমিতে ধান চাষ হতো। বাকি সময় ওই জমি পতিত পড়ে থাকত। কয়েক বছর ধরে লালমাটির টেকটিলায় দেশি জাতের পাশাপাশি জলডুগি ও ক্যালেন্ডার আনারসের চাষ শুরু হয়। ফলন ভালো হওয়ায় পাঁচ-ছয় বছরের ব্যবধানে আনারস চাষের পরিমাণ দ্বিগুণ বেড়েছে।
কাপাসিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক কৃষক এক থেকে ১০ বিঘা পর্যন্ত জমিতে আনারসের চাষ করেছেন। তাঁদের উৎপাদিত আনারস পাইকাররা এসে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এসব আনারস ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।
ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে কাপাসিয়ার বারিষাব ইউনিয়নের লোহাদী গ্ৰামে সড়কের পাশে বেশ কিছু আনারস বিক্রির দোকান রয়েছে। প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এসে এখান থেকে আনারস কিনে নিয়ে যান। ২০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত দামে প্রতিটি আনারস কেনাবেচা হয়।
আনারসের রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। আনারসে থাকা ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘সি’ ক্যালসিয়াম পটাশিয়াম ও ফসফরাস মানব দেহের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। তা ছাড়া ওজন নিয়ন্ত্রণ করে, হাড় গঠনে সহায়তা করে, দাঁত ও মাঢ়ির সুরক্ষা দেয়, চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় কার্যকরী, হজম শক্তি বাড়ায়, রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়।
উপজেলার লোহাদী গ্রামের আনারস চাষি মো. আরমান বলেন, ‘আমি এক বিঘা জমিতে আনারসের চাষ করেছি। ক্যালেন্ডার ও জলডুগি—দুই জাতের আনারসের চাষ করা হয়েছে। এ বছর আনারসের দাম অনেক ভালো। আমার এই এক বিঘা জমিতে যে পরিমাণ আনারস ধরেছে, তা প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বিক্রি যাবে। এ বছর আরও কিছু জমিতে নতুন করে আনারসের চারা রোপণ করব।’
আরেক আনারস চাষি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চার বছর আগে তিন টাকা করে আনারসের চারা কিনি। প্রতিটি চারা লাগাতে খরচ হয় দুই টাকা করে। লাগানোর এক বছর পরই আনারস ধরতে শুরু করে। আমি তিন বছর ধরে ছয় বিঘা জমির আনারস বিক্রি করছি। এ বছর আনারসের ফলন ভালো হয়েছে। তিন বিঘা জমির আনারস প্রায় ৪ লাখ টাকা বিক্রি হবে।’
রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমার এই জমি পতিত পড়ে থাকত। কোনো ফসল হতো না। এখন আনারস চাষ করে এই জমি থেকে প্রতিবছর ভালো টাকা আয় করতে পারছি। আনারস চাষ করতে খুব বেশি পরিচর্যার প্রয়োজন পড়ে না। কম খরচে আনারস চাষ একটি লাভজনক ফসল।’
কাপাসিয়া উপজেলা সদরের বাসিন্দা মো. পারভেজ এই সড়ক দিয়ে যাওয়ার পথে রাস্তার পাশে আনারস বিক্রি করতে দেখে বাড়ির জন্য আটটি আনারস কিনেছেন। তিনি বলেন, ‘এই এলাকার আনারস অনেক সুস্বাদু। আমি প্রায়ই এই এলাকা থেকে বাড়ির জন্য আনারস কিনে নিয়ে যাই।’
একটি ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় কর্মী মাসুদ রানা বলেন, ‘আমি সপ্তাহে দুই দিন এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করি। সড়কের পাশে আনারস বিক্রেতাদের কাছ থেকে আনারস কিনে নিয়ে যাই বাসার জন্য। আজ চারটি জলডুগি আনারস কিনেছি। এখানকার আনারসগুলো অনেক মিষ্টি ও সুস্বাদু। আনারসগুলো টাটকা ও বিষমুক্ত। প্রতিটি আনারস ২০ থেকে ৬০ টাকা করে কিনি।’
কাপাসিয়া কৃষি অফিসের তথ্য থেকে জানা গেছে, কাপাসিয়ায় ৪৫০ হেক্টর জমিতে আনারসের চাষ হয়েছে। উৎপাদিত আনারসের পরিমাণ প্রায় ৫ হাজার ১৭৫ মেট্রিক টন। পুরো কাপাসিয়ায় ৩ হাজার ২৫০ জন কৃষক নিয়মিত আনারসের চাষ করছেন। বিগত পাঁচ-ছয় বছরের আনারস চাষির সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে।
কাপাসিয়া উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা মিলি বলেন, এই এলাকায় আগে শুধু দেশীয় জাতের আনারস পাওয়া যেত। এখন ক্যালেন্ডার ও জলডুগি আনারসের চাহিদা বেড়েছে। যে কারণে এলাকার চাষিদের মধ্যে জলডুগি ও ক্যালেন্ডার আনারস চাষের পরিমাণও বেশি।
গাজীপুরের কাপাসিয়ার মাটি বৈচিত্র্যময়। কোথাও লালমাটি, তো কোনো এলাকার মাটি বেলে, আবার অন্য এলাকার মাটি দোআঁশ। তবে লালমাটির এলাকাই বেশি। দুই দশক আগেও এসব জমিতে ধান চাষ হতো। বাকি সময় ওই জমি পতিত পড়ে থাকত। কয়েক বছর ধরে লালমাটির টেকটিলায় দেশি জাতের পাশাপাশি জলডুগি ও ক্যালেন্ডার আনারসের চাষ শুরু হয়। ফলন ভালো হওয়ায় পাঁচ-ছয় বছরের ব্যবধানে আনারস চাষের পরিমাণ দ্বিগুণ বেড়েছে।
কাপাসিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক কৃষক এক থেকে ১০ বিঘা পর্যন্ত জমিতে আনারসের চাষ করেছেন। তাঁদের উৎপাদিত আনারস পাইকাররা এসে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এসব আনারস ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।
ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে কাপাসিয়ার বারিষাব ইউনিয়নের লোহাদী গ্ৰামে সড়কের পাশে বেশ কিছু আনারস বিক্রির দোকান রয়েছে। প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এসে এখান থেকে আনারস কিনে নিয়ে যান। ২০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত দামে প্রতিটি আনারস কেনাবেচা হয়।
আনারসের রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। আনারসে থাকা ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘সি’ ক্যালসিয়াম পটাশিয়াম ও ফসফরাস মানব দেহের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। তা ছাড়া ওজন নিয়ন্ত্রণ করে, হাড় গঠনে সহায়তা করে, দাঁত ও মাঢ়ির সুরক্ষা দেয়, চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় কার্যকরী, হজম শক্তি বাড়ায়, রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়।
উপজেলার লোহাদী গ্রামের আনারস চাষি মো. আরমান বলেন, ‘আমি এক বিঘা জমিতে আনারসের চাষ করেছি। ক্যালেন্ডার ও জলডুগি—দুই জাতের আনারসের চাষ করা হয়েছে। এ বছর আনারসের দাম অনেক ভালো। আমার এই এক বিঘা জমিতে যে পরিমাণ আনারস ধরেছে, তা প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বিক্রি যাবে। এ বছর আরও কিছু জমিতে নতুন করে আনারসের চারা রোপণ করব।’
আরেক আনারস চাষি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চার বছর আগে তিন টাকা করে আনারসের চারা কিনি। প্রতিটি চারা লাগাতে খরচ হয় দুই টাকা করে। লাগানোর এক বছর পরই আনারস ধরতে শুরু করে। আমি তিন বছর ধরে ছয় বিঘা জমির আনারস বিক্রি করছি। এ বছর আনারসের ফলন ভালো হয়েছে। তিন বিঘা জমির আনারস প্রায় ৪ লাখ টাকা বিক্রি হবে।’
রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমার এই জমি পতিত পড়ে থাকত। কোনো ফসল হতো না। এখন আনারস চাষ করে এই জমি থেকে প্রতিবছর ভালো টাকা আয় করতে পারছি। আনারস চাষ করতে খুব বেশি পরিচর্যার প্রয়োজন পড়ে না। কম খরচে আনারস চাষ একটি লাভজনক ফসল।’
কাপাসিয়া উপজেলা সদরের বাসিন্দা মো. পারভেজ এই সড়ক দিয়ে যাওয়ার পথে রাস্তার পাশে আনারস বিক্রি করতে দেখে বাড়ির জন্য আটটি আনারস কিনেছেন। তিনি বলেন, ‘এই এলাকার আনারস অনেক সুস্বাদু। আমি প্রায়ই এই এলাকা থেকে বাড়ির জন্য আনারস কিনে নিয়ে যাই।’
একটি ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় কর্মী মাসুদ রানা বলেন, ‘আমি সপ্তাহে দুই দিন এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করি। সড়কের পাশে আনারস বিক্রেতাদের কাছ থেকে আনারস কিনে নিয়ে যাই বাসার জন্য। আজ চারটি জলডুগি আনারস কিনেছি। এখানকার আনারসগুলো অনেক মিষ্টি ও সুস্বাদু। আনারসগুলো টাটকা ও বিষমুক্ত। প্রতিটি আনারস ২০ থেকে ৬০ টাকা করে কিনি।’
কাপাসিয়া কৃষি অফিসের তথ্য থেকে জানা গেছে, কাপাসিয়ায় ৪৫০ হেক্টর জমিতে আনারসের চাষ হয়েছে। উৎপাদিত আনারসের পরিমাণ প্রায় ৫ হাজার ১৭৫ মেট্রিক টন। পুরো কাপাসিয়ায় ৩ হাজার ২৫০ জন কৃষক নিয়মিত আনারসের চাষ করছেন। বিগত পাঁচ-ছয় বছরের আনারস চাষির সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে।
কাপাসিয়া উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা মিলি বলেন, এই এলাকায় আগে শুধু দেশীয় জাতের আনারস পাওয়া যেত। এখন ক্যালেন্ডার ও জলডুগি আনারসের চাহিদা বেড়েছে। যে কারণে এলাকার চাষিদের মধ্যে জলডুগি ও ক্যালেন্ডার আনারস চাষের পরিমাণও বেশি।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছেন বিএনপি নেতা। সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগে গাজীপুর আদালতে এ মামলা করেছেন তিনি।
১৮ দিন আগেলক্ষ্মীপুরে রামগতিতে নৌকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ফারুক হোসেন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন দুজন। এখনো চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারুক হোসেন মারা যান।
১৮ দিন আগেদুই বছর আগে ফেনী পৌরসভার সুমাইয়া হোসেন আনিকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং ও গ্রাফিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন অনলাইন প্রতিষ্ঠানে চাকরির চেষ্টা করেও সফল হননি। এখন স্বামীর অনলাইন ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। আনিকা বলেন, ‘প্রশিক্ষণ পেয়েছি, কিন্তু কাজের সুযোগ খুবই কম।’ আনিকার
১৮ দিন আগেচট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলন দমাতে টাকা দাবির ভিডিও ভাইরালের পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম নগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিনকে কেন্দ্র থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তাঁর লিখিত ব্যাখা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দলকে জানানো কথা বলা হয়েছে।
১৮ দিন আগে