অর্চি হক, ঢাকা
ভেঙে যাওয়া স্টিলের আসনের কাঠামোর ওপরে বসানো কাঠের বেঞ্চি। তার গা-ঘেঁষে চায়ের দোকান। জায়গাটি যাত্রীছাউনি হলেও সেখানে থামে না বাস। চায়ের দোকানদার জানালেন, কঙ্কালসার যাত্রীছাউনিটিতে এখনো যে মানুষ বসতে পারে, সেটা তাঁরই অবদান। আসনের স্টিল/লোহাগুলো খুলে নিয়ে গেছে ভবঘুরেরা, তার ওপরে কাঠের বেঞ্চিটা তিনিই বসিয়েছেন। যাঁরা চা খেতে আসেন, তাঁরা ওখানে বসেন। ওই জায়গাটুকু না থাকলে তাঁর বেচাবিক্রিও কমে যাবে। রাজধানীর আজিমপুরে ইডেন মহিলা কলেজের সামনের রাস্তার যাত্রীছাউনির চিত্র এটি।
গত মঙ্গলবার বিকেলে ছাউনিতে বসে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন সাবরিনা আকতার নামের এক নারী। দীর্ঘসময় অপেক্ষার পর তিনি বুঝতে পারলেন, এখানে কোনো বাস থামে না। জানতে চাইলে সাবরিনা কিছুটা বিরক্তি নিয়ে বলতে থাকেন, ‘বাসই যদি না থামে, তাইলে এইটা বানাইছে ক্যান?’
আরও কয়েকটি স্থান সরেজমিনে দেখা গেল, শুধু এই ছাউনিই নয়, রাজধানীর বেশির ভাগ যাত্রীছাউনি ও বাস বে’র (গণপরিবহনের যাত্রী ওঠা-নামার জন্য নির্ধারিত স্থান) একই অবস্থা। কয়েক কোটি টাকা খরচ করে নির্মাণ করা হলেও রক্ষণাবেক্ষণ ও তদারকির অভাবে এগুলো যাত্রীদের কাজে লাগছে না। কোনো ছাউনি থাকে হকার আর ভবঘুরেদের দখলে, কোনোটা পড়ে আছে অকেজো হয়ে। বেশির ভাগ ছাউনির সামনে থামে না বাস। ফলে দূরে এলোমেলোভাবে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে উঠতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। মাঝেমধ্যে চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে আহত হন কেউ কেউ।
২০১৮ সালে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও নগর-পরিকল্পনাবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী রাজধানীর দুই সিটির অধীনে ১৩০টি বাস স্টপেজ ও যাত্রীছাউনি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বাসরুট রেশনালাইজেশন কমিটির চাহিদামতো বিভিন্ন পথে চলা বাসের রুট অনুযায়ী যাত্রীছাউনি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়।
তবে দুই সিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জায়গা না পাওয়াসহ নানা কারণে পরিকল্পনা অনুযায়ী যাত্রীছাউনি ও বাস বে নির্মাণ সম্ভব হয়নি। দুই সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ২০১৬ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত অন্তত ৬৯টি নতুন যাত্রীছাউনি নির্মিত হয়। এ ছাড়া সংস্কার করা হয় পুরোনো কয়েকটি ছাউনি।
নগর-পরিকল্পনাবিদ ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সভাপতি অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, দুই সিটিতেই গত কয়েক বছরে বেশ কিছু যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু পরিকল্পনাতে যেই স্থানে ছাউনিগুলো করার কথা বলা হয়েছিল, অনেক ক্ষেত্রে সেই জায়গায় ছাউনি নির্মাণ সম্ভব হয়নি। আগে বা পরে নির্মাণ করা হয়েছে। মূল পয়েন্টে নির্মাণ না করার কারণে সেখানে বাস থামে না।
এ বিষয়ে ডিএসসিসির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, কিছু ছাউনি নির্মাণ করতে গিয়ে দেখা গেছে, সেটার নিচ দিয়ে ড্রেনেজ লাইন বা ইউটিলিটিজ লাইন চলে গেছে। ফলে সেখানে ছাউনি নির্মাণ করা যায়নি। আগে বা পরে নির্মাণ করতে হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে আবার জায়গা পাওয়া যায়নি। তাই পরিকল্পনা অনুযায়ী যাত্রীছাউনি নির্মাণ সম্ভব হয়নি।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় মোট কয়টি যাত্রীছাউনি আছে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ২০১৬ সাল থেকে ডিএসসিসির ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের আওতায় ৪০টি ছাউনি ও বাস বে তৈরি করা হয়েছে। আর চারটি পুরোনো যাত্রীছাউনি মেরামত করা হয়েছে। নতুন যাত্রীছাউনি নির্মাণে একেকটিতে গড়ে সাত থেকে সাড়ে সাত লাখ টাকা খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। কিছু ক্ষেত্রে ছাউনির মূল কাঠামো ছাড়াও পুলিশ বক্স, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ফুটপাত সংস্কার, বাস বে নির্মাণ করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে খরচ আরও বেশি পড়েছে। নতুন নির্মিত ২০টি ছাউনি বিজ্ঞাপনের জন্য ভাড়া দিয়েছে ডিএসসিসি। ২০ যাত্রীছাউনি থেকে বছরে মেলে ৩১ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) রয়েছে অন্তত ২৯টি ছাউনি। এর মধ্যে বিমানবন্দর সড়ক অংশের বনানী ও কাকলি প্রান্তে এবং কালশী মোড়ের ছাউনিগুলোতে রয়েছে বাস বে। এসব বাস বে ও যাত্রীছাউনি নির্মাণে ব্যয় গড়ে ১২ লাখ টাকা করে প্রায় ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা। আরও ২৪টি ছাউনির পরিকল্পনা রয়েছে ডিএনসিসির।
এ ছাড়াও সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০১৮ সালে ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ বিমানবন্দর সড়কের দুই পাশে দৃষ্টিনন্দন ১২টি যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর গুলিস্তান, মালিবাগ, মগবাজার, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, ঢাকা সেনানিবাস রেলওয়ে স্টেশন, এমইএস, বনানী, কাকলি, গুলশান, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি-২৭, সোবহানবাগ, কলাবাগান, ল্যাবএইড হাসপাতাল, শ্যামলী, মিরপুর, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁওসহ বিভিন্ন পয়েন্টে থাকা যাত্রীছাউনির কোনোটিতে বেসরকারি উদ্যোগে চলা কোনো গণপরিবহন তথা বাস থামে না। তবে বাসরুট রেশনালাইজেশন কমিটির উদ্যোগে চলা ‘নগর পরিবহনে’র বাস কিছু যাত্রীছাউনিতে থামতে দেখা গেছে।
ভেঙে যাওয়া স্টিলের আসনের কাঠামোর ওপরে বসানো কাঠের বেঞ্চি। তার গা-ঘেঁষে চায়ের দোকান। জায়গাটি যাত্রীছাউনি হলেও সেখানে থামে না বাস। চায়ের দোকানদার জানালেন, কঙ্কালসার যাত্রীছাউনিটিতে এখনো যে মানুষ বসতে পারে, সেটা তাঁরই অবদান। আসনের স্টিল/লোহাগুলো খুলে নিয়ে গেছে ভবঘুরেরা, তার ওপরে কাঠের বেঞ্চিটা তিনিই বসিয়েছেন। যাঁরা চা খেতে আসেন, তাঁরা ওখানে বসেন। ওই জায়গাটুকু না থাকলে তাঁর বেচাবিক্রিও কমে যাবে। রাজধানীর আজিমপুরে ইডেন মহিলা কলেজের সামনের রাস্তার যাত্রীছাউনির চিত্র এটি।
গত মঙ্গলবার বিকেলে ছাউনিতে বসে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন সাবরিনা আকতার নামের এক নারী। দীর্ঘসময় অপেক্ষার পর তিনি বুঝতে পারলেন, এখানে কোনো বাস থামে না। জানতে চাইলে সাবরিনা কিছুটা বিরক্তি নিয়ে বলতে থাকেন, ‘বাসই যদি না থামে, তাইলে এইটা বানাইছে ক্যান?’
আরও কয়েকটি স্থান সরেজমিনে দেখা গেল, শুধু এই ছাউনিই নয়, রাজধানীর বেশির ভাগ যাত্রীছাউনি ও বাস বে’র (গণপরিবহনের যাত্রী ওঠা-নামার জন্য নির্ধারিত স্থান) একই অবস্থা। কয়েক কোটি টাকা খরচ করে নির্মাণ করা হলেও রক্ষণাবেক্ষণ ও তদারকির অভাবে এগুলো যাত্রীদের কাজে লাগছে না। কোনো ছাউনি থাকে হকার আর ভবঘুরেদের দখলে, কোনোটা পড়ে আছে অকেজো হয়ে। বেশির ভাগ ছাউনির সামনে থামে না বাস। ফলে দূরে এলোমেলোভাবে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে উঠতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। মাঝেমধ্যে চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে আহত হন কেউ কেউ।
২০১৮ সালে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও নগর-পরিকল্পনাবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী রাজধানীর দুই সিটির অধীনে ১৩০টি বাস স্টপেজ ও যাত্রীছাউনি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বাসরুট রেশনালাইজেশন কমিটির চাহিদামতো বিভিন্ন পথে চলা বাসের রুট অনুযায়ী যাত্রীছাউনি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়।
তবে দুই সিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জায়গা না পাওয়াসহ নানা কারণে পরিকল্পনা অনুযায়ী যাত্রীছাউনি ও বাস বে নির্মাণ সম্ভব হয়নি। দুই সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ২০১৬ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত অন্তত ৬৯টি নতুন যাত্রীছাউনি নির্মিত হয়। এ ছাড়া সংস্কার করা হয় পুরোনো কয়েকটি ছাউনি।
নগর-পরিকল্পনাবিদ ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সভাপতি অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, দুই সিটিতেই গত কয়েক বছরে বেশ কিছু যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু পরিকল্পনাতে যেই স্থানে ছাউনিগুলো করার কথা বলা হয়েছিল, অনেক ক্ষেত্রে সেই জায়গায় ছাউনি নির্মাণ সম্ভব হয়নি। আগে বা পরে নির্মাণ করা হয়েছে। মূল পয়েন্টে নির্মাণ না করার কারণে সেখানে বাস থামে না।
এ বিষয়ে ডিএসসিসির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, কিছু ছাউনি নির্মাণ করতে গিয়ে দেখা গেছে, সেটার নিচ দিয়ে ড্রেনেজ লাইন বা ইউটিলিটিজ লাইন চলে গেছে। ফলে সেখানে ছাউনি নির্মাণ করা যায়নি। আগে বা পরে নির্মাণ করতে হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে আবার জায়গা পাওয়া যায়নি। তাই পরিকল্পনা অনুযায়ী যাত্রীছাউনি নির্মাণ সম্ভব হয়নি।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় মোট কয়টি যাত্রীছাউনি আছে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ২০১৬ সাল থেকে ডিএসসিসির ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের আওতায় ৪০টি ছাউনি ও বাস বে তৈরি করা হয়েছে। আর চারটি পুরোনো যাত্রীছাউনি মেরামত করা হয়েছে। নতুন যাত্রীছাউনি নির্মাণে একেকটিতে গড়ে সাত থেকে সাড়ে সাত লাখ টাকা খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। কিছু ক্ষেত্রে ছাউনির মূল কাঠামো ছাড়াও পুলিশ বক্স, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ফুটপাত সংস্কার, বাস বে নির্মাণ করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে খরচ আরও বেশি পড়েছে। নতুন নির্মিত ২০টি ছাউনি বিজ্ঞাপনের জন্য ভাড়া দিয়েছে ডিএসসিসি। ২০ যাত্রীছাউনি থেকে বছরে মেলে ৩১ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) রয়েছে অন্তত ২৯টি ছাউনি। এর মধ্যে বিমানবন্দর সড়ক অংশের বনানী ও কাকলি প্রান্তে এবং কালশী মোড়ের ছাউনিগুলোতে রয়েছে বাস বে। এসব বাস বে ও যাত্রীছাউনি নির্মাণে ব্যয় গড়ে ১২ লাখ টাকা করে প্রায় ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা। আরও ২৪টি ছাউনির পরিকল্পনা রয়েছে ডিএনসিসির।
এ ছাড়াও সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০১৮ সালে ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ বিমানবন্দর সড়কের দুই পাশে দৃষ্টিনন্দন ১২টি যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর গুলিস্তান, মালিবাগ, মগবাজার, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, ঢাকা সেনানিবাস রেলওয়ে স্টেশন, এমইএস, বনানী, কাকলি, গুলশান, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি-২৭, সোবহানবাগ, কলাবাগান, ল্যাবএইড হাসপাতাল, শ্যামলী, মিরপুর, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁওসহ বিভিন্ন পয়েন্টে থাকা যাত্রীছাউনির কোনোটিতে বেসরকারি উদ্যোগে চলা কোনো গণপরিবহন তথা বাস থামে না। তবে বাসরুট রেশনালাইজেশন কমিটির উদ্যোগে চলা ‘নগর পরিবহনে’র বাস কিছু যাত্রীছাউনিতে থামতে দেখা গেছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছেন বিএনপি নেতা। সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগে গাজীপুর আদালতে এ মামলা করেছেন তিনি।
১৮ দিন আগেলক্ষ্মীপুরে রামগতিতে নৌকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ফারুক হোসেন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন দুজন। এখনো চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারুক হোসেন মারা যান।
১৮ দিন আগেদুই বছর আগে ফেনী পৌরসভার সুমাইয়া হোসেন আনিকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং ও গ্রাফিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন অনলাইন প্রতিষ্ঠানে চাকরির চেষ্টা করেও সফল হননি। এখন স্বামীর অনলাইন ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। আনিকা বলেন, ‘প্রশিক্ষণ পেয়েছি, কিন্তু কাজের সুযোগ খুবই কম।’ আনিকার
১৮ দিন আগেচট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলন দমাতে টাকা দাবির ভিডিও ভাইরালের পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম নগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিনকে কেন্দ্র থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তাঁর লিখিত ব্যাখা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দলকে জানানো কথা বলা হয়েছে।
১৮ দিন আগে