নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
১৮৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সোনালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বৃহস্পতিবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করা হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক রাকিবুল হায়াত বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
কমিশনের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বাকি আসামিরা হলেন—মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের স্ত্রী ও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ফজলুতুননেসা, বড় মেয়ে ফৌজিয়া কামরুন তানিয়া ও তাঁর স্বামী প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সিএফও ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদ বিন আমান, আরেক মেয়ে তাসনিয়া কামরুন অনিকা, ছেলে মোস্তফা কামরুস সোবহান ও তাঁর স্ত্রী শাফিয়া সোবহান চৌধুরী এবং মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের আত্মীয় নূর-ই-হাফজা।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ—সুপরিকল্পিতভাবে অবৈধভাবে সোনালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের তহবিল থেকে মোট ১৮৭ কোটি ৮৪ লাখ ১৫ হাজার ৯৬৬ টাকা আত্মসাৎ করেন। বিধি বহির্ভূতভাবে একই পরিবারের সাতজন সদস্য সোনালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বোর্ড পরিচালক এবং প্রধান অর্থ কর্মকর্তা কাম ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদ গ্রহণ করেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, আসামিরা বিভিন্ন লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ তাদের নামীয় বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর ও রূপান্তর করেন। যে কারণে অভিযুক্তদের নামে দণ্ডবিধির ৪০৯ / ৪২০ / ৪৬৭ / ৪৬৮ / ৪৭১ / ১০৯ ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) ও (৩) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, সোনালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পেইড আপ ক্যাপিটাল বৃদ্ধির জন্য ২০১৮ সালে উদ্যোক্তা পরিচালকদের মধ্যে প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা দরে এক কোটি পাঁচ লাখ প্লেসমেন্ট শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেয়। কোম্পানির পরিচালক ও প্রথম চেয়ারম্যান আসামি নূর-ই-হাফজা, পরিচালক ফৌজিয়া কামরুন তানিয়া, রুপালি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি পরিচালক শাফিয়া সোবহান চৌধুরী ও শেখ মোহাম্মদ ডানিয়েলের (মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের জামাতা) কাছ থেকে কোনো টাকা গ্রহণ না করেই তাঁদের নামে মোট ৯ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার ইস্যু করা হয়।
দুদক মামলা প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, অবৈধভাবে প্রতারণার ও বিধি বহির্ভূতভাবে একই পরিবারের ৭ সদস্যকে কোম্পানির বোর্ড পরিচালক করা হয়। মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের জামাতা আসামি মীর রাশেদ বিন আমানকে কোম্পানির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করা হয় মর্মে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় আরও দেখা যায় যে, আসামি মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস সুপরিকল্পিতভাবে চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে তার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে ১৪১ কোটি ৫৬ লাভ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান, মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস নিজে ও পরিবারের সদস্যদের নামে বেতন হিসেবে অবৈধভাবে বেতন হিসেবে দেখিয়ে মোট ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা, অন্যদিকে কোম্পানির টাকায় নিজেদের জন্য শেয়ার ইস্যু বাবদ ৯ কোটি ১৬ লাখ ৫০ টাকা, ইআরপি মেইনটেন্যান্স বাবদ ৭ কোটি ৮৫ লাখ ৬৮ হাজার ৮১৭ টাকা, অবৈধভাবে বিলাসবহুল অডি কার ক্রয় বাবদ ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা, পরিবারের সদস্য অতিরিক্ত ডিভিডেন্ড প্রদান বাবদ ১ কোটি ৬০ লাখ ১০ হাজার ৭৫০ টাকা, বিদেশে নিজের চিকিৎসা, সন্তানের শিক্ষা, ভ্রমণ ব্যয় বাবদ ১ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার ৮০০ টাকা, গ্রুপ বিমা পলিসি থেকে অবৈধ কমিশন বাবদ ১৯ লাখ টাকা, আইপিও খরচের নামে অবৈধ ব্যয় বাবদ ৮ কোটি ২৬ লাখ ৬৭ হাজার ৮৫৯ টাকা অফিস ভাড়ার নামে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ড্রাগন আইটিকে প্রদান বাবদ ১১ কোটি ৯৪ লাখ ২০ টাকা, নিজ মালিকানাধীন পুরো ভবনের ইউটিলিটি বিল পরিশোধ বাবদ ১ কোটি ৭২ লাখ ৪২ হাজার ২২৩, নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ড্রাগন সোয়েটার ও স্পিনিং লিমিটেডের ট্যাক্স পরিশোধ বাবদ ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ১৮৭ কোটি ৮৪ লাখ ১৫ হাজার ৯৬৬ টাকা আত্মসাৎ করেন।
১৮৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সোনালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বৃহস্পতিবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করা হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক রাকিবুল হায়াত বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
কমিশনের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বাকি আসামিরা হলেন—মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের স্ত্রী ও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ফজলুতুননেসা, বড় মেয়ে ফৌজিয়া কামরুন তানিয়া ও তাঁর স্বামী প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সিএফও ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদ বিন আমান, আরেক মেয়ে তাসনিয়া কামরুন অনিকা, ছেলে মোস্তফা কামরুস সোবহান ও তাঁর স্ত্রী শাফিয়া সোবহান চৌধুরী এবং মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের আত্মীয় নূর-ই-হাফজা।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ—সুপরিকল্পিতভাবে অবৈধভাবে সোনালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের তহবিল থেকে মোট ১৮৭ কোটি ৮৪ লাখ ১৫ হাজার ৯৬৬ টাকা আত্মসাৎ করেন। বিধি বহির্ভূতভাবে একই পরিবারের সাতজন সদস্য সোনালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বোর্ড পরিচালক এবং প্রধান অর্থ কর্মকর্তা কাম ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদ গ্রহণ করেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, আসামিরা বিভিন্ন লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ তাদের নামীয় বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর ও রূপান্তর করেন। যে কারণে অভিযুক্তদের নামে দণ্ডবিধির ৪০৯ / ৪২০ / ৪৬৭ / ৪৬৮ / ৪৭১ / ১০৯ ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) ও (৩) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, সোনালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পেইড আপ ক্যাপিটাল বৃদ্ধির জন্য ২০১৮ সালে উদ্যোক্তা পরিচালকদের মধ্যে প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা দরে এক কোটি পাঁচ লাখ প্লেসমেন্ট শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেয়। কোম্পানির পরিচালক ও প্রথম চেয়ারম্যান আসামি নূর-ই-হাফজা, পরিচালক ফৌজিয়া কামরুন তানিয়া, রুপালি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি পরিচালক শাফিয়া সোবহান চৌধুরী ও শেখ মোহাম্মদ ডানিয়েলের (মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের জামাতা) কাছ থেকে কোনো টাকা গ্রহণ না করেই তাঁদের নামে মোট ৯ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার ইস্যু করা হয়।
দুদক মামলা প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, অবৈধভাবে প্রতারণার ও বিধি বহির্ভূতভাবে একই পরিবারের ৭ সদস্যকে কোম্পানির বোর্ড পরিচালক করা হয়। মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের জামাতা আসামি মীর রাশেদ বিন আমানকে কোম্পানির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করা হয় মর্মে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় আরও দেখা যায় যে, আসামি মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস সুপরিকল্পিতভাবে চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে তার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে ১৪১ কোটি ৫৬ লাভ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান, মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস নিজে ও পরিবারের সদস্যদের নামে বেতন হিসেবে অবৈধভাবে বেতন হিসেবে দেখিয়ে মোট ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা, অন্যদিকে কোম্পানির টাকায় নিজেদের জন্য শেয়ার ইস্যু বাবদ ৯ কোটি ১৬ লাখ ৫০ টাকা, ইআরপি মেইনটেন্যান্স বাবদ ৭ কোটি ৮৫ লাখ ৬৮ হাজার ৮১৭ টাকা, অবৈধভাবে বিলাসবহুল অডি কার ক্রয় বাবদ ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা, পরিবারের সদস্য অতিরিক্ত ডিভিডেন্ড প্রদান বাবদ ১ কোটি ৬০ লাখ ১০ হাজার ৭৫০ টাকা, বিদেশে নিজের চিকিৎসা, সন্তানের শিক্ষা, ভ্রমণ ব্যয় বাবদ ১ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার ৮০০ টাকা, গ্রুপ বিমা পলিসি থেকে অবৈধ কমিশন বাবদ ১৯ লাখ টাকা, আইপিও খরচের নামে অবৈধ ব্যয় বাবদ ৮ কোটি ২৬ লাখ ৬৭ হাজার ৮৫৯ টাকা অফিস ভাড়ার নামে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ড্রাগন আইটিকে প্রদান বাবদ ১১ কোটি ৯৪ লাখ ২০ টাকা, নিজ মালিকানাধীন পুরো ভবনের ইউটিলিটি বিল পরিশোধ বাবদ ১ কোটি ৭২ লাখ ৪২ হাজার ২২৩, নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ড্রাগন সোয়েটার ও স্পিনিং লিমিটেডের ট্যাক্স পরিশোধ বাবদ ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ১৮৭ কোটি ৮৪ লাখ ১৫ হাজার ৯৬৬ টাকা আত্মসাৎ করেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছেন বিএনপি নেতা। সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগে গাজীপুর আদালতে এ মামলা করেছেন তিনি।
১৮ দিন আগেলক্ষ্মীপুরে রামগতিতে নৌকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ফারুক হোসেন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন দুজন। এখনো চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারুক হোসেন মারা যান।
১৮ দিন আগেদুই বছর আগে ফেনী পৌরসভার সুমাইয়া হোসেন আনিকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং ও গ্রাফিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন অনলাইন প্রতিষ্ঠানে চাকরির চেষ্টা করেও সফল হননি। এখন স্বামীর অনলাইন ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। আনিকা বলেন, ‘প্রশিক্ষণ পেয়েছি, কিন্তু কাজের সুযোগ খুবই কম।’ আনিকার
১৮ দিন আগেচট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলন দমাতে টাকা দাবির ভিডিও ভাইরালের পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম নগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিনকে কেন্দ্র থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তাঁর লিখিত ব্যাখা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দলকে জানানো কথা বলা হয়েছে।
১৮ দিন আগে