নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
‘দোতলার অর্ধেক পর্যন্ত আগুন দেখছি ৷ বাকিডা ধোঁয়া আর ধোঁয়া। ভেতরে কিচ্ছু দেহা যাইতাছে না ভাই। মালামাল বাইর করাও যাইতাছে না৷ খুব খারাপ অবস্থা।’ বলছিলেন ঢাকা নিউ সুপার মার্কেটের কর্মচারী মো. সুমন। তিনি কয়েকবার মার্কেটের দোতলার ভেতরে গিয়ে মালামাল বের করার চেষ্টা করেছেন।
সদ্য দেখে আসা দোতলার ভয়াবহ অবস্থার কথা বলতে গিয়ে বারবার থামছিলেন সুমন। তারপর নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন, ‘দোতলায় আমার মহাজনের দুইটা দোকান। একটার নাম আয়েশা ফ্যাশন, আরেকটার নাম লেডিস স্টাইল টু। দুই দোকানেই নারীদের ওয়ান পিস বিক্রি করা হয়।’
সুমন বলেন, ‘যা মালামাল তার কতখানি বাইর করতে পারছি, হেইডা কইতে পারি না ভাই। আগুনের তাপ খুব। আর ধুমায় (ধোঁয়া) সব আন্ধার। কিছুই দেহা যাইতাছিল না। আমরা কয়েকবার ওপরে যাইতে পারছি। এহন আর যাওন সম্ভব না।’
তার পরেই আক্ষেপ করে বললেন, ‘আর কয়ডা দিন পরেই চানরাইত (চাঁদরাত)। বেচাকেনাডা তো তহনই হইব। গতকাইল রাইতে মেলা কাস্টমার আছিল। আইজও হইতো ৷ গত রাইতে একটা পর্যন্ত দোকানদারি করছি। কীসে থাইকা কী হইয়া গেল।’
বনলতা মার্কেটের সামনের রাস্তায়ও মালামাল এনে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে ৷ এমন এক স্তূপের সামনে পাহারা দিচ্ছিলেন মোস্তাকিম দেওয়ান। রাপা ফ্যাশন ও সামিয়া ফ্যাশন নামে তাঁর ভাইয়ের দুটি দোকান দোতলায় ৷ দুটিতেই বাচ্চাদের কাপড় বিক্রি করা হতো। এক দোকান থেকে কিছু মালামাল বের করতে পারলেও অন্য দোকানের কাছেই যেতে পারেননি তাঁরা। মোস্তাকিম বলেন, ‘সামিয়া ফ্যাশন থেকে কিছু কাপড় বের করতে পারলেও রাপা ফ্যাশন নামের দোকান থেকে কিছুই বের করা গেল না। ভেতরে এখন কী অবস্থা বলতে পারছি না।’
তৃতীয় তলায় বাইনর নামে একটি দোকানের মালিককে উদ্ধার করা সামান্য কিছু মালামালের সামনে দাঁড়িয়ে মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে কাঁদতে দেখা গেল। আবুল কালাম নামের এই দোকানি তাঁর স্বজনদের বলছিলেন, ‘কইতে গেলে কিছুই বাইর করবার পারি নাই। সব শ্যাষ। চিন্তা কইরা আর কী হইব। আমার মতো সবডিরই একই অবস্থা। দোয়া কইরো আমাগো লাইগা।’
কালামের দোকানের কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, তৃতীয় তলায় দোকানের ওপরেই ছিল তাঁদের গোডাউন। দোকান থেকে কিছু মালামাল উদ্ধার করা গেলেও গোডাউনের ধারেকাছেই যেতে পারছে না। কালামের দুশ্চিন্তা মূলত গোডাউন নিয়ে।
আরও পড়ুন:
‘দোতলার অর্ধেক পর্যন্ত আগুন দেখছি ৷ বাকিডা ধোঁয়া আর ধোঁয়া। ভেতরে কিচ্ছু দেহা যাইতাছে না ভাই। মালামাল বাইর করাও যাইতাছে না৷ খুব খারাপ অবস্থা।’ বলছিলেন ঢাকা নিউ সুপার মার্কেটের কর্মচারী মো. সুমন। তিনি কয়েকবার মার্কেটের দোতলার ভেতরে গিয়ে মালামাল বের করার চেষ্টা করেছেন।
সদ্য দেখে আসা দোতলার ভয়াবহ অবস্থার কথা বলতে গিয়ে বারবার থামছিলেন সুমন। তারপর নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন, ‘দোতলায় আমার মহাজনের দুইটা দোকান। একটার নাম আয়েশা ফ্যাশন, আরেকটার নাম লেডিস স্টাইল টু। দুই দোকানেই নারীদের ওয়ান পিস বিক্রি করা হয়।’
সুমন বলেন, ‘যা মালামাল তার কতখানি বাইর করতে পারছি, হেইডা কইতে পারি না ভাই। আগুনের তাপ খুব। আর ধুমায় (ধোঁয়া) সব আন্ধার। কিছুই দেহা যাইতাছিল না। আমরা কয়েকবার ওপরে যাইতে পারছি। এহন আর যাওন সম্ভব না।’
তার পরেই আক্ষেপ করে বললেন, ‘আর কয়ডা দিন পরেই চানরাইত (চাঁদরাত)। বেচাকেনাডা তো তহনই হইব। গতকাইল রাইতে মেলা কাস্টমার আছিল। আইজও হইতো ৷ গত রাইতে একটা পর্যন্ত দোকানদারি করছি। কীসে থাইকা কী হইয়া গেল।’
বনলতা মার্কেটের সামনের রাস্তায়ও মালামাল এনে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে ৷ এমন এক স্তূপের সামনে পাহারা দিচ্ছিলেন মোস্তাকিম দেওয়ান। রাপা ফ্যাশন ও সামিয়া ফ্যাশন নামে তাঁর ভাইয়ের দুটি দোকান দোতলায় ৷ দুটিতেই বাচ্চাদের কাপড় বিক্রি করা হতো। এক দোকান থেকে কিছু মালামাল বের করতে পারলেও অন্য দোকানের কাছেই যেতে পারেননি তাঁরা। মোস্তাকিম বলেন, ‘সামিয়া ফ্যাশন থেকে কিছু কাপড় বের করতে পারলেও রাপা ফ্যাশন নামের দোকান থেকে কিছুই বের করা গেল না। ভেতরে এখন কী অবস্থা বলতে পারছি না।’
তৃতীয় তলায় বাইনর নামে একটি দোকানের মালিককে উদ্ধার করা সামান্য কিছু মালামালের সামনে দাঁড়িয়ে মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে কাঁদতে দেখা গেল। আবুল কালাম নামের এই দোকানি তাঁর স্বজনদের বলছিলেন, ‘কইতে গেলে কিছুই বাইর করবার পারি নাই। সব শ্যাষ। চিন্তা কইরা আর কী হইব। আমার মতো সবডিরই একই অবস্থা। দোয়া কইরো আমাগো লাইগা।’
কালামের দোকানের কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, তৃতীয় তলায় দোকানের ওপরেই ছিল তাঁদের গোডাউন। দোকান থেকে কিছু মালামাল উদ্ধার করা গেলেও গোডাউনের ধারেকাছেই যেতে পারছে না। কালামের দুশ্চিন্তা মূলত গোডাউন নিয়ে।
আরও পড়ুন:
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছেন বিএনপি নেতা। সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগে গাজীপুর আদালতে এ মামলা করেছেন তিনি।
১৯ দিন আগেলক্ষ্মীপুরে রামগতিতে নৌকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ফারুক হোসেন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন দুজন। এখনো চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারুক হোসেন মারা যান।
১৯ দিন আগেদুই বছর আগে ফেনী পৌরসভার সুমাইয়া হোসেন আনিকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং ও গ্রাফিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন অনলাইন প্রতিষ্ঠানে চাকরির চেষ্টা করেও সফল হননি। এখন স্বামীর অনলাইন ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। আনিকা বলেন, ‘প্রশিক্ষণ পেয়েছি, কিন্তু কাজের সুযোগ খুবই কম।’ আনিকার
১৯ দিন আগেচট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলন দমাতে টাকা দাবির ভিডিও ভাইরালের পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম নগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিনকে কেন্দ্র থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তাঁর লিখিত ব্যাখা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দলকে জানানো কথা বলা হয়েছে।
১৯ দিন আগে