নাজমুল হাসান সাগর, মাওয়া প্রান্ত থেকে
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সামনে রেখে, নিরাপত্তার স্বার্থে পদ্মা সেতুর কাছাকাছি স্থানগুলো কড়া নজরদারিতে আছে গত কয়েক দিন থেকেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের কারণে খুব কাছাকাছি গিয়ে তাই সেতু দেখার মতো অবস্থা নেই। তবু প্রতিদিনই দেশের নানা প্রান্ত থেকে নানা বয়সী মানুষ আসছেন দেশের সক্ষমতার এই প্রতীক এক নজর দেখার জন্য।
যতটুকু কাছাকাছি গিয়ে দেখা যায়, সেই চেষ্টা নিয়েই সেতুর পার্শ্ববর্তী স্থানগুলোতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের আনাগোনা। অনেকেই সেতু দেখে প্রথমবার সমুদ্র দেখার মতো আনন্দ-অনুভূতি প্রকাশ করছেন। আবার বয়সে যাঁদের একটু বেশি, প্রমত্তা পদ্মা তাঁদের কাছে বিচ্ছেদের এক নাম। তাঁরা কিছুটা অবিশ্বাস, বিস্ময় আর ভালো লাগা নিয়ে অপলক দৃষ্টিতে দেখছেন। পদ্মার এপার-ওপার কোনো দিন এক হবে, সেটা কখনো ভাবেনি একটা প্রজন্ম। তাই তাদের বিস্ময় অনেক বেশিই।
আজ মঙ্গলবার মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু দেখতে আসা লোকজনের সঙ্গে কথা বলে এমন অনুভূতি পাওয়া গেল। দেশের মানুষের মতো প্রতিবেশী দেশের অতিথিদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে এই পদ্মা সেতু। পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি থেকে বাংলাদেশে ঘুরতে এসে পদ্মা সেতু এক নজর দেখতে এসেছেন সুশান্ত ও কৃষ্ণা নিয়োগী। পদ্মার বুকে দৃশ্যমান এই সেতু শুধু বাংলা না, আমাদেরও, সব বাঙালির গর্ব—উচ্ছ্বাস এই দম্পতির কণ্ঠে। বর্তমানে ভারতের বাসিন্দা সুশান্তর বাড়ি ছিল দিনাজপুরের রামডুবিতে। জন্মের দুই বছর পর দেশ ছেড়েছেন। এবারই প্রথম বাংলাদেশে আসা। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি অর্জন এ দেশের মানুষের মতো তাঁকেও আনন্দ দেয়। বললেন, পদ্মার বুকে সেতু দেখে ভীষণ ভালো লাগছে। গর্ব হচ্ছে বাঙালি হিসেবে।
তবে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে যে এই সেতু হয়েছে, এটা তাঁদের মতো অধিকাংশ ভারতীয় জানেন না। এই তথ্য শুনে চমকে উঠলেন নিয়োগী দম্পতি ও তাঁদের সঙ্গে ঘুরতে আসা অপর দুই ভারতীয় গণেশ দাস ও গণেশ দে। গণেশ দাস বললেন, ‘আমরা তো জানতাম এই সেতু নির্মাণ হচ্ছে চীনের টাকায়। সঙ্গে আছে আরও অনেক বিদেশি সহযোগিতা।’ সায় দিলেন গণেশ দে।
স্বপ্নের পদ্মা সেতু সম্পর্কে সবশেষ খবর পেতে - এখানে ক্লিক করুন
এবার আনন্দটা মনে হয় দ্বিগুণ হলো সুশান্তর। অবসরপ্রাপ্ত এই স্কুলশিক্ষক বললেন, প্রতিবেশী ও জন্মস্থান হিসেবে বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের আলাদা একটা টান আছে। কৃষ্ণার কথায়, ‘বাংলাদেশে এসেই প্রথম লক্ষ্য ছিল পদ্মা সেতু দেখব ৷ আজ সেটা দেখতে এসে খুব ভালো লাগছে। বেশি ভালো লাগত যদি উদ্বোধনটা দেখে যেতে পারতাম।’
গণেশ দে বললেন, ‘আমার বাপ-দাদার আদি ভিটা মুন্সিগঞ্জ। কয়েক বছর পরপরই বাংলাদেশে আসি। এবার বিশেষ করে এসেছি পদ্মা সেতুর জন্যই। সব থেকে ভালো লাগত যদি উদ্বোধনটা দেখে যেতে পারতাম।’ পরেরবার এসে সেতু দিয়ে ওপার যাওয়ার আশা ব্যক্ত করলেন তাঁরা।
পদ্মা সেতু সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সামনে রেখে, নিরাপত্তার স্বার্থে পদ্মা সেতুর কাছাকাছি স্থানগুলো কড়া নজরদারিতে আছে গত কয়েক দিন থেকেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের কারণে খুব কাছাকাছি গিয়ে তাই সেতু দেখার মতো অবস্থা নেই। তবু প্রতিদিনই দেশের নানা প্রান্ত থেকে নানা বয়সী মানুষ আসছেন দেশের সক্ষমতার এই প্রতীক এক নজর দেখার জন্য।
যতটুকু কাছাকাছি গিয়ে দেখা যায়, সেই চেষ্টা নিয়েই সেতুর পার্শ্ববর্তী স্থানগুলোতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের আনাগোনা। অনেকেই সেতু দেখে প্রথমবার সমুদ্র দেখার মতো আনন্দ-অনুভূতি প্রকাশ করছেন। আবার বয়সে যাঁদের একটু বেশি, প্রমত্তা পদ্মা তাঁদের কাছে বিচ্ছেদের এক নাম। তাঁরা কিছুটা অবিশ্বাস, বিস্ময় আর ভালো লাগা নিয়ে অপলক দৃষ্টিতে দেখছেন। পদ্মার এপার-ওপার কোনো দিন এক হবে, সেটা কখনো ভাবেনি একটা প্রজন্ম। তাই তাদের বিস্ময় অনেক বেশিই।
আজ মঙ্গলবার মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু দেখতে আসা লোকজনের সঙ্গে কথা বলে এমন অনুভূতি পাওয়া গেল। দেশের মানুষের মতো প্রতিবেশী দেশের অতিথিদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে এই পদ্মা সেতু। পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি থেকে বাংলাদেশে ঘুরতে এসে পদ্মা সেতু এক নজর দেখতে এসেছেন সুশান্ত ও কৃষ্ণা নিয়োগী। পদ্মার বুকে দৃশ্যমান এই সেতু শুধু বাংলা না, আমাদেরও, সব বাঙালির গর্ব—উচ্ছ্বাস এই দম্পতির কণ্ঠে। বর্তমানে ভারতের বাসিন্দা সুশান্তর বাড়ি ছিল দিনাজপুরের রামডুবিতে। জন্মের দুই বছর পর দেশ ছেড়েছেন। এবারই প্রথম বাংলাদেশে আসা। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি অর্জন এ দেশের মানুষের মতো তাঁকেও আনন্দ দেয়। বললেন, পদ্মার বুকে সেতু দেখে ভীষণ ভালো লাগছে। গর্ব হচ্ছে বাঙালি হিসেবে।
তবে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে যে এই সেতু হয়েছে, এটা তাঁদের মতো অধিকাংশ ভারতীয় জানেন না। এই তথ্য শুনে চমকে উঠলেন নিয়োগী দম্পতি ও তাঁদের সঙ্গে ঘুরতে আসা অপর দুই ভারতীয় গণেশ দাস ও গণেশ দে। গণেশ দাস বললেন, ‘আমরা তো জানতাম এই সেতু নির্মাণ হচ্ছে চীনের টাকায়। সঙ্গে আছে আরও অনেক বিদেশি সহযোগিতা।’ সায় দিলেন গণেশ দে।
স্বপ্নের পদ্মা সেতু সম্পর্কে সবশেষ খবর পেতে - এখানে ক্লিক করুন
এবার আনন্দটা মনে হয় দ্বিগুণ হলো সুশান্তর। অবসরপ্রাপ্ত এই স্কুলশিক্ষক বললেন, প্রতিবেশী ও জন্মস্থান হিসেবে বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের আলাদা একটা টান আছে। কৃষ্ণার কথায়, ‘বাংলাদেশে এসেই প্রথম লক্ষ্য ছিল পদ্মা সেতু দেখব ৷ আজ সেটা দেখতে এসে খুব ভালো লাগছে। বেশি ভালো লাগত যদি উদ্বোধনটা দেখে যেতে পারতাম।’
গণেশ দে বললেন, ‘আমার বাপ-দাদার আদি ভিটা মুন্সিগঞ্জ। কয়েক বছর পরপরই বাংলাদেশে আসি। এবার বিশেষ করে এসেছি পদ্মা সেতুর জন্যই। সব থেকে ভালো লাগত যদি উদ্বোধনটা দেখে যেতে পারতাম।’ পরেরবার এসে সেতু দিয়ে ওপার যাওয়ার আশা ব্যক্ত করলেন তাঁরা।
পদ্মা সেতু সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছেন বিএনপি নেতা। সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগে গাজীপুর আদালতে এ মামলা করেছেন তিনি।
১৮ দিন আগেলক্ষ্মীপুরে রামগতিতে নৌকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ফারুক হোসেন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন দুজন। এখনো চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারুক হোসেন মারা যান।
১৮ দিন আগেদুই বছর আগে ফেনী পৌরসভার সুমাইয়া হোসেন আনিকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং ও গ্রাফিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন অনলাইন প্রতিষ্ঠানে চাকরির চেষ্টা করেও সফল হননি। এখন স্বামীর অনলাইন ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। আনিকা বলেন, ‘প্রশিক্ষণ পেয়েছি, কিন্তু কাজের সুযোগ খুবই কম।’ আনিকার
১৮ দিন আগেচট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলন দমাতে টাকা দাবির ভিডিও ভাইরালের পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম নগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিনকে কেন্দ্র থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তাঁর লিখিত ব্যাখা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দলকে জানানো কথা বলা হয়েছে।
১৮ দিন আগে