নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
রাজধানীর ধানমন্ডি থানার প্রতারণা ও চাঁদা দাবির মামলায় আলোচিত মডেল মেঘনা আলমের জব্দ করা মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপে রাষ্ট্রবিরোধী কোনো উপাদান রয়েছে কি না, তা তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলাম এই নির্দেশ দেন।
পাশাপাশি মেঘনা আলমকে গ্রেপ্তারের সময় জব্দ করা ম্যাকবুক, পাসপোর্ট, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপের মালিকানা যাচাই করে তদন্ত কর্মকর্তাকে আগামী ৩১ আগস্ট প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
গত ২২ জুন মেঘনা আলম তাঁর কাছ থেকে জব্দ করা ম্যাকবুক, পাসপোর্ট, মোবাইল ও ল্যাপটপ জিম্মায় নেওয়ার আবেদন করেন। আজ ওই আবেদনের ওপর শুনানি হয়।
এই আদেশের সময় মেঘনা আলম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মেঘনার আইনজীবী মহসিন রেজা ও মহিমা বাঁধন মেঘনার ম্যাকবুক, ল্যাপটপ, মোবাইল ও পাসপোর্ট ফিরিয়ে দিতে শুনানি করেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ এর বিরোধিতা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, এটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর মামলা। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন। ল্যাপটপ ও মোবাইল ব্যবহার করে কোন কোন ব্যবসায়ী ও কূটনীতিককে ব্ল্যাকমেল করতেন, তা জানা প্রয়োজন।
তখন মেঘনা আলম আদালতকে বলেন, ‘আমার সঙ্গে বিভিন্ন রাষ্ট্রদূতের প্রফেশনাল সম্পর্ক রয়েছে। সৌদি রাষ্ট্রদূত ইশা আমাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছিলেন। তাঁর যথেষ্ট প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। আমি প্রমাণ দিতে পারব আমাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলা হয়েছিল নাকি আমি কাউকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছিলাম।’
এ সময় বিচারক বলেন, এখন এটা আলোচনার বিষয় নয়।
এরপর মেঘনা আলম বলেন, ‘বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আমার ওপর নির্ভর করে। ছয়টি মহাদেশের ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করি। আমার ব্যবহৃত ম্যাকবুক, ল্যাপটপ, মোবাইল ও পাসপোর্ট ফেরত চাই।’
এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, তিনি নারীদের নিয়ে কী কাজ করেন, তা মামলার এজাহারে স্পষ্ট। তিনি মূলত নারীদের দিয়ে ব্ল্যাকমেল করতেন। তখন মেঘনা প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আপনি রাষ্ট্রদূতকে অসম্মান করছেন।’
এরপর উভয় পক্ষ তর্কে জড়িয়ে পড়ে। এ পর্যায়ে মেঘনা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমি নিরপরাধ।’
গত ২৮ এপ্রিল মেঘনা আলমের ৩০ দিনের আটকাদেশ বাতিল করা হয়। অন্যদিকে আদালত তাঁকে জামিন দেন। ওই দিনই কারামুক্ত হন তিনি। এর পর থেকে তিনি জামিনে রয়েছেন।
এর আগে গত ৯ এপ্রিল বাসা থেকে আটক হন মেঘনা আলম। পরদিন ১০ এপ্রিল বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩০ দিনের আটকাদেশ দিয়ে মডেল মেঘনাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
গত ১৭ এপ্রিল কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে মেঘনাকে ধানমন্ডি থানার চাঁদাবাজি ও প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
মেঘনা আলম ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী দেওয়ান সমির এবং আরও দুই-তিনজন বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সুন্দরী নারীদের মাধ্যমে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের পরিকল্পনা করেন। এই অভিযোগে গত ১৫ এপ্রিল ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ আবদুল আলিম মামলাটি করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য, যাঁরা সুন্দরী নারীদের মাধ্যমে বিদেশি কূটনীতিক ও ধনী ব্যবসায়ীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ আদায় করতেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৯ মার্চ ধানমন্ডির একটি জাপানি রেস্টুরেন্টে এক কূটনীতিকের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের পরিকল্পনায় বৈঠক করেন তাঁরা।
মেঘনা আলম শুনানি শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আমার ম্যাকবুক, পাসপোর্ট, মোবাইল সেট ও ল্যাপটপ ফেরত চেয়েছি। আদালত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ৩১ আগস্ট আবার শুনানি হবে।’
রাজধানীর ধানমন্ডি থানার প্রতারণা ও চাঁদা দাবির মামলায় আলোচিত মডেল মেঘনা আলমের জব্দ করা মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপে রাষ্ট্রবিরোধী কোনো উপাদান রয়েছে কি না, তা তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলাম এই নির্দেশ দেন।
পাশাপাশি মেঘনা আলমকে গ্রেপ্তারের সময় জব্দ করা ম্যাকবুক, পাসপোর্ট, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপের মালিকানা যাচাই করে তদন্ত কর্মকর্তাকে আগামী ৩১ আগস্ট প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
গত ২২ জুন মেঘনা আলম তাঁর কাছ থেকে জব্দ করা ম্যাকবুক, পাসপোর্ট, মোবাইল ও ল্যাপটপ জিম্মায় নেওয়ার আবেদন করেন। আজ ওই আবেদনের ওপর শুনানি হয়।
এই আদেশের সময় মেঘনা আলম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মেঘনার আইনজীবী মহসিন রেজা ও মহিমা বাঁধন মেঘনার ম্যাকবুক, ল্যাপটপ, মোবাইল ও পাসপোর্ট ফিরিয়ে দিতে শুনানি করেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ এর বিরোধিতা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, এটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর মামলা। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন। ল্যাপটপ ও মোবাইল ব্যবহার করে কোন কোন ব্যবসায়ী ও কূটনীতিককে ব্ল্যাকমেল করতেন, তা জানা প্রয়োজন।
তখন মেঘনা আলম আদালতকে বলেন, ‘আমার সঙ্গে বিভিন্ন রাষ্ট্রদূতের প্রফেশনাল সম্পর্ক রয়েছে। সৌদি রাষ্ট্রদূত ইশা আমাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছিলেন। তাঁর যথেষ্ট প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। আমি প্রমাণ দিতে পারব আমাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলা হয়েছিল নাকি আমি কাউকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছিলাম।’
এ সময় বিচারক বলেন, এখন এটা আলোচনার বিষয় নয়।
এরপর মেঘনা আলম বলেন, ‘বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আমার ওপর নির্ভর করে। ছয়টি মহাদেশের ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করি। আমার ব্যবহৃত ম্যাকবুক, ল্যাপটপ, মোবাইল ও পাসপোর্ট ফেরত চাই।’
এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, তিনি নারীদের নিয়ে কী কাজ করেন, তা মামলার এজাহারে স্পষ্ট। তিনি মূলত নারীদের দিয়ে ব্ল্যাকমেল করতেন। তখন মেঘনা প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আপনি রাষ্ট্রদূতকে অসম্মান করছেন।’
এরপর উভয় পক্ষ তর্কে জড়িয়ে পড়ে। এ পর্যায়ে মেঘনা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমি নিরপরাধ।’
গত ২৮ এপ্রিল মেঘনা আলমের ৩০ দিনের আটকাদেশ বাতিল করা হয়। অন্যদিকে আদালত তাঁকে জামিন দেন। ওই দিনই কারামুক্ত হন তিনি। এর পর থেকে তিনি জামিনে রয়েছেন।
এর আগে গত ৯ এপ্রিল বাসা থেকে আটক হন মেঘনা আলম। পরদিন ১০ এপ্রিল বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩০ দিনের আটকাদেশ দিয়ে মডেল মেঘনাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
গত ১৭ এপ্রিল কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে মেঘনাকে ধানমন্ডি থানার চাঁদাবাজি ও প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
মেঘনা আলম ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী দেওয়ান সমির এবং আরও দুই-তিনজন বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সুন্দরী নারীদের মাধ্যমে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের পরিকল্পনা করেন। এই অভিযোগে গত ১৫ এপ্রিল ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ আবদুল আলিম মামলাটি করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য, যাঁরা সুন্দরী নারীদের মাধ্যমে বিদেশি কূটনীতিক ও ধনী ব্যবসায়ীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ আদায় করতেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৯ মার্চ ধানমন্ডির একটি জাপানি রেস্টুরেন্টে এক কূটনীতিকের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের পরিকল্পনায় বৈঠক করেন তাঁরা।
মেঘনা আলম শুনানি শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আমার ম্যাকবুক, পাসপোর্ট, মোবাইল সেট ও ল্যাপটপ ফেরত চেয়েছি। আদালত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ৩১ আগস্ট আবার শুনানি হবে।’
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছেন বিএনপি নেতা। সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগে গাজীপুর আদালতে এ মামলা করেছেন তিনি।
১৮ দিন আগেলক্ষ্মীপুরে রামগতিতে নৌকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ফারুক হোসেন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন দুজন। এখনো চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারুক হোসেন মারা যান।
১৮ দিন আগেদুই বছর আগে ফেনী পৌরসভার সুমাইয়া হোসেন আনিকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং ও গ্রাফিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন অনলাইন প্রতিষ্ঠানে চাকরির চেষ্টা করেও সফল হননি। এখন স্বামীর অনলাইন ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। আনিকা বলেন, ‘প্রশিক্ষণ পেয়েছি, কিন্তু কাজের সুযোগ খুবই কম।’ আনিকার
১৮ দিন আগেচট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলন দমাতে টাকা দাবির ভিডিও ভাইরালের পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম নগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিনকে কেন্দ্র থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তাঁর লিখিত ব্যাখা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দলকে জানানো কথা বলা হয়েছে।
১৮ দিন আগে