কুমিল্লা প্রতিনিধি
ফাঁসির আদেশ কার্যকর করার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্রাণভিক্ষা পাওয়া কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বেগমাবাদ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র নাহা অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন। আজ রোববার দুপুরে কুমিল্লা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
জানা যায়, ১৯৯৯ সালে করা একটি হত্যা মামলায় রাখাল চন্দ্র নাহাকে আসামি করা হয়। এ মামলায় তাঁর ফাঁসির আদেশ হয়। কিন্তু এ বীর মুক্তিযোদ্ধা আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় তাঁর স্ত্রী ও সন্তানেরা মামলা পরিচালনার জন্য অর্থ সংস্থান করতে পারেননি। সব আদালতে তাঁর ফাঁসির দণ্ড বহাল থাকে।
রায় কার্যকর করার বিষয়ে তাঁর বাড়িতে কারা কর্তৃপক্ষ চিঠি পাঠায়। ২০০৮ সালের ৩ এপ্রিল চিঠিটি পায় তাঁর পরিবার। ওই বছর ৭ এপ্রিল রাত ১১টায় রায় কার্যকর করার সময় নির্ধারণ করা হয়। এ বিষয়টি ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠন তৎকালীন জরুরি অবস্থা ভঙ্গ করে এ মুক্তিযোদ্ধার ফাঁসির দণ্ড রহিত করার দাবিতে সারা দেশে মানববন্ধন ও নানা কর্মসূচি পালন করে।
রাখাল চন্দ্রের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কুমিল্লায় অনশনে বসেন আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কেন্দ্রীয় কমটির সভাপতি হুমায়ুন কবিরসহ কুমিল্লার মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের সন্তানেরা। সরকারের কাছে আবেদন করা হয়।
পরের দিন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে ‘মুক্তিযোদ্ধার ফাঁসি কাল’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদের দৃষ্টিগোচর হয়। তিনি রাষ্ট্রপতিকে এ মুক্তিযোদ্ধার ফাঁসির দণ্ড মওকুফ করার অনুরোধ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ফাঁসির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তা রহিত করা হয়। পরে সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
কারাগারে ভালো কাজ করায় ৩০ বছর কারাদণ্ড থেকে প্রায় ছয় বছর দণ্ড মওকুফ করে কারা কর্তৃপক্ষ। অবশেষে দীর্ঘ ২৪ বছরের কারাজীবনের অবসান হলো এ বীর মুক্তিযোদ্ধার। আজ কুমিল্লা কারাগার থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র নাহাকে এ সময় ফুলেল শুভেচ্ছা জানান আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, সংগঠনের কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তরিকুর রহমান জুয়েল, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শাহ পরান সিদ্দিকী তারেক, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মাছুম, রাখাল চন্দ্র নাহার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা।
মুক্তি পেয়ে রাখাল চন্দ্র আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি মুক্তিযুদ্ধ করেছি। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। আমি একটি হত্যা মামলায় আসামি হয়েছিলাম। দারিদ্র্যের কারণে আমার পক্ষে উকিল রাখতে পারিনি। আদালত আমাকে ফাঁসির রায় দিয়েছিল। আমাদের সন্তানেরা অনেক কষ্ট করেছে, আন্দোলন করেছে। তাদের কারণে আমি আবার পৃথিবীর আলো দেখতে পেরেছি। তাদের ঋণ শোধ করার মতো নয়। সকলের প্রতি আমার পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা।’
ছেলে সঞ্জয় চন্দ্র নাহা বলেন, ‘একটি মিথ্যা খুনের মামলায় আমার বাবার ফাঁসির রায় দেওয়া হয়। আমরা রাষ্ট্রপতির কাছে একজন মুক্তিযোদ্ধার প্রাণভিক্ষার দাবি জানিয়েছিলাম। আমরা মুক্তিযুদ্ধের সন্তান কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবিরসহ সবার আন্দোলন, বিভিন্ন মিডিয়ার ভূমিকার কারণে ও রাষ্ট্রপতির দয়ায় আমরা আমার বাবাকে ফিরে পেয়েছি। বাবার ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘণ্টা বাকি ছিল, ঠিক তখনই বাবার ফাঁসির কার্যকর সংশোধন করা হয়েছে। আজ বাবার সাজা শেষ হওয়াই মুক্তি পেয়েছেন। আমাদের পরিবার আজ আনন্দিত।’
আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘১৯৯৯ সালে দেবিদ্বারে বেগমবাদ গ্রামে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এই হত্যা মামলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র নাহা আসামি হয়ে কারাগারে যান। আদালত ২০০৩ সালে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেন। অসহায় রাখাল চন্দ্র নাহার পক্ষে মামলার পরিচালনার ব্যয় বহন করার কোনো ক্ষমতা ছিল না। তাঁর বিপক্ষে ছিল সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু। তাঁর মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করার আগে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা একজন মুক্তিযোদ্ধার ফাঁসি থেকে রক্ষা করতে সারা দেশে আন্দোলন শুরু করি। তারই ধারাবাহিকতায় তৎকালীন সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদের অনুরোধে রাষ্ট্রপতি এই মুক্তিযোদ্ধার ফাঁসির রায় সংশোধন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে রক্ষা করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘১৯৯৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে আসেন মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র নাহা। ৩০ বছর যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত হন। জেল কোড অনুযায়ী ভালো ও বিশেষ কাজের জন্য ৫ বছর ৭ মাস ২৬ দিন সাজা মওকুফ পান। সাজার মেয়াদ শেষ হওয়াই রোববার (২ জুলাই) তাঁকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।’
ফাঁসির আদেশ কার্যকর করার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্রাণভিক্ষা পাওয়া কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বেগমাবাদ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র নাহা অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন। আজ রোববার দুপুরে কুমিল্লা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
জানা যায়, ১৯৯৯ সালে করা একটি হত্যা মামলায় রাখাল চন্দ্র নাহাকে আসামি করা হয়। এ মামলায় তাঁর ফাঁসির আদেশ হয়। কিন্তু এ বীর মুক্তিযোদ্ধা আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় তাঁর স্ত্রী ও সন্তানেরা মামলা পরিচালনার জন্য অর্থ সংস্থান করতে পারেননি। সব আদালতে তাঁর ফাঁসির দণ্ড বহাল থাকে।
রায় কার্যকর করার বিষয়ে তাঁর বাড়িতে কারা কর্তৃপক্ষ চিঠি পাঠায়। ২০০৮ সালের ৩ এপ্রিল চিঠিটি পায় তাঁর পরিবার। ওই বছর ৭ এপ্রিল রাত ১১টায় রায় কার্যকর করার সময় নির্ধারণ করা হয়। এ বিষয়টি ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠন তৎকালীন জরুরি অবস্থা ভঙ্গ করে এ মুক্তিযোদ্ধার ফাঁসির দণ্ড রহিত করার দাবিতে সারা দেশে মানববন্ধন ও নানা কর্মসূচি পালন করে।
রাখাল চন্দ্রের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কুমিল্লায় অনশনে বসেন আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কেন্দ্রীয় কমটির সভাপতি হুমায়ুন কবিরসহ কুমিল্লার মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের সন্তানেরা। সরকারের কাছে আবেদন করা হয়।
পরের দিন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে ‘মুক্তিযোদ্ধার ফাঁসি কাল’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদের দৃষ্টিগোচর হয়। তিনি রাষ্ট্রপতিকে এ মুক্তিযোদ্ধার ফাঁসির দণ্ড মওকুফ করার অনুরোধ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ফাঁসির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তা রহিত করা হয়। পরে সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
কারাগারে ভালো কাজ করায় ৩০ বছর কারাদণ্ড থেকে প্রায় ছয় বছর দণ্ড মওকুফ করে কারা কর্তৃপক্ষ। অবশেষে দীর্ঘ ২৪ বছরের কারাজীবনের অবসান হলো এ বীর মুক্তিযোদ্ধার। আজ কুমিল্লা কারাগার থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র নাহাকে এ সময় ফুলেল শুভেচ্ছা জানান আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, সংগঠনের কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তরিকুর রহমান জুয়েল, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শাহ পরান সিদ্দিকী তারেক, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মাছুম, রাখাল চন্দ্র নাহার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা।
মুক্তি পেয়ে রাখাল চন্দ্র আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি মুক্তিযুদ্ধ করেছি। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। আমি একটি হত্যা মামলায় আসামি হয়েছিলাম। দারিদ্র্যের কারণে আমার পক্ষে উকিল রাখতে পারিনি। আদালত আমাকে ফাঁসির রায় দিয়েছিল। আমাদের সন্তানেরা অনেক কষ্ট করেছে, আন্দোলন করেছে। তাদের কারণে আমি আবার পৃথিবীর আলো দেখতে পেরেছি। তাদের ঋণ শোধ করার মতো নয়। সকলের প্রতি আমার পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা।’
ছেলে সঞ্জয় চন্দ্র নাহা বলেন, ‘একটি মিথ্যা খুনের মামলায় আমার বাবার ফাঁসির রায় দেওয়া হয়। আমরা রাষ্ট্রপতির কাছে একজন মুক্তিযোদ্ধার প্রাণভিক্ষার দাবি জানিয়েছিলাম। আমরা মুক্তিযুদ্ধের সন্তান কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবিরসহ সবার আন্দোলন, বিভিন্ন মিডিয়ার ভূমিকার কারণে ও রাষ্ট্রপতির দয়ায় আমরা আমার বাবাকে ফিরে পেয়েছি। বাবার ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘণ্টা বাকি ছিল, ঠিক তখনই বাবার ফাঁসির কার্যকর সংশোধন করা হয়েছে। আজ বাবার সাজা শেষ হওয়াই মুক্তি পেয়েছেন। আমাদের পরিবার আজ আনন্দিত।’
আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘১৯৯৯ সালে দেবিদ্বারে বেগমবাদ গ্রামে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এই হত্যা মামলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র নাহা আসামি হয়ে কারাগারে যান। আদালত ২০০৩ সালে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেন। অসহায় রাখাল চন্দ্র নাহার পক্ষে মামলার পরিচালনার ব্যয় বহন করার কোনো ক্ষমতা ছিল না। তাঁর বিপক্ষে ছিল সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু। তাঁর মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করার আগে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা একজন মুক্তিযোদ্ধার ফাঁসি থেকে রক্ষা করতে সারা দেশে আন্দোলন শুরু করি। তারই ধারাবাহিকতায় তৎকালীন সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদের অনুরোধে রাষ্ট্রপতি এই মুক্তিযোদ্ধার ফাঁসির রায় সংশোধন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে রক্ষা করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘১৯৯৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে আসেন মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র নাহা। ৩০ বছর যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত হন। জেল কোড অনুযায়ী ভালো ও বিশেষ কাজের জন্য ৫ বছর ৭ মাস ২৬ দিন সাজা মওকুফ পান। সাজার মেয়াদ শেষ হওয়াই রোববার (২ জুলাই) তাঁকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।’
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছেন বিএনপি নেতা। সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগে গাজীপুর আদালতে এ মামলা করেছেন তিনি।
১৮ দিন আগেলক্ষ্মীপুরে রামগতিতে নৌকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ফারুক হোসেন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন দুজন। এখনো চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারুক হোসেন মারা যান।
১৮ দিন আগেদুই বছর আগে ফেনী পৌরসভার সুমাইয়া হোসেন আনিকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং ও গ্রাফিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন অনলাইন প্রতিষ্ঠানে চাকরির চেষ্টা করেও সফল হননি। এখন স্বামীর অনলাইন ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। আনিকা বলেন, ‘প্রশিক্ষণ পেয়েছি, কিন্তু কাজের সুযোগ খুবই কম।’ আনিকার
১৮ দিন আগেচট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলন দমাতে টাকা দাবির ভিডিও ভাইরালের পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম নগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিনকে কেন্দ্র থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তাঁর লিখিত ব্যাখা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দলকে জানানো কথা বলা হয়েছে।
১৮ দিন আগে