ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি
দেশের বিভিন্ন নদ-নদীতে দেখা মেলে সাকার মাছ বা সাকার মাউথ ক্যাট ফিশের। এই মাছ এখন পাওয়া যাচ্ছে খাল ও বিভিন্ন জলাশয়েও। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন জেলে ও স্থানীয়রা। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের সোবান গ্রামে আজ বুধবার এক জলাশয়ে পাওয়া গেছে এই মাছ। এর আগে রোববার উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের বালিথুবা বাজারের পাশে একটি খালে মাছ ধরার সময় জালে আটকা পড়ে সাকার মাছ।
গত কয়েক দিনের বৃষ্টির পানির স্রোতে মাছটি ভেসে জলাশয়ে এসেছে বলে ধারণা জেলে ও স্থানীয়দের। এই মাছ অধিক পরিমাণে বিস্তার লাভ করলে দেশীয় প্রজাতির মাছসহ মৎস্য খাতের উৎপাদন হুমকির মুখে পড়বে বলে ধারণা তাঁদের।
সোবান গ্রামের মফিজুল হক বলেন, ‘নদীতে জাল ফেললে দেশীয় প্রজাতির কয়েকটি মাছের সঙ্গে একটি সাকার মাছও ওঠে। জালের ওপর দিয়ে মাছটি প্রথমে দেখে সাপ মনে করে ভয় পেয়েছি। জাল খোলার পর দেখি সাকার মাছ। পরে নদীতে ফেলে দিয়েছি।’
এদিকে বালিথুবা এলাকার আরিফ হোসেন বলেন, ‘মাছটি প্রথম দেখে ভয় লেগেছিল। কারণ এর আগে এ ধরনের মাছ কখনো দেখিনি এবং মাছের নামটিও জানা ছিল না।’
উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সাকার মাছের জন্ম অবস্থান দক্ষিণ আফ্রিকায়। ভয়ংকর এই মাছ অ্যাকোরিয়ামে রাখার জন্য আশির দশকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। পরে অ্যাকোরিয়াম ছাড়িয়ে দেশের প্রায় সব মুক্ত জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়ে মাছটি। শখের সাকার মাছ এখন সব জলাশয়ে বিষ ছড়াচ্ছে। মাছটি একবার কোনো জলাশয়ে ঢুকে পড়লে এর বিস্তার রোধ করা খুব কঠিন।
চাষের পুকুরে এই মাছ ঢুকে পড়লে অন্য মাছের সঙ্গে খাবার ও বাসস্থান নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করে। এতে বাইরে থেকে পর্যাপ্ত খাবার দিলেও মাছের কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন পাওয়া যায় না। নিষিদ্ধ এই মাছ সব ধরনের মাছের খাদ্য, রেণু ও ডিম খায়। এ ছাড়া জলাশয়ের নিচে থাকা পচনশীল খাদ্য খাওয়াসহ এর শরীরে থাকা ভয়ানক কাঁটা দিয়ে অন্য সব মাছকে আঘাত করে মেরে ফেলতে পারে। এতে দেশের মৎস্য খাত হুমকিতে পড়েছে। সাকার মাছটি লবণাক্ত কিংবা মারাত্মক দূষিত কালচে পানিতে বাঁচতে পারে বলে জানায় উপজেলা মৎস্য কার্যালয়।
রামপুর এলাকার কবির হোসেন নামে এক যুবক বলেন, ‘ডাকাতিয়া নদীতে জাল ফেলতে গিয়ে সাকার মাছটি আমিও পেয়েছি। পরে আবার পানিতে ছেড়ে দিয়েছি।’
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘এটি নিষিদ্ধ এবং রাক্ষস প্রজাতির মাছ। পুকুরে ও জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়লে দেশীয় প্রজাতির মাছের চাষ হুমকির মুখে পড়বে। মাছটি যেখানে পাওয়া যাবে বা যাঁরা পাবেন, তাঁরা যেন মাটিতে পুঁতে ফেলেন।’
দেশের বিভিন্ন নদ-নদীতে দেখা মেলে সাকার মাছ বা সাকার মাউথ ক্যাট ফিশের। এই মাছ এখন পাওয়া যাচ্ছে খাল ও বিভিন্ন জলাশয়েও। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন জেলে ও স্থানীয়রা। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের সোবান গ্রামে আজ বুধবার এক জলাশয়ে পাওয়া গেছে এই মাছ। এর আগে রোববার উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের বালিথুবা বাজারের পাশে একটি খালে মাছ ধরার সময় জালে আটকা পড়ে সাকার মাছ।
গত কয়েক দিনের বৃষ্টির পানির স্রোতে মাছটি ভেসে জলাশয়ে এসেছে বলে ধারণা জেলে ও স্থানীয়দের। এই মাছ অধিক পরিমাণে বিস্তার লাভ করলে দেশীয় প্রজাতির মাছসহ মৎস্য খাতের উৎপাদন হুমকির মুখে পড়বে বলে ধারণা তাঁদের।
সোবান গ্রামের মফিজুল হক বলেন, ‘নদীতে জাল ফেললে দেশীয় প্রজাতির কয়েকটি মাছের সঙ্গে একটি সাকার মাছও ওঠে। জালের ওপর দিয়ে মাছটি প্রথমে দেখে সাপ মনে করে ভয় পেয়েছি। জাল খোলার পর দেখি সাকার মাছ। পরে নদীতে ফেলে দিয়েছি।’
এদিকে বালিথুবা এলাকার আরিফ হোসেন বলেন, ‘মাছটি প্রথম দেখে ভয় লেগেছিল। কারণ এর আগে এ ধরনের মাছ কখনো দেখিনি এবং মাছের নামটিও জানা ছিল না।’
উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সাকার মাছের জন্ম অবস্থান দক্ষিণ আফ্রিকায়। ভয়ংকর এই মাছ অ্যাকোরিয়ামে রাখার জন্য আশির দশকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। পরে অ্যাকোরিয়াম ছাড়িয়ে দেশের প্রায় সব মুক্ত জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়ে মাছটি। শখের সাকার মাছ এখন সব জলাশয়ে বিষ ছড়াচ্ছে। মাছটি একবার কোনো জলাশয়ে ঢুকে পড়লে এর বিস্তার রোধ করা খুব কঠিন।
চাষের পুকুরে এই মাছ ঢুকে পড়লে অন্য মাছের সঙ্গে খাবার ও বাসস্থান নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করে। এতে বাইরে থেকে পর্যাপ্ত খাবার দিলেও মাছের কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন পাওয়া যায় না। নিষিদ্ধ এই মাছ সব ধরনের মাছের খাদ্য, রেণু ও ডিম খায়। এ ছাড়া জলাশয়ের নিচে থাকা পচনশীল খাদ্য খাওয়াসহ এর শরীরে থাকা ভয়ানক কাঁটা দিয়ে অন্য সব মাছকে আঘাত করে মেরে ফেলতে পারে। এতে দেশের মৎস্য খাত হুমকিতে পড়েছে। সাকার মাছটি লবণাক্ত কিংবা মারাত্মক দূষিত কালচে পানিতে বাঁচতে পারে বলে জানায় উপজেলা মৎস্য কার্যালয়।
রামপুর এলাকার কবির হোসেন নামে এক যুবক বলেন, ‘ডাকাতিয়া নদীতে জাল ফেলতে গিয়ে সাকার মাছটি আমিও পেয়েছি। পরে আবার পানিতে ছেড়ে দিয়েছি।’
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘এটি নিষিদ্ধ এবং রাক্ষস প্রজাতির মাছ। পুকুরে ও জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়লে দেশীয় প্রজাতির মাছের চাষ হুমকির মুখে পড়বে। মাছটি যেখানে পাওয়া যাবে বা যাঁরা পাবেন, তাঁরা যেন মাটিতে পুঁতে ফেলেন।’
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছেন বিএনপি নেতা। সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার করার অভিযোগে গাজীপুর আদালতে এ মামলা করেছেন তিনি।
১৮ দিন আগেলক্ষ্মীপুরে রামগতিতে নৌকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ফারুক হোসেন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন দুজন। এখনো চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারুক হোসেন মারা যান।
১৮ দিন আগেদুই বছর আগে ফেনী পৌরসভার সুমাইয়া হোসেন আনিকা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং ও গ্রাফিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন অনলাইন প্রতিষ্ঠানে চাকরির চেষ্টা করেও সফল হননি। এখন স্বামীর অনলাইন ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। আনিকা বলেন, ‘প্রশিক্ষণ পেয়েছি, কিন্তু কাজের সুযোগ খুবই কম।’ আনিকার
১৮ দিন আগেচট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলন দমাতে টাকা দাবির ভিডিও ভাইরালের পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম নগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিনকে কেন্দ্র থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তাঁর লিখিত ব্যাখা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দলকে জানানো কথা বলা হয়েছে।
১৮ দিন আগে